Category Archives: রাজনীতি

নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহব্বায়ক কমিটির অনুমোদন

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল।

রাশিদুল ইসলামকে আহবায়ক ও মোঃ মাসুম মিয়াকে সদস্য সচিব করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট উপজেলা ছাত্রদলের কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। একই সাথে আরও ৫টি কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

শনিবার হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এমদাদুল হক ইমরান ও সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত পত্রে এসব কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

অনুমোদিত কমিটির যুগ্ম আহবায়ক হলেন, রেদোয়ানুল হক চৌধুরী, শফিকুর রহমান সোহাগ, সাইফুর রহমান রাজন, তৌহিদ চৌধুরী, মোঃ আলমগীর মিয়া, মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, মোঃ আল-আমিন, দীপু আহমেদ, মঈনুল ইসলাম, আজিজুর রহমান, রেদোয়ান আহমেদ চৌধুরী। সদস্যরা হলেন, মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী, প্রসুন কান্তি দাস, মোঃ জাকারিয়া, জামিল আহমেদ, কাওছার হোসাইন, আবুল হোসেন শাফি, আতিকুল ইসলাম শুভ, মুন্সি সাইফুর রহমান।

আহবায়ক কমিটিকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সকল ইউনিয়ন কমিটি গঠন করে কাউন্সিলের মাধ্যমে উপজেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নবগঠিত কমিটিকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের তরফ থেকে স্বাগত জানিয়ে নেতৃবৃন্দ দলীয় কর্মসূচী বাস্তবায়নে সরব থাকার আহবান জানানো হয়।

পুলিশি বাধায় জকিগঞ্জ যুবদল: ফেসবুকে ভাইরাল হবিগঞ্জ জেলা যুবদল সভাপতি

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুলিশি বাধার মুখে সিলেটের জকিগঞ্জে যুবদলের প্রতিনিধি সভা শেষ হয়েছে। সামনে থেকে পুলিশের তিন দফা বাধা উপেক্ষা করে সভা করে এ প্রতিনিধি সভা করে যুবদল। সেখানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত হয়েছিলেন হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের সভাপতি মিয়া মো. ইলিয়াস।

আজ শনিবার উপজেলার রতনগঞ্জ বাজারে এ সভা অনুষ্টিত হয়। পুলিশের বাধার মুখে হুঙ্কার দিয়ে এগিয়ে যান হবিগঞ্জ জেলা যুবদল সভাপতি। এ বিষয়টি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

হবিগঞ্জ জেলা যুবদল সভাপতির ছবি দিয়ে Sharfin Chowdhury Reaz লিখেন, সিলেটের জকিগঞ্জে যুবদলের কর্মীসভায় পুলিশী বাধার প্রাক্কালে সিলেট বিভাগীয় যুব রাজনীতির কিং মিয়া মোঃ ইলিয়াছ।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল সিলেট জেলার জকিগঞ্জে যুবদলের এক কর্মী সভায় আওয়ামী পেটুয়া পুলিশের বাধার সম্মুখীন হলে গর্জে উঠেন যুবদল কেন্দ্রীয় সহ সাধারণ সম্পাদক, হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের সুযোগ্য সভাপতি, নন্দিত জননেতা- মিয়া মোঃ ইলিয়াছ। অতিউৎসাহী পুলিশের উদ্দেশ্যে হুংকার ছুঁড়ে মিয়া মোঃ ইলিয়াছ বলেন, বিএনপি এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। এদেশে বিএনপি কোন নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল নয়। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের দল বিএনপির সমর্থন ও জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি ভোটারবিহীন অবৈধ সরকারের নির্দেশিত তাবেদার হয়ে আপনারা যে দমনপীড়ন চালাচ্ছেন আপনাদেরকেও স্মরণ রাখতে হবে যাদের প্ররোচনায় আপনারা অতিউৎসাহী হয়ে আমাদের গনতান্ত্রিক অধিকার হরণ করার অপচেষ্টা করছেন তারাই এদেশের শেষ সরকার নয়। পৃথিবীর ইতিহাসে কোন অবৈধ স্বৈরশাসক চিরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার নজির নেই। এই ভোটারবিহীন অবৈধ সরকারও টিকে থাকতে পারবেনা। সামনে এমন দিন আসছে এই অবৈধ শেখ হাসিনার অনির্বাচিত স্বৈরাচারী সরকার পালাবার পথ খুঁজে পাবেনা। এজন্য অবশ্যই আপনাদেরকে জনগনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।আমরা ভানের জলে ভেসে আসিনি। তাই প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসাবে জনগণের পাশে দাঁড়ান। রাষ্ট্রের মালিক জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা থেকে বিরত থাকুন।

