Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  সিলেটে জাতীয় পিঠা উৎসব শুরু আজ #  মাধবপুরে চোরাই বৈদ্যুতিক তারসহ শ্রমিকলীগ নেতা আটক #  বানিয়াচঙ্গে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার #  জর্ডানে উদ্ধার হওয়া চুনারুঘাটের খাদিজা দেশে আসছেন রোববার #  চুনারুঘাটে ভারতীয় চা পাতাসহ আটক ২ #  সিলেটে ৪৮ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া বাবার সন্ধান পেলেন সন্তানেরা #  ছাতকে নববধূকে নিয়ে ফেরার পথে ডাকাত সর্দার গ্রেফতার #  ‘ভিক্ষুকমুক্ত সিলেট’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী #  জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা ১ম হয়েছে সানশাইন স্কুলের তুহিন #  এক বছরে বিমানে লাভ ২৭৩ কোটি টাকা #  শায়েস্তাগঞ্জের বাংলা কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের শিক্ষা সফর #  মিরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষকে সংবর্ধনা #  জকিগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড: ২ কোটি টাকার ক্ষতি #  যুব বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ #  সিলেটে থেকেও চুনারুঘাটের ধর্ষণ মামলার আসামী বানিয়াচংয়ের ফজলু

হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ:  বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মেডিকেল রিপোর্ট না দেয়ায় এবং জামিন শোনানী পিছিয়ে দেয়ার প্রতিবাদে হবিগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০৮ ডিসেম্বর) দুপুরে শায়েস্তানগরস্থ বিএনপির কার্যালয়ের সামনে জেলা বিএনপি এই বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজন করে। এর আগে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হলে চিড়েখানা সড়কের মুখে যাওয়া মাত্র পুলিশ মিছিলটি থামিয়ে দেয়।

সমাবেশে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং টানা ৩ বারের নির্বাচিত হবিগঞ্জ পৌরসভার পদত্যাগকারী মেয়র আলহাজ্ব জি কে গউছ বলেছেন- ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশে কোন ভোট হয় নাই, ভোটের নামে মহা ডাকাতি হয়েছে, প্রহসন হয়েছে, জনগণের সাথে তামাশা হয়েছে। আওয়ামীলীগের এই অপকর্ম দেশের মানুষ ভুলে যায়নি। সময় সুযোগ হলেই ব্যালটের মাধ্যমে আওয়ামী দুঃশাসনের জবাব দিবে দেশবাসী।

জি কে গউছ বলেন- আওয়ামীলীগের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। তারা এখন আঙ্গল ফুলে গলাগাছ বনে গেছেন। দেশের পত্র-পত্রিকায় উঠে আসছে হবিগঞ্জে কি পরিমান দুর্নীতি হয়েছে। হবিগঞ্জ একটি ছোট্ট শহর। এই শহরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে প্রতিষ্ঠিত মেডিকেল কলেজে ১৪ কোটি টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করে খেয়ে ফেলেছে। রাস্তা-ঘাটে ঠিকাদারগণ কাজ করতে পারে না আওয়ামীলীগ নেতাদের চাঁদাবাজির কারনে। হাওরে কোন জলমহাল নেই যেটাতে তাদের তাবা পড়েনি। এখন শহরে বাসা-বাড়িও দখল হচ্ছে। এই অবস্থায় আওয়ামীলীগের দুর্নীতিবাজ নেতাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না সরকার।

তিনি বলেন- আওয়ামীলীগ জনগনের কথা চিন্তা করে না। কারণ জনগণের ভোটের প্রয়োজন তাদের নেই। তাই পিয়াজের দাম ৩শ হলেও সরকারের কিছু আসে যায় না, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে মানুষ দিশেহারা হলেও আওয়ামী সরকারের কোন দায়বদ্ধতা নেই। কারণ জনগণের সাথে আওয়ামীলীগের কোন সম্পর্ক নেই। মধ্যরাতে প্রশাসনের ভোটে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের ভাগ্য নিয়ে চিনিমিনি খেলছে। তাই এই সরকারকে দেশের মানুষ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। এই বিষয়টি উপলব্দি করেই আওয়ামীলীগ মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছে। গণতন্ত্র হরণ করে একদলীয় শাসন কায়েম করেছে। কারণ জনগণের প্রতি আওয়ামীলীগের কোন আস্তা নেই।

জি কে গউছ বলেন- আদালতকে কুক্ষিগত করে ফরমায়েশী রায় দিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করেছে সরকার। খালেদা জিয়া সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী, একজন সফল প্রেসিডেন্টের স্ত্রী, বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী, জামিন পাওয়া তার হক। অথচ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বেগম খালেদা জিয়াকে জামিন দেয়া হচ্ছে না। তাই এই জালিম সরকারের কবল থেকে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হলে আন্দোলন করতে হবে, রাজপথে নামতে হবে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানান।

জেলা বিএনপির সদস্য গোলাম মোস্তফা রফিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরী, এডভোকেট হাজী নুরুল ইসলাম, জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এস এম বজলুর রহমান, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমান কাজল, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জালাল আহমেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেকদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জহিরুল হক শরীফ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মুশফিক আহমেদ, জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সফিকুর রহমান সিতু, জেলা জাসাসের সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী, জেলা শ্রমিকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল এ চৌধুরী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এমদাদুল হক ইমরান, সিনিয়র সহ সভাপতি জিল্লুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমেদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ রাজীব আহমেদ রিংগন প্রমুখ।