Category Archives: বিনোদন

মৌলভীবাজারে সাংবাদিক রাধিক মোহন গোস্বামী স্মৃতি পদক ২০২০ প্রদান

পিন্টু দেবনাথ, কমলগঞ্জ ( মৌলভীবাজার): মৌলভীবাজারের সাংবাদিক রাধিকা মোহন গোস্বামী স্মরনে প্রদান করা হয়েছে রাধিকা মোহন গোস্বামী স্মৃতিপদক ২০২০।

শনিবার ( ১৯ সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব ভবনে এ পদক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য নেছার আহমদ।

অনুষ্ঠানে প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রথম স্থান অধিকিারী প্রথম আলো কমলগঞ্জ প্রতিনিধি মুজিবুর রহমান রঞ্জু ও ইলেক্টনিক মিডিয়ায় প্রথম হওয়া এটিএন বাংলা সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি শাহ মুজিবুর রহমান জকন এর হাতে তুলে দেয়া হয় পদক, ক্রেষ্ট, সার্টিফিকেট ও নগদ অর্থ।

ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া জার্নালিষ্ট (ইমজা) মৌলভীবাজার এর সহযোগীতায় এবং রাধিকা মোহন স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহনকারী আরো ১৫ জনকে পুরস্কার ও সার্টিফিকেট ও প্রতিযোগীতার বিচারক মন্ডলীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

ইমজা সভাপতি শাহ অলিদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার ফারুক আহমদ, প্রতিযোগীতার বিচারক লিয়াকত শাহ ফরিদী, ডা: রস রঞ্জন গোস্বামী ও মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি ইয়াছিনুল হক।

প্রতিযোগীতায় বিচারক ছিলেন রাজশাহী বিশ্ব বিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রদীপ কুমার পান্ডে, একাত্তর টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক পলাশ আহসান, ষাটের দশকের প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ নেসার আহমদ, সিলেটর প্রবীণ সাংবাদিক আল আজাদ, অধ্যক্ষ লিয়াকত শাহ ফরিদী ও প্রথম আলো মৌলভীবাজার প্রতিনিধি আকমল হোসেন নিপু।

অনুষ্ঠানে প্রয়াত রাধিকা মোহন গোস্বামীর জীবনী পাঠ করেন ইমজার যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আফরোজ আহমদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ইমজার নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক বকশি মিজবা উর রহমান, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক পান্না দত্ত ও রাধিকা মোহন গোস্বামীর পুত্র অধ্যাপক রজত গোস্বামী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, রাধিকা স্মৃতি পদক একই সাথে দুটি ফল বহন করবে। এক দিকে এ জেলার এই গুণী মানুষকে স্মরণ করা হবে। যা এ প্রজন্ম একজন আদর্শ মানুষের কর্মকান্ড জানাতে পারবে এবং তাদের মননে রাখবে। অন্য দিকে তাঁর নামে এই পদক চালু করায় সাংবাদিকরা তাদের কাজে আরো উৎসাহী হবেন।

মহানায়ক সালমান শাহ’র মৃত্যুবার্ষিকী আজ

করাঙ্গীনিউজ: বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের রুপালি পর্দার নব্বই দশকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সুদর্শন নায়ক সালমান শাহর ২৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ১১/বি, নিউ ইস্কাটন রোডের ইস্কাটন প্লাজার বাসার নিজ কক্ষে সালমান শাহকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

এরপর মেডিকেল রিপোর্টে এ নায়কের মৃত্যুকে আত্মহত্যা বললেও তার পরিবার ও ভক্তদের দাবি ‘হত্যা’ করা হয়েছে সালমানকে। বিষয়টি এখনো বিচারাধীন।

সালমান শাহ আসল নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। ক্ষণজন্মা এ মহানায়ক ১৯৭১ সালে সিলেট জেলায় অবস্থিত জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মাতা নীলা চৌধুরী। তিনি পরিবারের বড় ছেলে। সালমান শাহ ১২ আগস্ট ১৯৯২ বিয়ে করেন, এবং তার স্ত্রীর নাম সামিরা।

প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সোহানুর রহমান সোহানের হাত ধরে কেয়ামত থেকে কেয়ামত সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে পদার্পণ করেন তিনি। প্রথম ছবিতেই দর্শকের মনে জায়গা করে নেন সালমান শাহ।

তারপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একের পর এক ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র উপহার দিয়ে গেছেন। কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছবির মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রে অভিনয়জীবন শুরু এবং বুকের ভেতর আগুন চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সমাপ্তি। এই অভিনেতা সর্বমোট ২৭টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। নায়িকা শাবনূরের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি ১৪টি ছবিতে জুটি বেঁধেছেন। এ ছাড়াও টেলিভিশনে তার অভিনীত কয়েকটি নাটক প্রচারিত হয়।

গায়ক হিসেবেও সালমানের পরিচিতি ছিল। ছোটবেলা থেকেই শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি দারুণ আগ্রহ ছিল তার। বন্ধুমহলে সবাই তাকে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে চিনতেন। ১৯৮৬ সালে ছায়ানট থেকে পল্লীগীতিতে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন তিনি।

আরও কয়েক বছর পর প্রয়াত নাট্যজন আব্দুল্লাহ আল মামুনের প্রযোজনায় ‘পাথর সময়’ ধারাবাহিক নাটকে একটি ছোট চরিত্র এবং কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্রেও কাজ করেছিলেন তিনি।

ব্যাচ ৯৪ চুনারুঘাট এর বর্ণিল যাত্রা শুরু

আবুল কালাম আজাদ ,চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ): হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সকল বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ৯৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ২৬ বছর ব্যাচ-৯৪ এর বর্ণিল যাত্রা শুরু হয়েছে।

শুক্রবার দিনব্যাপী সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে সহপাঠী ৯৪ এর ১ম পুনর্মিলনীর মাধ্যমে এ সংগঠনআত্বপ্রকাশ করে।