জানা গেছে, সিলেটের বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর যুবদলের প্রতিনিধি সভা চলছিলো বেশ কিছু দিন ধরে। এ লক্ষ্যে আজ শনিবার জকিগঞ্জ উপজেলা ও পৌর শাখার প্রতিনিধি সভার আয়োজন করা হয়েছিল স্থানীয় রতনগঞ্জ বাজারের একটি হলে। কেন্দ্রীয় ও সিলেট জেলা যুবদলের নেতারা বেলা ২ টার দিকে সেখানে পৌছে প্রথমে আল্লামা ফুলতলী(র. ) কবর জিয়ারত করেন। সেখান থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা রতনগঞ্জ বাজারের দিকে রওয়ানা দিলে পুলিশ প্রথম দফায় বাধা দেয়। নেতাকর্মীরা বাধা উপেক্ষা করে রতনগঞ্জ বাজারের অভিমুখে রওয়ানা হলে আবারো পুলিশ বাধা প্রদক্ষিণ করে। একপর্যায়ে যুবলদের নেতারা সভার স্থল স্থানীয় চেরাগ আলী মার্কেটের হলে অবস্থান নেয়া শুরু করলে তৃতীয় দফা পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন দলের নেতাকর্মীরা।

অবশেষে বিকেল সাড়ে ৩ টায় সভার স্থলে প্রবেশ করে এক সংক্ষিপ্ত সভা করেছে যুবদল। জেলা যুবদলের আহবায়ক সিদ্দিকুর রহমান পাপলুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মকসুদ আহমদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সভাপতি আনছার উদ্দিন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা যুবলদলের সভাপতি মিয়া মো. ইলয়াস।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন- জেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য এড, মোমিনুল ইসলাম মোমিন, মহানগরের সদস্য আনোয়ার হোসেন মানিক, জেলা সদস্য আশরাফ উদ্দিন ফরহাদ, আখতার আহমদ, তোফাজ্জল হোসেন বেলাল, এডভোকেট সাঈদ আহমদ, সাহেদ আহমদ চমন , ময়নুল ইসলাম মঞ্জু, কবির উদ্দিন, মিজানুর রহমান নেছার, লিটন আহমদ, অলি চৌধুরী, কয়েছ আহমদ, অলি উর রহমান, ফখরুল ইসলাম রুমেল, জুনেদ আহমদ, মাহফুজ চৌধুরী, জি এম বাপ্পি ,আলী আহমদ আলম, মকসুদল করিম নুহেল, মতিউর রহমান আফজল , মাসুক আহমদ, যুবদল নেতা আমিনুর রহমান আমিন, লাহিন আহমদ, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন জকিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মাসুক উদ্দিন, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি কাউন্সিলর রিপন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুশ শাকুর।

এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে জকিগঞ্জ থানার ওসি মীর মো. আব্দুন নাসেরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

জকিগঞ্জে পুলিশি বাধা অতিক্রম করে সভা করলো যুবদল

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুলিশি বাধার মুখে সিলেটের জকিগঞ্জে যুবদলের প্রতিনিধি সভা শেষ হয়েছে। তিন দফা বাধার পর সংক্ষিপ্ত সভা করে এ প্রতিনিধি সভা শেষ করেছেন দলের কেন্দ্রীয় ও জেলা শাখার নেতারা। আজ শনিবার উপজেলার রতনগঞ্জ বাজারে এ সভা অনুষ্টিত হয়।

জানা গেছে, সিলেটের বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর যুবদলের প্রতিনিধি সভা চলছিলো বেশ কিছু দিন ধরে। এ লক্ষ্যে আজ শনিবার জকিগঞ্জ উপজেলা ও পৌর শাখার প্রতিনিধি সভার আয়োজন করা হয়েছিল স্থানীয় রতনগঞ্জ বাজারের একটি হলে। কেন্দ্রীয় ও সিলেট জেলা যুবদলের নেতারা বেলা ২ টার দিকে সেখানে পৌছে প্রথমে আল্লামা ফুলতলী(র. ) কবর জিয়ারত করেন। সেখান থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা রতনগঞ্জ বাজারের দিকে রওয়ানা দিলে পুলিশ প্রথম দফায় বাধা দেয়। নেতাকর্মীরা বাধা উপেক্ষা করে রতনগঞ্জ বাজারের অভিমুখে রওয়ানা হলে আবারো পুলিশ বাধা প্রদক্ষিণ করে। একপর্যায়ে যুবলদের নেতারা সভার স্থল স্থানীয় চেরাগ আলী মার্কেটের হলে অবস্থান নেয়া শুরু করলে তৃতীয় দফা পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন দলের নেতাকর্মীরা।

অবশেষে বিকেল সাড়ে ৩ টায় সভার স্থলে প্রবেশ করে এক সংক্ষিপ্ত সভা করেছে যুবদল। জেলা যুবদলের আহবায়ক সিদ্দিকুর রহমান পাপলুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মকসুদ আহমদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সভাপতি আনছার উদ্দিন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা যুবলদলের সভাপতি মিয়া মো. ইলয়াস।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন- জেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য এড, মোমিনুল ইসলাম মোমিন, মহানগরের সদস্য আনোয়ার হোসেন মানিক, জেলা সদস্য আশরাফ উদ্দিন ফরহাদ, আখতার আহমদ, তোফাজ্জল হোসেন বেলাল, এডভোকেট সাঈদ আহমদ, সাহেদ আহমদ চমন , ময়নুল ইসলাম মঞ্জু, কবির উদ্দিন, মিজানুর রহমান নেছার, লিটন আহমদ, অলি চৌধুরী, কয়েছ আহমদ, অলি উর রহমান, ফখরুল ইসলাম রুমেল, জুনেদ আহমদ, মাহফুজ চৌধুরী, জি এম বাপ্পি ,আলী আহমদ আলম, মকসুদল করিম নুহেল, মতিউর রহমান আফজল , মাসুক আহমদ, যুবদল নেতা আমিনুর রহমান আমিন, লাহিন আহমদ, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন জকিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মাসুক উদ্দিন, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি কাউন্সিলর রিপন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুশ শাকুর।

এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে জকিগঞ্জ থানার ওসি মীর মো. আব্দুন নাসেরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

জমে উঠেছে পুটিজুরী ইউনিয়ন বিএনপি’র কাউন্সিল

এফ আর হারিছ, বাহুবল (হবিগঞ্জ): দীর্ঘদিন পর ডানা মেলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। সভাপতি ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪ প্রার্থী। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে।

আগামি ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কাউন্সিলকে ঘিরে শুরু হয়েছে এক উৎসব মূখর পরিবেশ। দীর্ঘদিন নীরব থাকার পর এবার কাউন্সিলকে ঘিরে ডানা মেলে সরব হয়েছে পুটিজুরী ইউনিয়ন বিএনপি।

এবার কাউন্সিলে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি’র প্রবীন নেতা ডাঃ মোশাহিদ হোসেন ফুল মিয়া ও যুবদলের সাবেক সভাপতি খন্দকার আমজাদ হোসেন হারিছ।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পুটিজুরী বাজারের বিশিষ্টি ব্যাবসায়ি মোঃ সামছুল ইসলাম ও মঞ্জুর আলী।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হাবিবুর রহমান তালুকদার মামুন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এ নির্বাচনকে ঘিরে ইউনিয়নের হাটে – বাজারে, চায়ের স্টলের আড্ডায় প্রার্থীদের যোগ্যতা বিশ্লেষন করছেন সাধারণ ভোটারগণ।

দীর্ঘদিন পর প্রত্যেক্ষ ভোটে নেতা নির্বাচন করবেন সাধারন ভোটার। এ কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে পুটিজুরী ইউনিয়নের সর্বত্র সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা বিরাজ করছে।

বানিয়াচং উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি বহিষ্কার

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদ হোসেন খান মামুনকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

রোববার কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্রাচার্যের লিখিত এক বার্তায় তাকে বহিষ্কার করেন।

ওই বার্তায় তারা লিখেন, সংগঠনের নীতি আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকায় তাকে বহিষ্কার করা হয়।

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ সভাপতি উপজেলার পূর্ব তোপখানা এলাকার নানু মিয়া মাষ্টারের ছেলে।

প্রসঙ্গত, গত ২৫শে আগষ্ট ভোররাতেড় বানিয়াচং বড় বাজারের একটি ফার্নিসারের দোকানে অভিযান চালিয়ে ৩শ’ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয় ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদকে।

তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ,পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।

খালেদা জিয়ার কারামুক্তি দিবস আজ

করাঙ্গীনিউজ: বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ১৩তম কারামুক্তি দিবস আজ। ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তৎকালীন সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্যান্টনমেন্টের মঈনুল রোড়ের বাড়ি থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করে। পরে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তাকে মুক্তি দেয়া হয়।

এরপর থেকে দলীয় প্রধানের মুক্তির এ দিনটিকে বিএনপি কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।

২০০৭ সালে খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করার পর আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করলে সংসদ ভবন এলাকার একটি বাড়িকে সাবজেল ঘোষণা করে তাকে সেখানে রাখা হয়। এরপর ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়া মুক্তি পান।

দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছর দণ্ডিত হয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নিজের একাদশ ও দ্বাদশ কারামুক্তি দিবসেও কারাগারেই ছিলেন। তবে সাজা স্থগিত থাকায় এবার ১৩তম কারামুক্তি দিবসে তিনি নিজ বাসায় থাকবেন।

দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপি চেয়ারপারসনের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।

চুনারুঘাটে প্রবাসী কদ্দুছ হত্যা: ৭জনের বিরোদ্ধে পুলিশের চার্জশীট

হবিগঞ্জ (চুনারুঘাট) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাও ইউনিয়নের প্রবাসী কদ্দুছ হত্যা মামলায় ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদকসহ দুই ইউপি মেম্বারকে আসামী করে ৭ জনের নামে আদালতে চার্জশীট প্রদান করা হয়েছে।

প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউপি সদস্যের অবৈধ সম্পর্কের কারণেই
পরিকল্পিত ভাবে এ হত্যাকান্ড ঘটেছে বলে চার্জশীটে বলা হয়। সিআইডির দীর্ঘ
তদন্ত শেষে আওয়ামীলীগ নেতা ও দুই ইউপি সদস্যকে এ মামলায় চার্জশীপভুক্ত করা হয়। সম্প্রতি সিআইডি আদালতে চার্জশীট দাখিল করে।

