Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  হবিগঞ্জে যত্রতত্র ঘোরাফেরা না করার আহব্বান জেলা প্রশাসকের #  বাহুবলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন মেম্বার শামীম #  সিলেটে করোনা আক্রান্ত প্রথম রোগী একজন চিকিৎসক #  সিলেটে স্বামীকে ভিডিওকলে রেখে স্ত্রীর আত্মহত্যা #  শ্রীলংকার চেয়েও এগিয়ে বাংলাদেশ! #  ওসমানীনগরে আল-আমানাহ ফাউন্ডেশন ইউকের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ #  মাধবপুরে ২ গাঁজা পাচারকারী গ্রেফতার #  হবিগঞ্জে করোনা সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন এমপি আবু জাহির #  মাধবপুরের লোকজনকে ঘরে থাকার জন্য সেনাবাহিনীর সচেতনতা অভিযান #  চুনারুঘাটে মাদক ব্যবসায়ি ফুল মিয়া আটক #  দেশে করোনায় আরেক জনের মৃত্যু #  বড়লেখার সাবেক এমপি সিরাজুল আর নেই #  নবীগঞ্জে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত #  করোনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৬৪ হাজার #  বাহুবলের ২২টি দোকানের ভাড়া মওকুফ করলেন মার্কেটের মালিক

চলে গেলেন ভারতীয় ফুটবল কিংবদন্তি

ক্রীড়া ডেস্ক: দীর্গ রোগ ভোগের পর না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন ভারতের কিংবদন্তি ফুটবলার প্রদীপ কুমার বন্দ্যোপাধ্যায় (পিকে)। শুক্রবার তার পরিবার এ দুঃসংবাদ দিয়েছে। মৃত্যুকালে পিকের বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। ১৯৬২ সালে এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী ভারতীয় ফুটবল দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি। তাকে দেশটির ফুটবলের স্বর্ণযুগের অন্যতম নির্মাতা বলে গণ্য করা হয়।

নিউমোনিয়ার কারণে দীর্ঘদিন শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন পিকে। একাধারে তার শরীরে বাসা বেঁধেছিল পার্কিনসন, ডেমেনসিয়া। ছিল হৃদযন্ত্রের সমস্যাও। নানাধরনের শারীরিক কষ্ট নিয়ে প্রায় মাস দেড়েক আগে তাকে কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে বয়সজনিত কারণে চিকিৎসায় বিশেষ সাড়া দিচ্ছিলেন না তিনি।

ফলে চলতি মাসের শুরু থেকে পিকেকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। তা সত্ত্বেও তার শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা কমেনি। উল্টো বাড়তে থাকে সংক্রমণ। শেষে মাল্টি অর্গ্যান ফেল করে কিংবদন্তি স্ট্রাইকারের। কার্যত এতেই মৃত্যু ঘটেছে তার বলে জানিয়েছেন ডাক্তাররা।

১৯৩৬ সালের ২৩ জুন জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন পিকে। জাতীয় দলের জার্সিতে ৮৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন তিনি। সবমিলিয়ে করেন ৬৫ গোল। ১৯৬২ সালে জাকার্তা এশিয়ান গেমস থেকে ভারতকে সোনা এনে দেন প্রয়াত এ ফুটবলার। পাশাপাশি ১৯৬০ সালে রোম অলিম্পিকে দলকে নেতৃত্ব দেন তিনি। সেবার দুর্ধর্ষ ফ্রান্স ফুটবল দলের বিপক্ষে ১-১ গোলে ম্যাচ ড্র করে ভারত। গোল করেন খোদ অধিনায়ক।

১৯৫৬ সালে মেলবোর্ন অলিম্পিকেও ভারতীয় ফুটবল দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন পিকে। সেবার অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলের ব্যবধানে হারানোর ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। দেশের জার্সি ছাড়া ক্লাব ফুটবলেও পিকের বুট তথা পা থেকে আসে একাধিক গোল। প্রায় দুই দশক ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের হয়ে দাপিয়ে খেলেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতার দুই বড় দলে কোচিংও করান এ কিংবদন্তি।

২০০৪ সালে পিকেকে বিশেষ সম্মানে ভূষিত করে ফিফা। তাকে দ্রোণাচার্য পুরস্কার দেয় ভারত সরকার। স্বভাবতই এমন কীর্তিমান ফুটবলারের প্রয়াণে কলকাতা তো বটেই, গোটা ভারত ফুটবলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।