চুনারুঘাটের প্রায় সকল বিদ্যালয়ের ৯৪ ব্যাচটি আইকন হিসেবে পরিচিত। কারণ একমাত্র এ ব্যাচেই দেশের নামকরা ডাক্তার, উপ সচিব, ইঞ্জিনিয়ার থেকে শুরু করে দেশ বিদেশের নানা প্রান্তে মেধাবিরা ছড়িয়ে আছে। দীর্ঘদিন এ ব্যাচটি বিদ্যালয় ভিত্তিক আর্তমানবতার সেবা ও সামাজিক নানা কাজে সম্পৃক্ত হলেও এবারই প্রথম অধিকাংশ বিদ্যালয়ের ৯৪ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একসাথে সংগঠনের আত্বপ্রকাশ ঘটলো যা চুনারুঘাটে কোন ব্যাচের এই প্রথম।

শুক্রবার সকাল থেকেই ব্যাচ ৯৪ এর বন্ধুরা চুনারুঘাট শহরে আনন্দ র‌্যালীর মাধ্যমে
তাদের আত্বপ্রকাশ জানান দেন। এরপর দুটি বাসযোগে শতাধিক বন্ধু চা বাগান
পেরিয়ে সকাল সাড়ে ১০টায় পৌছান সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে। নানা হই হুল্লুড় আর  ছুটাছুটির মধ্যেই শুরু হয পরিচয় পর্ব। ব্যাচ ৯৪ এর বন্ধু সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব মোস্তফা মোর্শেদ এর সঞ্চালনায় পরিচষয় পর্ব শেষে শুরু হয় স্কুল জীবণের নানা স্মৃতিচারণ। বেলা সাড়ে ১২টায় প্রথম পর্বের সমাপ্তি ঘটে।

জুম্মার নামাজ শেষে শুরু হয় খাবার দাবার পর্ব। শুরুতেই যোগ দেন ব্যাচ ৯৪ এর তিন কৃতি ডাক্তার, বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডাঃ আব্দুল মোন্তাকিম সাহিদ, বিশিষ্ট অর্থপেডিক ও সার্জন ডাঃ মোস্তাহিজুর রহমান মোমেন ও আরেক কৃতি বন্ধু চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন এবং সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুল আলমরুবেল।

খাবারের দায়িত্ব পাওয়া ব্যাচ ৯৪ এর আব্দুল মুকিত, খায়রুল হাসান, মোঃ লিটন, মুরাদ, হাফিজসহ কয়েকজন খাসি, চিকেন আর ইলিশ ছাড়াও দই আর ড্রিংস দিয়ে সবার মন জয় করে নেন।

বিকেলে দ্বিতীয় পর্বে ছিল ৯৪ ব্যাচের
যাত্রার প্রাক্ষালের কথা ও নানা পরিকল্পনা এবং আর্তমানবতার সেবায় কল্যাণকর কিছু করা প্রয়াস। সেখানে আলোচনায় অংশ নেন উপ-সচিব মোস্তফা মোর্শেদ, ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন, ডাঃ মোস্তাহিজুর রহমান মোমেন, ডাঃ মোন্তাকিম সাহিদ, সাইফুল আলম রুবেল, আমেরিকা প্রবাসী আব্দুর রউফ জলাই, নুরুল গনি সজিব, আকিকুর রহমান মোবেদ, ইঞ্জিনিয়ার দেওয়ান বদরুল আলম, নাসির উদ্দিন চৌধুরী, লুৎফুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, আজাদ, সোহেল, জাকারিয়া, শফিকুল ইসলাম মনা, ছায়েব আলী, আফজাল চৌধুরী, মোহাম্মদ আলী, টিপুসহ অনেকেই।

সামারান্তে গুরুত্বপুর্ণ বিষয়গুলো কার্যকরের সিদ্ধান্ত হয়।

এরপরই শুরু হয় উপহার প্রদান ও র‌্যাফেল ড্র। এতে মোস্তফা মোর্শেদ, মনিলাল, সজল, সজিব, মুকিতসহ অনেকেই সহযোগিতা করেন।

ব্যাচ ৯৪ এর দিনব্যাপী পুনর্মিলণীর সকল আয়োজনের পেছনে যারা অগ্রণী
ভুমিকা পালন করেছেন তাদের প্রবাসী বন্ধু আব্দুর রউফ জলাই, উপ সচিব মোস্তফা
মোর্শেদ. খায়রুল হাসান, নুরুল গনি সজিব, লিটন, মুকিত, মনিলাল, রাহী, মুরাদ, সোহেলসহ আরও অনেকেই।

রেজিষ্ট্রেশনের অর্থ ছাড়া তাদেরকে মোটা অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেছেন, আমেরিকা প্রবাসী আব্দুর রউফ জলাই, ডাঃ মোস্তাহিজুর রহমান মোমেন, ডাঃ মোন্তাকিম সাহিদ, ডাঃ মোজাম্মেল,
আমেরিকা প্রবাসী তায়েফুর রহমান বায়েস, ফিলিপাইন প্রবাসী মোস্তাফিজ চৌধুরী, প্রবাসী শেখ তাহিরসহ অনেক প্রবাসী বন্ধুরা। তাদের প্রতিও সর্বশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

স্বপ্ন পূরন হচ্ছে চিকন আলীর

মো: আক্তার হোসেন : নায়ক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেছিলেন চিকন আলী। কিন্তু বনে যান কমেডিয়ান। ৩০০-এর বেশি চলচ্চিত্রে কাজের পর অবশেষে চিকন আলীর স্বপ্নপূরণ হচ্ছে, এবার তিনি নায়ক হচ্ছেন।

চিকন আলী তার স্বপ্নপূরণের কথা জানিয়ে বলেন, ৩০০ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পর এই প্রথমবার নায়ক হিসেবে অভিনয় করতে যাচ্ছি। চলচ্চিত্রের নাম ‘ক্রেজি লাভার’। প্রযোজনা করছেন প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোর্শেদ খান হিমেল।