উপজেলার রানীগাও ইউনিয়নের আতিকপুর গ্রামের প্রবাসী আব্দুল কদ্দুছ ২০১৮ সালে বিদেশ থেকে দেশে ফিরে তার স্ত্রী মাফিয়া খাতুনের নামে পাঠানো ১০/১৫ লাখ টাকার হিসেব চাইলে স্বামীর স্ত্রীর মধ্যে দ্বদ্ধ দেখা দেয়। এনিয়ে কদ্দুছ মিয়ার
স্ত্রী মাফিয়া খাতুন ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর হবিগঞ্জ নারী শিশু আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ মামলা আপোষ করে দেওয়ার কথা বলে ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক, আঃ সালাম ও ছোবহান মিয়াসহ কয়েকজন ২০১৮ সালের ৩ নভেম্বর রাতে আঃ কদ্দুছকে সোবহান মিয়ার বাড়ি পারকুল
বস্তিতে ডেকে নেয়। সেখানে তাকে পুর্বপরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে তার লাশ একটি পেয়ারা গাছে ঝুলিয়ে রাখে। পরদিন খবর পেয়ে চুনারুঘাট থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ প্রেরণ করে।

এনিয়ে নিহতের ভাই হুছন আলী বাদী হয়ে আদালতে সোবহানসহ ৫ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করেন।

চুনারুঘাট থানা পুলিশ এ মামলা তদন্ত করে নিহত কদ্দুছ স্ত্রীর সাথে টাকা নিয়ে দ্বন্ধের কারণে আত্বহত্যা করেছে এবং স্ত্রী মাফিয়ার বিরোদ্ধে ৩০৬ ধারায় অপরাধ প্রমানিত হয়েছে বলে আদালতে রিপোর্ট প্রদান করে। এতে বাকী ৪ আসামীকে খালাস দেন।

এনিয়ে বাদী হুছন আলী আদালতে নারাজী প্রদান করলে বিজ্ঞ আদালত মামলাটি পুন:তদন্তের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে এ মামলা তদন্তের দায়িত্ব পায় হবিগঞ্জের সিআইডি পুলিশ। সিআইডির তদন্তে বেরিয়ে আসে আসল রহস্য।

প্রবাসী কুদ্দুছের স্ত্রীর সাথে ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল
মালেক এর অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে বলে জেনে যান কদ্দুছ। এ কারণে ইউপি সদস্য অঃ মালেকের পরামর্শে মাফিয়া খাতুন তার স্বামী কদ্দুছ মিয়ার বিরোদ্ধে আদালতে মামলা করেনও বলে তদন্তে বেরিয়ে আসে।

এ মামলা আপোষে মীমাংসা করে দিবেন
বলে ইউপি সদস্য আঃ মালেক ও আব্দুল হান্নানের পরামর্শে আঃ সোবহান ও আঃ সালাম নিহত কদ্দুছ মিয়াকে ঘটনার দিন পারকুলবস্তি নিয়ে যান।

তদন্তে ইউপি সদস্য আঃ মালেকের সাথে কদ্দুছের স্ত্রী মাফিয়া খাতুনের অবৈধ সম্পর্কের কারণে আঃ মালেকের পরামর্শক্রমে সোবহান, সালামসহ অন্যান্য আসামীরা আঃ কদ্দুছকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখে বলে বলা হয়। এছাড়া কদ্দুছকে হত্যার পর যেভাবে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল তাতেও প্রমানিত হয় তাকে হত্যাকরে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

চার্জশীটে বলা হয়, মামলার সার্বিক তদন্তে ও স্বাক্ষপ্রমানে ও পারিপার্শিকতার আলোকে সুরতহাল রিপোর্ট ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ও ভিকটিমের ছবি পর্যালোচনায় তাকে পরিতল্পিত ভাবে হত্যার কারণে ইউপি সদস্য ও আওয়ামীলীগ নেতা আঃ মালেক, ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নান ও নিহত কদ্দুছ মিয়ার স্ত্রীর মাফিয়া খাতুনসহ ৭ জনকে আসামীভুক্ত করা হয়।

সিলেট জেলা ছাত্রদলের ৩২ ইউনিট কমিটি অনুমোদন

করাঙ্গীনিউজ: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সিলেট জেলা শাখার আওতাধীন ৩২টি ইউনিটের আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জেলা ছাত্রদল সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন নাদিম সিলেট জেলার বিভিন্ন উপজেলা, পৌর ও কলেজ শাখার এসব কমিটির অনুমোদন দেন।

সকল আহ্বায়ক কমিটিকে ৬০ দিনের মধ্যে ইউনিয়ন, ওয়ার্ড কলেজ ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সদর উপজেলার ২১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি নিম্নরূপ :

দক্ষিণ সুরমা ছাত্রদলের ২১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি নিম্নরূপ :

শাহ খুররম ডিগ্রী কলেজের ২ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

বালাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

বালাগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের ১৩ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

বিশ্বনাথ উপজেলা ছাত্রদলের ২০ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

বিশ্বনাথ পৌর ছাত্রদলের ০৯ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি : 

বিশ্বনাথ কলেজ ছাত্রদলের ১২ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি : 

