• Youtube
  • English Version
  • রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন

করাঙ্গী নিউজ
স্বাগতম করাঙ্গী নিউজ নিউজপোর্টালে। ১৫ বছর ধরে সফলতার সাথে নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে করাঙ্গী নিউজ। দেশ বিদেশের সব খবর পেতে সাথে থাকুন আমাদের। বিজ্ঞাপন দেয়ার জন‌্য যোগাযোগ করুন ০১৮৫৫৫০৭২৩৪ নাম্বারে।

কুলাউড়ায় বিদ্যালয়ের সভাপতির বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের অভিযোগ

  • সংবাদ প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও আজিজুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি শামীম আহমদের বিরুদ্ধে সরকারি চাল ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
নবনির্বাচিত সভাপতিকে দায়িত্ব হস্তান্তরের আগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গত ৬ ফেব্রুয়ারি সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কমিটির বর্তমান সভাপতি ও বিদ্যালয়ের অন্যতম দাতা সদস্য মো. আব্দুল হান্নান চৌধুরী।

 

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার টিলাগাঁও আজিজুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি শামীম আহমদ গত ৪ ফেব্রুয়ারি প্রতারণা করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ২০১৮-১৯ সালে কমিটির সভাপতি থাকাকালীন উপজেলা পিআইও অফিসের সাথে যোগাযোগ করে তৎকালীন এমপির বরাদ্দকৃত ৮ মেট্রিকটন চাল ও ৪০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। পরে এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন হয় এবং তা চলমান রয়েছে।

 

এ ছাড়া শামীম আহমদ জালিয়াতির মাধ্যমে বিদ্যালয়ে বরাদ্দকৃত টাকা উত্তোলন করে তা আত্মসাৎ করেছেন বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন বর্তমান সভাপতি আব্দুল হান্নান চৌধুরী।
লিখিত অভিযোগে আব্দুল হান্নান চৌধুরী আরও উল্লেখ করেন, ২০১৭-২০ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয়ের রেজুলেশন বহিতে এই দুই প্রজেক্টের কোন কমিটি গঠন, ব্যয়ের বিবরণ, অনুমোদন কিংবা বিল ভাউচার এমনকি বিদ্যালয়ের অনুকূলে ব্যাংকের হিসাব শাখায় টাকা জমা হওয়ার কোন তথ্য পাওয়া যায়নি। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী এমনকি এলাকার কেউই এ বরাদ্দের বিষয়ে অবগত নয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ম্যানেজিং কমিটির বর্তমান সভাপতি মো. আব্দুল হান্নান চৌধুরী জানান, গত প্রায় ৪ মাস আগে শামীম আহমদের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দ আত্মসাতের বিষয়টি শুনেছি। পরবর্তীতে ম্যানেজিং কমিটির সভায় আত্মসাতের অভিযোগ উত্থাপিত হলে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করি।

 

তিনি আরও জানান, উপজেলা পিআইও এবং ইউএনও অফিসে খোঁজ নিয়ে দেখেছেন তৎকালীন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রজেক্ট সভাপতি শামীম আহমদ জালিয়াতির মাধ্যমে বিদ্যালয়কে পাস কাটিয়ে বরাদ্দ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।
অভিযোগটির ভিত্তি নেই উল্লেখ করে নবনির্বাচিত সভাপতি শামীম আহমদ বলেন, আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।
সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. রমা বিজয় সরকার বলেন, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