বর্তমানে এ চলচ্চিত্রের গান কাজের ও গল্পের লাইনআপ করা হচ্ছে। আগামী দুই মাসের মধ্যেই বগুড়ার মহাস্থানগড়, পাহাড়পুর, দিনাজপুরের স্বপ্নপুরীসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় শুটিং হবে বলে জানান চিকন আলী।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের অনেক নায়ক নাচ, ফাইটিং, অভিনয়ে খুব দুর্বল। কিন্তু আমি অনেক বছর ধরে থিয়েটারে কাজ করেছি, নাটকে কাজ করে ৩০০ এর বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজেকে উপযুক্ত করেছি। নায়ক হতে গেলে চেহারার চেয়ে অভিনয়, নাচ, ফাইটিং জানা লাগে। আমি সব বিষয়ে পারদর্শী। একটা সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম। অবশেষে পেলাম।

নায়ক রুবেল ভাইয়ের কাছ থেকে ফাইটিং শিখেছি। আমি অনেক ভালো নাচ করতে পারি। কিন্তু যেসব চলচ্চিত্রে কাজ করেছি সেখানে নিজের এসব গুণ তুলে ধরতে পারিনি। সবসময়ই নায়কদের প্রাধান্য দেয়া হতো। এবার আমি নায়ক হয়ে নিজেকে প্রমাণ করবো। প্রযোজক আমাকে নিয়ে যে ঝুঁকি নিচ্ছেন, তাই পারিশ্রমিকের চেয়ে যাতে তার লোকসান না হয় সেটা খেয়াল রাখবো।

১৮ বছর আগে ‘রঙিন চশমা’ চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয় করেন চিকন আলী। এরপর সুলতান, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়াসহ দুই শতাধিক চলচ্চিত্রের ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। তবে আলোচনা আসেন ‘মনে প্রাণে আছো তুমি’ চলচ্চিত্র দিয়ে। এরপর থেকে নতুন চলচ্চিত্র মানেই ছিলেন চিকন আলীর কমেডি! তার ভাষায়, শাকিব ভাইয়ের সাথেই ৭০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছি।

উদাহরণ টেনে চিকন আলী বলেন, ইন্ডিয়ার জনি লিভার, যশপাল যাদব, সুনিলসহ তামিল-তেলেগুর অনেকে কমেডিয়ান থেকে নায়ক হয়ে সফল হয়েছেন। আমাদের দেশে টেলি সামাদ (দিলদার আলী), দিলদার সাহেব (আবদুল্লাহ) নায়ক হয়ে সুপারহিট চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন। ইনশাআল্লাহ আমিও পারবো।

চিকন আলীকে নিয়ে এ চলচ্চিত্রের প্রযোজক মোর্শেদ খান হিমেল বলেন, চিকন আলী এর আগে আমার প্রোডাকশনে অনেক চলচ্চিত্রে কমেডিয়ান হিসেবে কাজ করেছে। এবার তাকেই নায়ক বানিয়ে ‘ক্রেজি লাভার’ বানাতে যাচ্ছি। তার বিপরীতে পরিচিত কোনো নায়িকা না পেলে নতুন কাউকে সুযোগ দেব। তবে চিকন আলীকে নিয়ে চলচ্চিত্র করবো এটা কনফার্ম।

তিনি বলেন, কয়েকজনের সাথে আলাপ করলেও পরিচালক এখনও চূড়ান্ত করিনি। তবে ভালো পরিচালকই নেব। এটা হবে মারদাঙ্গা ও কমেডি চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটি সংলাপ করা হবে কলকাতা থেকে। আমার ঘাসফুল প্রোডাকশন থেকেই চলচ্চিত্রটি নির্মিত হবে।

গাদীশাইল থেকে দমদম লেক

এম এ মজিদ:
সরু এবং মেটো পথ, সাথে বৃষ্টি। পিচ্ছিল রাস্তায় অন্তত ২৫টি মোটর সাইকেলে ৫০ জনের যাত্রা। ব্যক্তিগত প্রাইভেট কার নিয়ে মোটর বহরে যোগ দিয়েছে কেউ কেউ। গন্তব্য গাদিশাইল। চুনারুঘাট উপজেলার ২নং আহমদাবাদ ইউনিয়নের একটি গ্রাম। সীমান্ত ঘেষা। প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপূর। লোভনীয় প্রাকৃতিক দৃশ্য। চা বাগান, লেক, পরিত্যক্ত রেল স্টেশন ঘেরা কৃষি নির্ভর এ গ্রামে আগে যাওয়া হয়নি। যার বাড়িতে যাচ্ছি তার সাথে আগে দেখা হয়নি, মোবাইল ফোনে কোনো কথাও হয়নি। শুধু আমার না এমন অভিজ্ঞতা দু চার জন ছাড়া সবার। কিন্তু কারো কাছে অপরিচিত নয় সে। যথেষ্ট জনপ্রিয়। তবে মেয়েদের কাছে চক্ষুশোল। তীর্যক বাক্যবানে কাবু করে দেয়ার মতো একজন সে। কারো কাছে পাগলা মুকিত, কারো কাছে ডাক্তার মুকিত আবার কারো কাছে ভেজাইল্লা মুকিত।

আমার কাছে শুধুই একজন বন্ধু, অপরিচিত বন্ধু, কাছের বন্ধু, নাইনটি ফাইভ গ্র“পের বন্ধু। ঢাকা, গাজীপুর, শ্রীমঙ্গল, বানিয়াচং, বাহুবল, হবিগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ বিভিন্ন স্থান থেকে যাওয়া বন্ধুদেরকেও মুকিত কোনো দিন দেখেনি। তারপরও প্রত্যেককে মনে হয়েছে চিরচেনা, কাছের, আপনজন, এটা সম্ভব হয়েছে ব্যাচ ৯৫ সিলেট ডিভিশন পেইজবুক পেইজ এর কারণে। পেইজেই সে ঘোষনা দিল ২৮ আগষ্ট দুপুরে তার বাড়িতে খেতে হবে। এই যা। এরপর বন্ধুরা নিজেদের থেকেই যাওয়ার ব্যবস্থা করে। এডমিন সিরাজুল ইসলাম বাচ্চু ছিলও আমাদের সাথে। ঢাকা থেকে বাচ্চু এসেছে খালেদ ও সোহেলকে নিয়ে। ফাতেমা এসেছে ঢাকা থেকে স্বামী ছেলে মেয়ে নিয়ে। আসমারা এসেছে শ্রীমঙ্গল থেকে। জাকির এসেছে গাজীপুরের টাকশাল থেকে। ব্যারিষ্টার সুমন ঢাকা থেকে এসেছে। তবে সে এক ঢিলে দুই পাখি মারার অভ্যাসটা ছাড়েনি। ফুটবল খেলা ছিল চন্ড্রিচড়া চা বাগান মাঠে, সে ছিল প্লেয়ার এবং টিম লিডার। খেলাও হল, মুকিতের বাড়িতেও যাওয়া হল। আবার এই সুযোগে আমাদের সবাইকে তার বাড়িতে নিয়ে মিষ্টি ও চা আপ্যায়িত করল। বলা যায় এক ঢিলে তিন পাখি মারা।