ওসমানীনগর উপজেলা ছাত্রদলের ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

তাজপুর ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের ১৩ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

গোলাপগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের ২০ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

ঢাকা দক্ষিণ ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি : 

বিয়ানীবাজার উপজেলা ছাত্রদলের ১৯ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

বিয়ানীবাজার পৌর ছাত্রদলের ০৩ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

বিয়ানীবাজার কলেজ ছাত্রদলের ১৬ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রদলের ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি : 

জৈন্তাপুর ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের ০৮ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি : 

তৈয়ব আলী ডিগ্রী ছাত্রদলের ০৬ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

হযরত শাহজালাল ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের ১১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি : 

গোয়াইনঘাট উপজেলা ছাত্রদলের ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি : 

গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজ ছাত্রদলের ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের ১৭ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি : 

এম সাইফুর রাহমান ডিগ্রী ছাত্রদলের ০৪ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি : 

জকিগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের ০৫ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি : 

ইছামতি ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের ০৪ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি : 

কানাইঘাট উপজেলা ছাত্রদলের ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

কানাইঘাট পৌর ছাত্রদলের ০৮ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি : 

কানাইঘাট সরকারি কলেজ ছাত্রদলের ০৯ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি : 

গাছবাড়ি ডিগ্রী কলেজ ছাত্রদলের ১৭ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি :

দূর্নীতি-দুশাসন, মহামারি-দুর্ভিক্ষের জন্য দায়ী প্রচলিত সমাজব্যবস্থা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: দূর্নীতি, দুশাসন, দূর্যোগ, মহামারি-মহাদূর্ভিক্ষের জন্য দায়ী নয়াউপনিবেশিক আধাসামন্তবাদী ব্যবস্থা পরিবর্তনের সংগ্রাম বেগবান করার আহবানে দেশব্যাপী কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা শাখা শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫ টায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে। সংগঠনরে জেলা কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মোঃ সুরুজ আলী।

সমাবেশে বক্তারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় সন্ত্রাসীদের দৌরাত্মে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশে আজ সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হয়েছে। সরকার সন্ত্রাসীদের দমনের পরিবর্তে প্রতিটি ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং ব্যক্তির দায় হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করে। অথচ সরকারি দলের মদদে একের পর এক লোমহর্ষক সন্ত্রাসী কার্যক্রম ঘটে চলেছে, যা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা পর্যন্ত। যার সর্বশেষ শিকার হয়ে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটার ইউএনও ওয়াহিদা খানম আজ জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে চিকিৎসাধীন। সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, করোনাভাইরাস মহামারী মোকাবেলায় চরমভাবে ব্যর্থ হয়ে সরকার ‘আপনার সুরক্ষা, আপনার হাতে’ স্লোগান সামনে এনে কার্যত নিজেদের দায় অস্বীকার করে চলেছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে যখন ব্যাপকভাবে সারাদেশে করোনা পরীক্ষা চালু করা উচিত তখন সরকার করোনা পরীক্ষার ফি জনগণের নিকট হতে আদায় করছে। কনোরা পরিস্থিতিতে কর্মহীন মানবেতর জীবনযাপন করা জনগণের নিকট তা ‘মরার উপর খাড়ার ঘাঁ’ তুল্য। করোনা মহামারির পাশাপাশি আম্ফান ও বন্যার দূর্যোগে দেশের শ্রমিক-কৃষক মেহনতি জনগণের জীবন দিশেহারা। আম্ফান ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের জন্য বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ, সকল কৃষি ও এনজিও ঋণ সুদসহ মওকুফ, ধান-পাটসহ কৃষিপণ্যে ক্রয়ে সকল দূর্নীতি-অনিয়ম বন্ধ করে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা জরুরী হলেও সরকার এ ব্যাপারে কার্যকর ভূমিকা নেয়নি।

তার ওপর চাল, ডাল, পিয়াজ, আলুসহ সকল নিত্যপণ্যে লাগামহীন উর্দ্ধগতিতে মেহনতি মানুষকে অনাহার-অর্ধাহারে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে। বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিলের চাপে জনগণকে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। এ রকম সময়ে সরকার সাম্রাজ্যবাদ ও তাদের সংস্থাসমূহের নীতি-নির্দেশে পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকলকে ধারাবাহিকভাবে অলাভজনক দেখিয়ে ধ্বংস করার প্রক্রিয়ার চুড়ান্ত পদক্ষেপ হিসেবে পাটকল বন্ধ করা ও শ্রমিকদের কর্মহীন করে শ্রমিক পরিবার এবং পাটের ওপর নির্ভরশীল পাট ও পাটজাত পণ্যের ক্ষুদ্র শিল্প, পাটচাষী ও পাটব্যবসায়ীসহ কোটির অধিক জনগণের জীবন ও জীবিকাকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে।

