• Youtube
  • English Version
  • শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন

করাঙ্গী নিউজ
স্বাগতম করাঙ্গী নিউজ নিউজপোর্টালে। ১৫ বছর ধরে সফলতার সাথে নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে করাঙ্গী নিউজ। দেশ বিদেশের সব খবর পেতে সাথে থাকুন আমাদের। বিজ্ঞাপন দেয়ার জন‌্য যোগাযোগ করুন ০১৮৫৫৫০৭২৩৪ নাম্বারে।

গোলগাঁওয়ে ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার!

  • সংবাদ প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৫ জুন, ২০২৪

জামাল হোসেন লিটন, চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ):
স্বাধীনতার ৫২ বছর পার হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি চুনারুঘাটের গোলগাঁও গ্রামে। পাঁচ যুগেও উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোলগাঁওয়ে খোয়াই নদীর খেয়াঘাটে নির্মাণ করা হয়নি কোনো সেতু। এমনকি এ কাজের জন্য উদ্যোগও নেননি কোনো জনপ্রতিনিধি।

এখানকার নদীর অন্য প্রান্তের গ্রামগুলো থেকে রশিটানা নৌকায় ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করেন স্থানীয়রা। সুতায় টানা খেয়া নৌকায় চলে পারাপার। বিভিন্ন দপ্তরে তদবির আর অনুরোধ করেও কোনো ফল হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ৬ নম্বর চুনারুঘাট সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের গোলগাঁও ও হাসারগাঁও গ্রামের খোয়াই নদীর খেয়াঘাট। এই ঘাট হয়েই গোলগাঁও এবং হাসারগাঁও অঞ্চলের বিপুলসংখ্যক কৃষক ঝুঁকিসহ তাদের উৎপাদিত ফসল নিয়ে নদী পার হচ্ছেন।

স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে এলেও কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, ঘাটের দুই পারের মানুষকে জন্মলগ্ন থেকেই নদী পার হতে হয় খেয়া নৌকায়। দুই পারের অন্তত ১০ গ্রামের মানুষের প্রতিদিনের চলাচলের একমাত্র ভরসা ছোট খেয়া নৌকা। এই খেয়াঘাটে একটি সেতু নির্মাণ হলেই দুর্ভোগ কমে যেত তাদের।
স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার রাস্তা, সেতু, কালভার্ট ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। তবে গোলগাঁও খোয়াই নদীর হাসারগাঁও খেয়াঘাটটি কারও নজরে আসেনি। উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম হাসারগাঁও খেয়াঘাট। উত্তরে রয়েছে মহাশয়ের বাজার, সাটিয়াজুরী উচ্চ বিদ্যালয়, মিরপুর কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম গোলগাঁও খেয়াঘাট। এই দুই গ্রামের মানুষ প্রতিদিন এই খেয়াঘাট দিয়ে নদী পারাপার হয়ে থাকে।
খেয়াঘাটে কথা হয় শিক্ষার্থী সামছুল, খাইরুল ও হানিফার সঙ্গে। তারা জানায়, বছরের পুরো সময় স্কুলে যেতে নৌকায় নদী পার হতে হয় তাদের। বর্ষাকালে যখন নদীতে পানি বেশি থাকে, তখন ভয়ে নৌকায় উঠতে চায় না অনেকেই।

হাসারগাঁও গ্রামের ইনছান উল্ল্যাহ জানান, ছোটবেলা থেকেই এই ঘাট হয়ে চলাচল করছেন। নৌকার কোনো বিকল্প নেই। ধানের মৌসুমে কষ্ট হয় বেশি। লোকজন নদী পার হয়ে সঠিক সময়ে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছতে পারে না। এককথায় গোলগাঁওয়ের মানুষ সেতুর অভাবে চুনারুঘাট থেকে বিচ্ছিন্ন।
চুনারুঘাট উপজেলা প্রকৌশলী মিজানুর রহমান সর্দারের ভাষ্য, হাসারগাঁও ও গোলগাঁও খেয়াঘাটসহ উপজেলার কয়েকটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। একটি প্রতিনিধি দল এরই মধ্যে এলাকাটি পরিদর্শন করেছে। প্রস্তাব অনুমোদন পেলেই সেখানে সেতু নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হবে।
এমপি সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন বলেন, গোলগাঁও এবং হাসারগাঁও খেয়াঘাটে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাগবের জন্য একটি নৌকা দিয়েছিলেন। তারা আপাতত চলাচল করছে। এটা সেখানে সেতু নির্মাণের জোর চেষ্টা চালাবেন তিনি

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