চুনারুঘাট থানার ওসি শেখ নাজমুল হক যোগ দিয়েছে মুকিতের আস্তানায়। আমাদের নষ্টালজিয়া ছিল, শালীনতা ছিল, স্বামী স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে গল্প ছিল। বিভিন্ন জায়গা থেকে অপরিচিত বন্ধুরা আসবে বাড়িতে, তাতে মুকিতকে আলাদাভাবে চিন্তা করতে দেখিনি। আমি হলে বাড়িটা সাজাতাম, বাথরুমের দরজাটা ঠিক করতাম, বাড়িতে থাকা গরু বাছুরগুলোকে একটা সিস্টেমে রাখতাম। অর্থাৎ আমি বন্ধুত্বে রং দিতাম। মুকিত বন্ধুত্বে রং লাগায়নি। আমি চিন্তা করলাম, আমার কিংবা আমাদের সাথে মুকিতের ঠিক এই জায়গাটাতেই পার্থক্য। সে বন্ধুকে বন্ধুই মনে করে, মেহমান মনে করেনি। যার কারণে কেউ তাকে চিনে না, অথচ তার বাড়িতে সবাই। খাবারের আইটেমগুলো ছিল চমৎকার। বেগুনের ভর্তা, কুমড়া পাতার ভর্তা, মাছ শুটকি দিয়ে লতা, শুটকি সীমের বিচ এর তরকারী, গরুর গোস্ত ভূনা, মুরগী, মুকি দিয়ে ইলিশ মাছ। অনেকটা ভুপে খাবারের মতো। আমি বারবার চিন্তা করছিলাম, আমরা যে এতো জন আসলাম, সমস্যা হয় কি না। অবশেষে সমস্যা হয়নি। বিকালে আমরা চলে গেলাম দমদম লেকে। সুন্দর লেক।

চারদিকে পাহাড়, চা বাগান, লেক এর একটি পাশে ইন্ডিয়া। বৃটেনে বসবাস করে আসা সৈয়দ নজরুল জানাল- বিদেশ হলে এই লেকটিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক পর্যটকের সমাগম হতো। অথচ আমাদের দেশে এতো চমৎকার একটি লেক অবহেলায় পড়ে আছে। সন্ধার দিকে আমরা চলে আসলাম চন্ডিচড়া চা বাগান মাঠে। ব্যারিষ্টার সুমনের খেলা দেখতে। ইতিমধ্যে খেলা শেষ, আমরা দেরিতে যাওয়ায় সুমনের দল হেরে গেছে। সেখান থেকে ব্যারিষ্টার সুমনের চুনারুঘাটের বাসায়। বিশাল বাসা। এলাকার ভবিষ্যৎ নেতার বাসা। দৃষ্টি নন্দন হল রুম। দু’তলায় নিয়ে গিয়ে সুমন ফ্লোরে বসালো আমাদেরকে। এখানেও বন্ধুত্বের প্রকৃত ছোয়া পেলাম আমরা। ক্লান্ত শরীরে একজন আরেকজনের উপরেই হেলিয়ে দুলিয়ে বসে পড়ল। একটা সুন্দর দিনের অবসান হল। মুকিত ও সুমনের আস্তানা ছেড়ে আমাদের গন্তব্য এবার যার যার আস্তানা।

লেখকঃ আইনজীবী ও সংবাদকর্মী
হবিগঞ্জ।

 

মোশাররফ করিমের জন্মদিন আজ

বিনোদন ডেস্ক: জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিমের জন্মদিন আজ। ১৯৭০ সালের ২২ আগস্ট ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার অভিনয় দক্ষতা জন্ম নেয় সেই স্কুল থিয়েটার থেকে।

নিত্য নতুন চরিত্রে অভিনয় করে জয় করছেন মানুষের মন। তিনি শুধু অভিনেতা নন, তিনি একজন কবি, চিত্রনাট্যকার ও গীতিকার।

মোশারফ করিমের পৈত্রিক বাড়ি বরিশালে। স্কুলে পড়ার সময়ে অভিনয় চর্চা শুরু। ১৯৮৬ সালে ঢাকার অন্যতম নাট্যসংগঠন ‘নাট্যকেন্দ্র’-এ যুক্ত হন অভিনয়ের টানে। দলটির ‘বিচ্ছু’ ও ‘প্রতিসরণ’ নাটকে অভিনয় করেন। বর্তমানেও এ দলটির সদস্য হিসেবে যুক্ত আছেন।

১৯৯৯ সালে ‘অতিথি’ শিরোনামের একটি নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে টেলিভিশনে পা রাখেন মোশারফ। পরবর্তীতে বেশকিছু নাটকে অভিনয় করলেও জনপ্রিয়তা পান ২০০৪ সালে ‘ক্যারাম’ নামের একটি টিভি নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে।

মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ধারবাহিক নাটক ‘৪২০’, চলচ্চিত্র ‘থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’, ‘টেলিভিশন’ মোশাররফ করিমকে জনপ্রিয়তার অনন্য জায়গায় নিয়ে যায়। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে সাগর জাহানের ‘সিকান্দার বক্স’ নাটকে মোশারফ করিমের অভিনয় ঈর্ষনীয় প্রশংসা কুড়ায়। এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে প্রায় ৮০০’র বেশি নাটকে অভিনয় করেছেন মোশারফ করিম। সেই সঙ্গে চলচ্চিত্রেও অভিনয় করে চলেছেন সমানতালে।

অভিনয়ের স্বীকৃতি স্বরূপ বেশ কয়েকবার ‘মেরিল প্রথম আলো’ পুরস্কারসহ দেশ-বিদেশে বহু পুরস্কার জিতেছেন গুনি এই অভিনেতা।

‘আশীর্বাদ’: অপু আউট মাহি ইন, নায়ক রোশান

বিনোদন ডেস্ক: সরকারি অনুদানের ছবি ‘আশীর্বাদ’ থেকে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার মাত্র দু’দিনের মধ্যে বাদ পড়েছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। আর তার জায়গায় নায়িকা হিসেবে চূড়ান্ত হলেন মাহিয়া মাহি। এই ছবি দিয়ে প্রথমবারের মতো নায়ক রোশানের সঙ্গে জুটি বাঁধছেন মাহি।

ছবির প্রযোজক জেনিফার ফেরদৌস বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন নিজেই।

তিনি জানান, অবশেষে আশীর্বাদ ছবির প্রধান নারী চরিত্র সুবর্ণার জন্য মাহিয়া মাহিকে আমরা চুক্তিবদ্ধ করেছি। আশা করছি ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ নায়িকার সঙ্গে আমাদের কাজের দারুণ অভিজ্ঞতা হবে।

ছবিটি পরিচালনা করবেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী নির্মাতা মোস্তাফিজুর রহমান মানিক। ছবিটি নিয়ে উচ্ছ্বসিত মাহি বলেন, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই ছবির সুবর্ণা চরিত্রটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রীর চরিত্র।

মুক্তিযুদ্ধের আগের উত্তাল রাজনীতি এবং মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি নিয়ে ছবিটি নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রধান চরিত্রে থাকতে পেরে আমি উচ্ছ্বসিত ও গর্বিত।

উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারি অনুদানে পূর্ণদৈর্ঘ্য ১৬টি চলচ্চিত্রকে অনুদান দেয়া হয়েছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘আশীর্বাদ’। এর আগে মঙ্গলবার প্রযোজক জেনিফার ফেরদৌস নিজেই ফেসবুকে লাইভে অপু বিশ্বাসকে বাদ দেয়ার ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, অপু বিশ্বাসের অপেশাদারিত্বের কারণেই এ সিনেমা থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়েছে।

চুনারুঘাটের চা বাগানগুলিতে পর্যটকদের ভীড়

চুনারুঘাট ( হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: করোনার মধ্যেও পর্যটকে গিজ গিছ করছে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের চা বাগানসহ পর্যটক কেন্দ্রগুলোতে। অথচ উপজেলা সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও রেমা কালেঙ্গা অভয়ারণ্য সরকারি আদেশে বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায়ই ঈদে বাড়িতে আসা মানুষজন ছুটছে চা বাগানসহ বিভিন্ন এলাকায়।
 আজ রবিবার বিকেলে উপজেলা চান্দপুর, চনিডছড়া চা বাগান ঘুরে দেখা যায়, চারদিকে ভ্রমনপিপাসু মানুষের ভীড়। চা বাগানের অলিগলি, বাগানের ছড়াগুলো কিংবা লেকের পাড়ে পাড়ে মানুষ ভীড় করছে।
উপজেলার সবচেয়ে বড় সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান এবং রেমা কালেঙ্গা অভয়ারন্য করোনার কারণে বন্ধ প্রায় ৬ মাস ধরে। দীর্ঘদিন ধরে থাকা মানুষ এবার ঈদে বেরিয়ে পড়েছে। অনেকেই বন্ধ সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ঘুরতে গেছেন। তারা পার্কে প্রবেশ করতে না পারলেও বাইরে ঘুরাঘুরি করছেন। পার্কের চারপাশেই ভ্রমন পিপাসুদের ভীড় দেখা গেছে।
এদিকে উপজেলার ২৪টি চা বাগানে এখন ভ্রমনপিপাসুদের ভীড় পড়েছে। চান্দপুর, চন্ডিছড়া, চাকলাপুঞ্জি, দেউন্দি, লালচান্দ. লস্করপুর, আমু, নালুয়া চা বাগানে শুধু মানুষ আর মানুষ। সবাই এসেছেন ঘুরতে। ঈদের ছুটির দিনে বেড়াতে।
বিশেষ করে চান্দপুর ও চন্ডিছড়া চা বাগানেই ভ্রমন পিপাসুদের ঢল নেমেছে। পুরাতন মহাসড়ক ও সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান হওয়ার কারনে এ সড়কে মানুষের ভীড় প্রতিদিনই দেখা যায়। ভ্রমনে আসা আনোয়ার হোসেন জানান, ঈদের ছুৃটি মাত্র একদিন। তাই আজ ছেলে মেয়েদের নিয়ে চা বাগান দেখাতে এসেছি।
পলাশ ঢাকায় থাকেন, এসেছেন বাড়িতে। ঈদের পরদিন বাচ্ছা ও স্ত্রীসহ সকলকে নিয়ে বাগানে ঘুরতে এসেছেন। একই ভাবে বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য মানুষ পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে এসেছেন।

ববিতার জন্মদিন আজ

করাঙ্গীনিউজ ডেস্ক: ঢালিউডের অসামান্য এক অভিনেত্রী ববিতা। অভিনয়, জাতীয়-আন্তর্জাতিক বলয়ে উপস্থিতি মিলিয়ে তার অন্যরকম খ্যাতি। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এই নায়িকার জন্মদিন।

সাদাকালো যুগের নায়িকা হয়ে ববিতার পর্দায় আগমন। শাসন করেছেন রঙিন পর্দাও। সময়ের পরিক্রমায় মা-ভাবির চরিত্রে এসেছেন, কিন্তু অভিনয়ের গুণে ববিতা একজনই।

করোনার কারণে এবারের জন্মদিনে তেমন কোনো আয়োজন রাখেননি ববিতা। গণমাধ্যমকে বললেন, জন্মদিনে কিছুই করছি না। করার মতো পরিবেশও নেই। মনটাও ভালো না। আমার তিন ভাই আছেন তিন দেশে। সুচন্দা আপাও আছেন বিদেশে। আমার একমাত্র ছেলে অনিক কানাডায়। এ জন্য মনটা ভালো না। মনটা বার বার বলছে কখন ছেলেকে কাছে পাব!