সরকারের এহেন স্বৈরতান্ত্রিক গণবিরোধী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে জনগণ যাতে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলতে না পারে সে জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮সহ কালকানুন জারি করে জনগণের বাক ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করার পাশাপাশি বিনাবিচারে হত্যা, খুন, গুম, ক্রসফায়ার চালিয়ে ভীতি ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। এমতবস্থায় জনস্বার্থে দূযোর্গ-মহামারী-দূর্নীতি-ক্ষুধা-দুর্ভিক্ষ মোকাবেলায় সর্বস্তরের জনগণের সোচ্চার ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ, খাদ্য, চিকিৎসা ও রেশনিংয়ের দাবিতে সমাবেশে থেকে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান।

জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক রমজান আলী পটুর পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট সিলেট জেলার সহ-সভাপতি আবুল ফাজল, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলার সাবেক সভাপতি মামুন আহমদ খান, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো: ছাদেক মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শ্রমিকনেতা শেখর সেন, সিলেট জেলা প্রেস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি একে আজাদ সরকার, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সাধারণ সম্পাদক আনছার আলী প্রমুখ।

বাহুবল উপজেলা ছাত্রদলের আহব্বায়ক কমিটি

নিজস্ব প্রতিনিধি: দীর্ঘদিন পর হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা ছাত্রদলের আহব্বায়ক কমিটি ঘোষনা করেছে জেলা ছাত্রদল।মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ এমদাদুল হক ইমরান ও সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমদ চৌধুরীর স্বাক্ষরিত জেলার একটি প্যাডে উক্ত কমিটির অনুমোদন দেন।

ওই কমিটি আগামী ৬০ দিনের মধ্যে সকল ইউনিয়ন কমিটি গঠন করে কাউন্সিলের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার কথাও বলেন।

আলিফ সোবহান চৌধুরী সরকারী কলেজের সাবেক সভাপতি লুৎফুর রহমান চৌধুরী সুমনকে আহব্বায়ক ও কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক স্বপন তালুকদারকে সদস্য সচিব করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, যুগ্ন আহব্বায়ক মোবারক মিয়া, সগির তালুকদার, আবুল বাসেত মোক্তার, দেলোয়ার হোসেন, পীর মোঃ ফজলুর রহমান, বদরুল আলম বদরুল, খালেদ মিয়া, নাছির উদ্দিন সুমন, শাখাওয়াত হোসেন সৌরভ, তৌহিদুল বাহার হৃদয়।

সদস্যরা হলেন, মুকিত মিয়া পিয়াস, সাব্বির আহমদ ইমন, আরিফুল ইসলাম কাইয়ূম, আরিফ হাসান আফজল,মনির হোসেন রকি, মোঃ রুবেল মিয়া, সাইফুর রহমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, আফজল মিয়া।

 

ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সি আর দত্তকে গার্ড অব অনার প্রদান

করাঙ্গীনিউজ: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সি আর দত্তকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়েছে।

ঢাকা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার সকাল ১০টা ১০মিনিটে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে এই বীর উত্তমকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানায় পুলিশের একটি চৌকস দল।

এছাড়া তার মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

সি আর দত্তের মরদেহের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদ, ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোট ও লালবাগ পূজা থানা কমিটি।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাজধানীর বাসাবো-সবুজবাগ এলাকার শ্রী শ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দিরে সি আর দত্তের শেষকৃত্য হবে।

এর আগে সকালে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হিমঘর থেকে তার মরদেহ বনানীর ডিওএইচএসের বাসায় নেয়া হয়। সেখানে বনানী সোসাইটির আয়োজনে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সি আর দত্ত যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৫ আগস্ট মারা যান।

পাঁচদিন পর গতকাল সোমবার সকালে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আনা হয় তার মরদেহ।

বিএনপির ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

করাঙ্গীনিউজ: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৭৮ সালের এই দিনে দলটির যাত্রা শুরু হয়। প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতেগড়া দলটি এখন সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছে। দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের মুক্তি পেয়েছেন। তার মুক্তির ৫ মাস গত হয়েছে।

গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই নতুন নির্বাচনের দাবি আদায় আর দল গোছানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে পথ হাঁটছে দলটি। একই সঙ্গে বিগত নির্বাচনের আগে গড়া নির্বাচনী জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির পুরনো মিত্র ২০ দলের সঙ্গে রাজনৈতিক সমন্বয় অক্ষুণ্ন রেখে সামনে চলাকেও বড় চ্যালেঞ্জ মনে করছেন দলটির নেতাকর্মীরা।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অঙ্গীকারের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মানবজমিনকে বলেন, এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের এখন একটাই লক্ষ্য গণতন্ত্র উদ্ধার করা এবং দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।

আর বর্তমান যে রাষ্ট্র ব্যবস্থা, এই রাষ্ট্র ব্যবস্থা হচ্ছে একটা এক নায়কতান্ত্রিক, স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদি রাষ্ট্র ব্যবস্থা। এখানে যেহেতু জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বা গণতান্ত্রিক অধিকার নেই, সেই কারণেই এই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগটা অনেক সীমিত হয়ে গেছে। সেজন্যই জনগণকে এখন আমাদের উদ্বুদ্ধ করে কাজের মধ্যে যেতে হবে।

দলের কাউন্সিল করার কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই মুহূর্তে কিছু ভাবছি না। এই করোনা পরিস্থিতি যাক তার পরে আমরা ভাববো।

