• Youtube
  • English Version
  • বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০২:২৯ পূর্বাহ্ন

করাঙ্গী নিউজ
স্বাগতম করাঙ্গী নিউজ নিউজপোর্টালে। ১৫ বছর ধরে সফলতার সাথে নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে করাঙ্গী নিউজ। দেশ বিদেশের সব খবর পেতে সাথে থাকুন আমাদের। বিজ্ঞাপন দেয়ার জন‌্য যোগাযোগ করুন ০১৮৫৫৫০৭২৩৪ নাম্বারে।

শায়েস্তাগঞ্জে বিলুপ্তির পথে বাঁশ ও বেতের তৈরি আসবাপত্র

  • সংবাদ প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪

শাহ মোস্তুফা কামাল, শায়েস্তাগঞ্জ(হবিগঞ্জ): হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার শাহজিবাজার, সুতরাং, সুরাবই, পুরাসুন্ধ্যা, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার দাউদনগর, বিরামচর, জগন্নাথপুর, পশ্চিমবড়চর, বছরতপুর, নুরপুর, ব্রাহ্মডুরা এলাকার গ্রামগুলোতে প্রচুর পরিমাণে বাঁশ ও বেত জন্মাত। সম্প্রতি এ সকল বাঁশ ও বেতশিল্প প্রায় বিলুপ্তির পথে দাঁড়িয়েছে। এতে হারিয়ে যেতে বসেছে বাঁশ ও বেতশিল্প দিয়ে তৈরি আসবাবপত্র।
জানা গেছে, প্রতিদিন শায়েস্তাগঞ্জ পৌর শহরের দাউদনগর বাজার, আলিগঞ্জ বাজার, শায়েস্তাগঞ্জ পুরান বাজার, সুতাং বাজার, অলিপুর বাজার ও ব্রাহ্মনডুরা পুরাই কলাবাজারে নিয়মিত পাওয়া যেত বাঁশ ও বেতের তৈরি কুলা, ডালা, খাঁচা, পলো, টুকরি, ঝাঁজরি, ছাতা, মাছ ধরার লুঙ্গা, দাঁড়ি, চাটি, পাটিসহ নানা ধরনের আসবাবপত্র। কিছুদিন আগেও গ্রাম এলাকা থেকে শুরু করে শহর পর্যন্ত প্রতিটি ঘরেই বাঁশ ও বেতের তৈরি আসবাবপত্র দেখা যেত। গ্রামে গৃহস্থালির কাজে বাঁশ ও বেতের আসবাবপত্র বেশি ব্যবহার হতো। কেউ কেউ ওই সব আসবাবপত্র বিক্রি করে আয়ের পথ বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু কালের বিবর্তনে ধারায় হারাতে বসেছে এই শিল্প। প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের আসবাবপত্রে সয়লাব হয়েছে বাজার।
এ বিষয়ে দাউদনগর বাজারের বাঁশ ও বেত বিক্রেতা বাবুল মিয়া বলেন, ‘আগের মতো বেত সামগ্রী কেউ কেনেন না। নিত্যনতুন প্লাস্টিক ও অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি জিনিসে বাজারে সয়লাব হয়ে গেছে। ওই সব পণ্যের দামও কম, সময়ও বাঁচে। এ কারণে অনেকেই আর বাঁশ ও বেতের তৈরি সামগ্রী ক্রয় করতে আগ্রহ দেখান না। তা ছাড়া বাঁশের দাম বেশি। তাই এসব জিনিস তৈরি ছেড়ে দিয়েছেন কারিগররা। আগের মতো এ সকল জিনিস তৈরি না হওয়ায় পাশের জেলা থেকে আসবাবপত্র কিনে এনে বিক্রি করছি।’
কারিগর বকুল সরকার বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বাঁশ ও বেতের আসবাবপত্র তৈরির কারিগর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। আগে এসব আসবাবপত্রের খুব কদর ছিল। কিন্তু এখন আর নেই। তা ছাড়া বাঁশের মূল্য খুব বেশি হওয়ায় আগের মতো আর দাম পাই না। আস্তে আস্তে আমরা এ থেকে সরে আসব। যতক্ষণ পর্যন্ত না সরকার আমাদের দিকে আলাদা করে দেখছেন, তত দিনে আমাদের পক্ষে এ শিল্পে কাজ করা আর সম্ভব নয়।’
এ বিষয়ে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারজানা আক্তার মিতা বলেন, যারা উদ্যোক্তা হিসেবে বাঁশ ও বেত শিল্পে কাজ করবেন তাঁদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করা হবে। উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।#

শাহ মোস্তুফা কামাল
শায়েস্তাগঞ্জ(হবিগঞ্জ):
০১৭৭২৭৬৯৮৬৬।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