তবে বিশেষ এই দিনের প্রথম প্রহর থেকে স্বজন, ভক্ত-অনুরাগীদের শুভেচ্ছা বার্তায় সিক্ত হচ্ছেন অভিনেত্রী।

জানালেন, এই দিনে তার চাওয়া আরও সুন্দর পৃথিবী। বলেন, সবার ভালোবাসা ও দোয়া নিয়ে এতদূর এসেছি। এখনো সবার দোয়া ও ভালোবাসা চাই। পৃথিবী আগের মতো সুন্দর হোক— এটাই প্রত্যাশা করি।

১৯৫৩ সালের ৩০ জুলাই যশোরে জন্ম ববিতার। তার পারিবারিক নাম ফরিদা আক্তার পপি। শিক্ষাজীবন শুরু হয় যশোর দাউদ পাবলিক বিদ্যালয়ে। সেখানে পড়াকালে বড় বোন সুচন্দা চলচ্চিত্রে পা রাখলে পরিবারসহ ঢাকায় চলে আসেন। গেন্ডারিয়ায় গড়েন আবাস।

কিংবদন্তি নির্মাতা ও ভগ্নিপতি জহির রায়হানের ‘সংসার’ ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে ১৯৬৮ সালে অভিষেক হয় ববিতার। এখানে তিনি রাজ্জাক-সুচন্দার মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেন। আর ফরিদা আক্তার পপি থেকে ‘ববিতা’ হয় উঠেন জহির রায়হানের উর্দু ছবি ‘জ্বলতে সুরুজ কি নিচে’র মাধ্যমে। তবে নায়িকা হিসেবে প্রথম ছবি ‘শেষ পর্যন্ত’ মুক্তি পায় ১৯৬৯ সালের ১৪ আগস্ট, যেদিন ববিতার মা মৃত্যুবরণ করেছিলেন। এ ছবিতে তার নায়ক ছিলেন রাজ্জাক।

আলোচিত ছবি ‘টাকা আনা পাই’ ববিতাকে চলচ্চিত্রের শক্ত আসন দিলেও তার জীবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র বলা হয় সত্যজিৎ রায়ের ‘অশনি সংকেত’কে। এই ছবিতে অভিনয় করে ববিতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দারুণ প্রশংসা অর্জন করেন।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ২৫০টির বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন ববিতা। স্বীকৃতিস্বরূপ একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ দেশি-বিদেশি অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন। তিনিই বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে সবচেয়ে বেশিবার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়েছিলেন।

ঈদে পিচ্চি রুবেলের একাধিক নাটক যাচ্ছে টিভিতে

করাঙ্গীনিউজ: ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে পিচ্চি রুবেলের একাধিক নাটক যাচ্ছে বিভিন্ন টেলিভিশনে। ঈদের দ্বিতীয় দিন ‘আমার অন্তরে’ নাটকটি মাছরাঙ্গা টেলিভিশনে দেখা যাবে। এই নাটকটি লিখেছেন আহসান হাবিব সকাল ও পরিচালনা করেছেন স্বরাজ দেব।

আনোয়ার আজাদ ফিল্মের অধিনে সোয়েব সাদিক সজীব পরিচালনায় নাটক ‘সেলিব্রিটি কসাই’ ‘প্রবাসী ভাবি’ নাটক দুটি যাচ্ছে জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেলে। এক্ষেত্রে সেবিব্রিটি কসাই নাটক মহড়া থেকেই ব্যাপক সাড়া পড়েছে নাট্যঙ্গানে।

পিচ্চি রুবেল করাঙ্গীনিউজকে বলেন, এই ঈদের সেরা কাজ হবে আমার সেলিব্রিটি কসাই নাটকটি। সবাইকে দেখার আমন্ত্রণ রইলো।
এছাড়াও রুবেলের হাতে ঈদে আর বেশ কিছু কাজ রয়েছে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। দেশের এই মহামারীর করোনা কারনে ৪ মাস বেকার ছিলেন রুবেল।

তিনি আরো বলেন- আমি উশু জাতীয় খেলোয়াড় এবং এখন কোচ হিসেবে আছি।
পিচ্চি রুবেল শায়েস্তাগঞ্জ দেশ নাট্যগোষ্ঠীর একজন নাট্যকর্মী। সে এপর্যন্ত ১০০টিও বেশি নাটকে অভিনয় করেছে এবং চলচ্চিত্রেও কাজ করছে।

ভিলেন হিসাবে চুক্তিবদ্ধ হলেন গীতিকার এম আর মামুন

বিনোদন ডেস্ক: তুহিন তোফাজ্জল এর নতুন ছবিতে ভিলেন হিসাবে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বাংলাদেশ বেতারের গীতিকার হবিগঞ্জের কৃতি সন্তান এম আর মামুন।

সম্প্রতি প্রযোজক তুহিন তোফাজ্জল জানিয়েছেন যে, কোরবানির ঈদের পর তার আরেকটি নতুন ছবির কাজ শুরু করবেন, আর সেই ছবির ২জন নায়ককে চুক্তিবদ্ধ করিয়েছেন, একজন হলেন নায়ক তামিম রাজ আরেক জন হলেন নায়ক তুষার রাজ, তামিম রাজ ইতিমধ্যে তুহিন তোফাজ্জল এর ” কবি ” শিরোনামের একটা ছবির কাজ শেষ করেছেন।

