Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  নাসিরনগরে জিপিএ-৫ পেল ১৯ জন #  নবীগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত #  এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেল মুনতাহা #  করোনায় বিপন্ন মানুষের পাশে এইড ফর নাসিরনগর #  এনটিভির অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান মোস্তফা কামাল আর নেই #  চুনারুঘাটে কৃষকদের প্রশিক্ষণ #  লাখাইয়ে পরীক্ষায় ফেল করে কিশোরীর আত্মহত্যা #  বাস ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন #  দেশে ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ২৫৪৫, মৃত্যু ৪০ #  শায়েস্তাগঞ্জে জিপিএ ৫ এ ইসলামী একাডেমী সেরা #  দুই মাস পর শায়েস্তাগঞ্জ ছেড়ে গেল ‘কালনী’ #  হবিগঞ্জে পাশের হার ৭২.৭৩ শতাংশ #  সিলেটে পাশের হার ৭৮ দশমিক ৭৯ #  এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ #  নবীগঞ্জে ধ্বসে পড়েছে ইউএনও’র বাসার নিরাপত্তা দেয়াল

হবিগঞ্জে ডিগ্রী ৩য় বর্ষের প্রবেশপত্র সরবরাহ হচ্ছে কম্পিউটার দোকানে!

নিজস্ব প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ: হবিগঞ্জের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠ বৃন্দাবন সরকারি কলেজের ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষার প্রবেশপত্র কলেজ থেকে না দিয়ে কলেজের নির্ধারিত কয়েকটি কম্পিউটার দোকান থেকে নিতে হচ্ছে।

এতে করে শিক্ষার্থীদেরকে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে। যেখানে একটি প্রিন্ট নিতে ১০-১৫ টাকা খরচ হয় সেখানে শিক্ষার্থীদের দিতে হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা। এ নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ডিগ্রী শেষ বর্ষের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। পরীক্ষার প্রবেশপত্র কলেজ থেকে দেয়ার নিয়ম থাকলেও সেখানে প্রবেশপত্র মিলছে না। উল্টো কলেজ কর্তৃপক্ষ নোটিশ দিয়ে পরীক্ষার্থীদের জানিয়ে দেন, সিলেট শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট অথবা কলেজের পাশের কম্পিউটার দোকান থেকে প্রবেশপত্র প্রিন্ট করিয়ে নিতে।

তবে কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, কম্পিউটারের দোকান থেকে প্রবেশপত্র প্রিন্ট নিলে পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমবে।

এ ব্যাপারে কয়েকজন পরীক্ষার্থী ফেসবুকে এমন ঘটনার নিন্দা জানান।

ওই কলেজের ছাত্র তালুকদার সাইফুল নামের এক পরীক্ষার্থী তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন ” আজকাল পরীক্ষার এডমিড কার্ড তুলতেও টাকা লাগে, আর এডমিড কার্ড পাওয়া যায় কলেজের সামনের ফটোকপির দোকানগুলোতে, ফ্যাক্ট: ডিগ্রী ৩য় বর্ষ পরীক্ষা।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানায়, ডিগ্রী শেষ বর্ষের পরীক্ষার প্রবেশপত্র দোকান থেকে নেওয়াটা অনেক রিস্ক। যদি কোন কারনে দোকানে কোন ক্ষতি হয়ে যায় আমরা সাধারন শিক্ষার্থীরা পড়ব বিপদে।

এ ব্যাপারে কম্পিউটার দোকানগুলোর মালিকরা জানান, কলেজের অফিস সহকারী আলী নেওয়াজ তাদের এ প্রবেশপত্র সরবরাহ করেন।

বিষয়টি স্বীকার করে অফিস সহকারী জানান, কলেজ কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিনি এ প্রবেশপত্র ওই দোকানগুলোতে সরবরাহ করেন। কলেজের সামনে তিনটি কম্পিউটার দোকানে তা সরবরাহ করা হয়। তাছাড়া কোনো পরীক্ষার্থী তার কাছে গেলে তিনি প্রবেশপত্র প্রিন্ট করে দেন।

এ ব্যাপারে কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. এলিয়াছ হোসেন জানান, পরীক্ষার্থীদের সুবিধার জন্য প্রবেশপত্র কম্পিউটারের দোকানগুলোতে সরবরাহ করা হয়েছে।