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন মানবজমিনকে বলেন, আমাদের এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশকে বাঁচাতে হবে, দেশের মানুষকে বাঁচাতে হবে। দেশের গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হবে। আর এসব করার আগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, যিনি গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী তার পূর্ণ মুক্তির মাধ্যমে এই দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে।

এই সিনিয়র নেতা বলেন, গত নির্বাচনে প্রমাণ হয়েছে যে, আমরা আগে যেমন জনপ্রিয় ছিলাম তার চেয়ে এখন আরো বেশি জনপ্রিয়। যদি আমরা জনপ্রিয় দল না হই, যদি আওয়ামী লীগের কাছে আমাদের জনপ্রিয়তার খবর না যেতে থাকে, যদি মানুষ ভোট দেয়ার সুযোগ পায় তাহলে বিএনপি বিপুলভাবে নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পাবে, এটা যদি তারা জেনে না থাকে তাহলে ভোটের আগের দিন রাতে ভোট ডাকাতি করলো কেন? তাই আমি বলি, আমরা কোনো জনপ্রিয়তা হারাইনি এবং আমাদের দলে কোনো সংকটও নেই।

করোনা মহামারির কারণে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে প্রায় সকল কর্মসূচি ভার্চ্যুয়ালি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সকাল ৬টায় বিএনপি’র নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।

সকাল ১১টায় বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর মাজারে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। সকাল সাড়ে এগারোটায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের মাজারে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।

দুপুর ১২টায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের মাজারে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। বিএনপি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা বিকাল সাড়ে তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীগণ অংশগ্রহণ করবেন বলে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশের ইউনিটগুলোকে নিজ নিজ সুবিধানুযায়ী পহেলা সেপ্টেম্বর দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন এবং নিজেদের সুবিধাজনক সময় অনুযায়ী ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে কেন্দ্র থেকে।

১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টায় রাজধানীর রমনা রেস্তরাঁয় দলের প্রতিষ্ঠাতা সে সময়ের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষণাপত্র পাঠ ছাড়াও প্রায় ২ ঘণ্টা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

সংবাদ সম্মেলনে নতুন দলের আহ্বায়ক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি প্রথমে ১৮ জন সদস্যের নাম এবং ১৯শে সেপ্টেম্বর ওই ১৮ জনসহ ৭৬ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন।

সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর বিশ্বাস, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র (অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায় বিচারের অর্থে) এই ৪ মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়।

দলটির লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক উন্নয়ন, গণতন্ত্রায়ন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য এবং জনগণের মধ্যে স্বনির্ভরতার উত্থান ঘটানো। এগুলোর ভিত্তিতে জিয়াউর রহমান তার ১৯ দফা ঘোষণা করেন।

বিএনপি গঠন করার আগে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) নামে আরেকটি দল সে সময়ের উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে সভাপতি করে গঠিত হয়েছিল। ২৮শে আগস্ট ১৯৭৮ সালে বিএনপি গঠন করার লক্ষ্যে জাগদলের বর্ধিত সভায় ওই জাগদল বিলুপ্ত ঘোষণা এবং এর অঙ্গ সংগঠনের সব সদস্য জিয়াউর রহমান ঘোষিত বিএনপিতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন। গঠনের সময় থেকেই বিএনপি রাষ্ট্রপতি শাসন পদ্ধতির সরকার সমর্থন করে আসছিল।

১৯৮১ সালের ৩০মে চট্টগ্রামে বিদ্রোহী সেনাদের হাতে দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান নিহত হলে সে সময়ের উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার দলটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন। বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি অসুস্থ হলে ১৯৮৪ সালের ১০ই মে দলের চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়া। সেই থেকে এখন পর্যন্ত ৩৬ বছর ধরে তিনি দলটির হাল ধরে আছেন। প্রতিষ্ঠার পর দলটি ৪ দফা ক্ষমতায় ছিল। ২ দফা ছিল জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল।

ছাত্রসেনা হবিগঞ্জ জেলার কাউন্সিল সম্পন্ন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা হবিগঞ্জ জেলা শাখার কাউন্সিল সম্পন্ন হয়েছে।

আজ শনিবার সকাল ১০টায় হবিগঞ্জ প্রেস ক্লাবে শহীদে মিল্লাত আল্লামা শায়খ নূরুল ইসলামী ফারুকী (রহ:) এর স্মরণ সভা এবং জেলা অনুগামী সম্মেলন ও কাউন্সিল-২০২০ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মদ নূরুদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইদ্রিস আলীর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত জেলা অনুগামী সম্মেলন ও কাউন্সিলে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি জননেতা অধ্যক্ষ গোলাম সরোয়ারে আলম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট হবিগঞ্জ জেলা শাখার সহ-সভাপতি জননেতা সাইফুল মস্তোফা, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি তাহির উদ্দীন সিদ্দিকী, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা খাইরুদ্দীন, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ বাচ্চু, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা হবিগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি যুবনেতা মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান হাবিব,সিনিয়র সহ-সভাপতি যুবনেতা মাওলানা আব্দুল কাদির, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ মোশাহিদ আলী।