ভিলেন হিসাবে চুক্তি করেছেন হবিগঞ্জের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ বেতারের গীতিকার এম আর মামুনকে।

ছবিটি বর্তমানে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে, প্রযোজক তুহিন তোফাজ্জল বলেন, আমার নতুন ছবির গল্প ও চিত্রনাট্যর কাজ শেষ, তিনি ছবির নামটি এখনি প্রকাশ করবেননা, শুটিং শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে নতুন ছবির নাম প্রকাশ করবেন।

নায়িকা কাকে নিয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, নতুন ও পুরাতন নায়িকাদের মধ্যে কয়েক জনের সাথে কথা চলছে, এখনো কাউকে নায়িকা হিসেবে কনফার্ম করা হয়নি, ঈদ এর পর পর নায়িকা কনফার্ম করে ফেলবো।

লাউয়াছড়া সাতছড়ি বন্ধ থাকবে অক্টোবর পর্যন্ত

করাঙ্গীনিউজ: পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও বনজসম্পদ উন্নয়নের জন্য জনসমাগম ঠেকাতে লাউয়াছড়া সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন উদ্যান আগামী অক্টোবর পর্যন্ত
বন্ধ রাখার সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

রোববার (২৬ জুলাই) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ১৪তম বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে অংশ নেন কমিটির সদস্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন,
উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, দীপংকর তালুকদার, নাজিম উদ্দিন আহমেদ, মো.রেজাউল করিম বাবলু এবং খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন।

বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, দেশের জলজ জীববৈচিত্র্য বিশেষ করে ডলফিন সংরক্ষণেরটেকসই ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে ‘গুরুত্বপূর্ণ জলজ প্রতিবেশ ব্যবস্থাপনার
জন্য রক্ষিত এলাকা সম্প্রসারণ’ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এপ্রকল্পের অন্যতম সফলতা হচ্ছে- মৎস্য সম্পদের ওপর নির্ভরশীল এক হাজারপরিবারকে প্রশিক্ষণ এবং বিকল্প আয় বৃদ্ধিমূলক আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। প্রত্যেকটি পরিবারকে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সাথেসংযুক্ত করা হয়েছে। ডলফিনের গবেষণা ঘাটতি বিশ্লেষণ এবং আবাসস্থল সংরক্ষন সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও ব্যবহারের ব্যবস্থাকরা হয়েছে।

কমিটি সংসদের আগামী অধিবেশনে ‘নির্মল বায়ু আইন ২০১৯’ উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়।

বৈঠকে খসড়া ‘বন সংরক্ষণ আইন-২০২০’, একাদশ জাতীয় সংসদের পরিবেশ, বন ওজলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১ম থেকে ৫ম সভার
সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি, করোনাকালে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসহ বিভিন্ন উদ্যানে জনসমাগম না হওয়ায় পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও বনজ সম্পদের যে উন্নয়ন হয়েছে সে সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট দফতরে প্রতিবেদন,করোনাকালে বাঘ, হাতি ও ডলফিনের মৃত্যু সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট দফতরের এবং
চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার ঘটনার বিষয়ে পরিবেশ অধিদফতরের বক্তব্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক, বন অধিদফতরের প্রধান বন সংরক্ষকসহ মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর আর নেই

করাঙ্গীনিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর মারা গেছেন। ৬টা ৫৫ মিনিটে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

সোমবার (০৬ জুলাই) এন্ড্রু কিশোরের বড় বোনের স্বামী ডা. প্যাট্রিক বিপুল বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  এই প্লেব্যাক সম্রাট রাজশাহী মহানগরের মহিষবাথান এলাকায় থাকা তার বোন ডা. শিখা বিশ্বাসের বাসায় ছিলেন। তার ওই বাড়িটির একটি অংশেই রয়েছে ক্লিনিক।

সেখানেই চিকিৎসা চলছিল এন্ড্রু কিশোরের। তবে রোববার (০৫ জুলাই) থেকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাই এন্ড্রু কিশোরের সুস্থতায় প্রাণ খুলে দোয়া করার জন্য সবার কাছে অনুরোধ করেছিলেন স্ত্রী লিপিকা এন্ড্রু। সেখানেই তারা চিকিৎসা চলছিল।

এর পর তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি ঘটনায় সোমবার (০৬ জুলাই) দুপুরে বাড়িতে রেখেই তাকে অক্সিজেন সাপোর্ট নেওয়া হয়। এর পর সন্ধ্যায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

ক্যান্সার আক্রান্ত এন্ড্রু কিশোরকে দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা শফিকুল আলম বাবু জানান, দেশে ফিরলেও এন্ড্রু কিশোরের শারীরিক অবস্থা ভালো যাচ্ছিল না। রোববার (৫ জুলাই) সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। কারও সঙ্গে কথা বলার মতো অবস্থাতেই ছিলেন না তিনি। বিকেলে এন্ড্রু কিশোরের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছিল।

সিলেটে চলচ্চিত্র উৎসব শুরু রোববার

নিজস্ব প্রতিনিধি: স্বাধীন ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণকে উৎসাহ প্রদানে আয়োজিত সিলেট চলচ্চিত্র উৎসবের চতুর্থ আসরের পর্দা উঠছে আগামী রোববার (৫ জুলাই)। দশ দিনব্যপী এই উৎসব চলবে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ ২০১৭ সাল থেকে নিয়মিত আয়োজন করছে সিলেট চলচ্চিত্র উৎসবের। তবে এ বছর করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে ভার্চুয়ালি বা অনলাইনভিত্তিক হচ্ছে এই আয়োজন।

রোববার সন্ধ্যা ৭টায় উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মতিয়ার রহমান হাওলাদার, চলচ্চিত্র নির্মাতা মোর্শেদুল ইসলাম ও সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মিঠু চৌধুরী।

এবারের উৎসবে ১১২টি দেশ থেকে ৩ হাজার ৬১টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল। এর মধ্যে নির্বাচিত ১০৯টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। উৎসবের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র উৎসব বিশেষজ্ঞ প্রেমেন্দ্র মজুমদার। জুরি বোর্ডে দায়িত্বপালন করছেন বাংলাদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা আশরাফ শিশির, ওয়াহিদ ইবনে রেজা, মোক্তাদির ইবনে ছালাম, অভিনেতা মনোজ কুমার, বাংলাদেশি চলচ্চিত্র সমালোচক সাদিয়া খালিদ রীতি ও ভারতীয় চলচ্চিত্র সমালোচক সিদ্ধার্থ মাইতি।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের সভাপতি ইফতেখার আহমেদ ফাগুন জানান, দশ দিনব্যাপী উৎসবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি চলচ্চিত্রের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে অংশ নেবেন দেশ-বিদেশের চলচ্চিত্র নির্মাতা, সমালোচক, লেখক, অভিনেতা ও অন্যান্য কলাকুশলীবৃন্দ।

আলোচনা অনুষ্ঠানগুলোতে উৎসবের জুরি সদস্যদের পাশাপাশি অংশ নেবেন বাংলাদেশি নির্মাতা ও অভিনেতা তৌকির আহমেদ, নির্মাতা শামীম আখতার, নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী, ভারতীয় নির্মাতা অর্ণব মিদ্যা, চলচ্চিত্র পৃষ্ঠপোষক বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র, ভারতীয় অভিনেত্রী অবন্তিকা বিশ্বাস, উর্মিলা মহন্ত, গায়িকা জুন চ্যাটার্জি, অভিনেতা সোহাম মজুমদারসহ বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, তুরষ্ক, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মিশর, ব্রাজিল, পাকিস্তান, বেলজিয়াম, আর্জেন্টিনা ও ভেনেজুয়েলা থেকে ৪০ জন চলচ্চিত্র নির্মাতা।

বিশ্ব চলচ্চিত্র, বিভিন্ন দেশে স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রেক্ষাপট, মহামারি পরবর্তী চলচ্চিত্রের বিপণন ব্যবস্থা, নবাগত নির্মাতাদের চলচ্চিত্রের মান, চলচ্চিত্র সমালোচনার বর্তমান প্রেক্ষাপট, কৃষিখাতের উন্নয়ন ও জনসচেতনতা সৃষ্টিতে চলচ্চিত্রের ভূমিকাসহ আরও নানা বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা ও সমাপনী অনুষ্ঠান সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের ওয়েবসাইট (https://saufs.org), সিলেট চলচ্চিত্র উৎসবের ওয়েবসাইট (https://festival.saufs.org), ফেসবুক পেজ (http://facebook.com/saufsofficial) ও ইউটিউব চ্যানেলে (http://youtube.com/saufsofficial) প্রচারিত হবে। অনলাইনে উৎসবের সকল আয়োজন উপভোগ করার জন্য সবার প্রতি আমন্ত্রণ জানিয়েছেন আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, স্বাধীন ধারার চলচ্চিত্র নির্মাণকে উৎসাহ দিতে আয়োজিত সিলেট চলচ্চিত্র উৎসব ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে গত তিন বছরে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে এবং একই সঙ্গে প্রশংসিত হচ্ছে।

বাহুবীর ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় পদার্পন করতে যাচ্ছেন আক্তার হোসেন

নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের ইজ্জত নগর গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আইয়ুব আলী। মিডিয়াতে কাজ করতে এসে ওনার নাম হয় আক্তার হোসেন।

২০০৪ সালে একটি মিউজিক ভিডিওর মাধ্যমে তিনি মিডিয়াতে প্রথম পা রেখেছিলেন, অ্যালবামের নাম ছিল বন্ধুর পিরিতি প্রাণ বাঁচে না। আর ২০০৩ সালে প্রথম সকাল আঞ্চলিক ভাষার নাটকে অভিনয় করে নাটকের নাম ছিল বাপ পুতের ফুটানি একাধিক অনেকগুলো নাটক করেছেন তিনি।

অ্যালবামের ২০১৭ সাল থেকে নিয়মিত সি এ কমেডি টিভি ইউটিউব চ্যানেলে কাজ করতেছে। চ্যানেলের সুপার হিট শর্ট চিকন আলীর মোটা বউ ২০১৮ সালে যা ইউটিউব এ খুব জনপ্রিয়তা লাভ করে। আক্তার হোসেনের নিজ উদ্যোগে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলেছে তার নাম হল এ এন কমেডি টিভি।

তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি নাটকের স্কিপ্ট, গান ইত্যাদী লেখা লেখি করেন। তিনি বিশেষ করে সবসময় বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলে অভিনয় করে থাকেন। শেখ শামীম জামান পরিচালিত বাহুবীর ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় পদার্পণ করতে যাচ্ছেন তিনি। , বড় পর্দার প্রথম কাজ চরিত্র কমেডিয়ান হিরো মাস্টার জনি এবং নায়িকা দিপাশা।তার লেখা বোকামি,মিম তুমি নামের,সেল্ফি শিরোনাম ৩টি গান নিজে লিখেছেন।

তার নিজের লেখা নাটক ১-সুদ খেলে কি হয় ২-One side Love!

তিনি বলেন আমি নিয়মিত বিভিন্ন ইউটিউবে কাজ করতেছি।ছোটবেলা থেকে মিডিয়াকে ভালোবাসি সারাজীবন মিডিয়াতে কাজ করতে চাই যে চরিত্রে আমাকে মানায় সেই চরিত্রে।শেখ শামীম স্যার পরিচালিত প্রযোজিত বাহু বীর নামে একটি সমহামারী করোনাভাইরাস এর জন্য ছবিটি মুক্তি পায়নি ইনশাআল্লাহ শিঘ্রই মুক্তি পাবে।আপনারা সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন যাতে করে আমি ভবিষ্যতে ভালো কিছু কাজ আপনাদের উপহার দিতে পারি।

তিনি আরো বলেন, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি ভালো হলে আমার অভিনিত প্রথম মুভি বাহুবীর মুক্তি পাবে আপনাদের সকলকে হলে গিয়ে দেখার জন্য অনুরোধ করছি।