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় পরিষদের ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক ছাত্রনেতা সাইফুদ্দীন আহমদ। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহম্মদ শাহ আলম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহম্মদ মঈনুল ইসলাম সদস্য ছাত্রনেতা মুহাম্মদ উমর ফারুক।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা কউসার আহমদ রুবেল।

অনুগামী সম্মেলন শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার পাঁচ সদস্যে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে ডেলিগেটদের সম্মতিক্রমে শাহজাদা সৈয়দ মুহাম্মদ আলী বশনীকে সভাপতি, মুহাম্মদ মামুনুর রশীদকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, মুহাম্মদ বিলাল মিয়া ইদ্রিস আলীকে সহ-সভাপতি, এমএ কাদিরকে সাধারণ সম্পাদক,মুহাম্মদ রহমত আলীকে সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক, মুহাম্মদ জালাল উদ্দীন ও আফসার আহমদকে সহ-সাধারণ সম্পাদক, মুহাম্মদ আব্দুল আওয়াল সুমনকে সাংগঠনিক সম্পাদক, জুবায়ের আহমদ, নাহিদুল ইসলাম ও শাহিন আহমদকে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, মুহাম্মদ আব্দুস সামাদকে অর্থ সম্পাদক, হাফেয আবিদুর রহমানকে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক, জুনায়েদকে দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক, আব্দুল্লাহ আল মামুনকে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমকে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, আল আমিনকে সমাজসেবা ও আইন বিষয়ক সম্পাদক, বোরহান উদ্দীনকে মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষনা সম্পাদক, আবু তাহেরকে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, মহিবুর রহমান রাজনকে ছাত্রকল্যাণ ও স্কুল বিষয়ক সম্পাদক এবং ফয়সল আহমদ, হেলাল উদ্দীন জাবেদ, সামছুল ইসলাম জাকি, হাফেয আবুল কাশেম, উজ্জল আহমদ, গোলাম সাফিউল আলম মাহিন, হানিফ আহমদ সজিব, সাফায়াত, মুহাম্মদ সাইফুর রহমান, মুহাম্মদ মুশাহিদ মিয়া ও মুহাম্মদ আজমলকে সদস্য করে ৩৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশন।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন; গোলাম সাফিউল আলম মাহিন, মুহাম্মদ মহিবুর রহমান রাজন, ফাইজুর রহমান মাহিন, জুবায়ের আহমদ, আমজল আহমদ, সাজন আহমদ, আব্দুল আওয়াল সুমন, হেলাল উদ্দীন জাবেদ, জাবেদ আহমদ, হাফেয আবুল কাশেম ও হাফেয আব্দুল আজিজ প্রমূখ।

জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে: রেজা কিবরিয়া

করাঙ্গীনিউজ: ভয়-ভীতির রাজনীতি থেকে বের হয়ে জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার করতে হবে বলে জানিয়েছেন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া।

শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া অডিটোরিয়ামে গণফোরামের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান।

রেজা কিবরিয়া বলেন, দেশে জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এটি পুনরুদ্ধারে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো এবং জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনবো।

তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক কালচার পরিবর্তন করতে হবে। এখন যে রাজনীতি সেটি হচ্ছে সরকারকে জনগণ ভয় ভয়ে থাকে।

যে রাজনীতিতে সরকার জনগণকে ভয় পায় আমাদের সেই রাজনীতি করতে হবে।

রেজা কিবরিয়া বলেন, দেশের উন্নয়নে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।
নতুন প্রজন্মকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে দেশ কীভাবে চলবে।

গণফোরামের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জাতীয় সংসদ সদস্য মোকাব্বির খানের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- জহিরুল ইসলাম, শরীফুল ইসলাম সজল, তৌফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। দুর্নীতি এমন পর্যায়ে চলে গেছে যেখানে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। বিনা ভোটের সরকার প্রশাসনের হাত ধরে ক্ষমতায় আসার কারণে এমনটি হয়েছে।

আবারো গ্রেফতার হলেন সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নিপু

নিজস্ব প্রতিনিধি, সিলেট: আবারো র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হলেন সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিরণ মাহমুদ নিপু।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় তাকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব)।

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে সিলেট নগরীর বালুচর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নিপুর বিরুদ্ধে একাধিক মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব-৯ এর মিডিয়া দফতর।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় বালুচর এলাকাস্থ ব্যক্তিগত কার্যালয় থেকে নিপুকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রাত দশটার দিকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র‌্যাব-৯ এর মিডিয়া দফতর।

প্রসঙ্গত, হিরণ মাহমুদ নিপু সিলেট জেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি থাকাকালে ২০১৫ সালে কোর্ট পয়েন্টে সিপিবির জনসভায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা হামলা চালান। এসময় মঞ্চে সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমকেও লাঞ্ছিত করা হয়। এ ঘটনার জেরে বহিস্কৃত হন নিপু। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অনেক অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে সর্বশেষ ২০১৯ সালের ২১ নভেম্বর তাকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।