Category Archives: মিডিয়া

হবিগঞ্জে জেলা উপজেলা সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ সুপারের পরামর্শ সভা

নুর উদ্দিন সুমন, হবিগঞ্জ :  হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার বলেছেন, সাংবাদিকরা সমাজ ও জাতির দর্পণ। সাংবাদিকরাই পারে লেখনী শক্তি দিয়ে সমাজকে মাদকমুক্ত ও অপরাধ মুক্ত করতে। যে কোন অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য উদঘাটন করতে এবং একটি অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পুলিশের পাশাপাশি সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম।

 

আজ (১৯ সেপ্টম্বর)  শনিবার সকাল ১১ টায় জেলা পুলিশের উদ্যোগে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় প্রাঙ্গনে সাংবাদিকদের সাথে পরামর্শ সভায়  উপরোক্ত কথা বলেন।

 

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা বলেন,  আপনাদের সঠিক তথ্যের মাধ্যমে এবং সার্বিক সহযোগীতায় আমি আজ হবিগঞ্জকে দাঙ্গা ও অপরাধ মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। যতদিন থাকব এ জেলাকে সারাদেশের মধ্যে আলোকিত জেলা হিসেবে গড়ে তুলবো।পাশাপাশি জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করে বলেন, মাদক, সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ, বাল্যবিয়ে, ইভটিজিংসহ নানা সমস্যা সমাধানে সাংবাদিকদের সাথে একযোগে কাজ করতে চান বলে জানান তিনি।

 

এতে জেলা উপজেলার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স ও অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন) আনোয়ার হোসেন , অতিরিক্ত পলিশ সুপার (ইনসার্ভিস) শৈলেন চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(অপরাধ)  মাহমুদুল হাসান, সদর থানার ওসি মো: মাসুক আলী, প্রেসক্লাব সভাপতি ইসমাইল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাইদুজ্জমান জাহির, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

উল্ল্যেখ্য যে, হবিগঞ্জের  পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা  গত ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যোগদান করেন।  তিনি হবিগঞ্জে যোগ দিয়েই পাল্টিয়ে দিতে শুরু করেন জেলার সবচেয়ে বেশি দাঙ্গা হাঙ্গামা চুরি, ডাকাতি। জেলার সমাজ ব্যবস্থাপনা ও অস্থির জনপদে শান্তির সু-বার্তা। মানুষের অন্তরে জমে থাকা বিরূপ মন্তব্য আর কালো দাগ এবং ভয়কে জয় করে শহর থেকে পাহাড়ি এলাকার দুর্গমঞ্চল পর্যন্তও ছড়িয়ে পড়েছে তার প্রশংসা।

 

দায়িত্বপালন কালে তিনি যেমন পুলিশের আইনী সেবা মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছানোর মাধ্যমে হবিগঞ্জে ইতিবাচক আইনি সু-শাসন প্রতিষ্ঠার ইতিহাস গড়েছেন। সমানতালে চলছে তার পুলিশি সুফল কর্মকান্ডও। তিনি ইদানিং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের  ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।

 

তিনি  জেলায় দায়িত্ব গ্রহণের  পর আইনশৃখলায় পরিবর্তনের পাশাপাশি জেলা পুলিশের   উন্নয় অবকাঠামোসহ আইন সৃংখলা ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। পুলিশ সুপার  মোহাম্মদ উল্ল্যার নিজ উদ্যোগের প্রশংসনীয় কর্মকান্ডের উল্লেখ যোগ্য কয়েকটি ধাপ এর মধ্যে হল- দাঙ্গা, ইভটিজিং রোধকল্পে ও মাদক নিয়ন্ত্রণ চলচ্চিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধিকল্পে চলচিত্র প্রদর্শন।

 

* দাঙ্গা ইভটিজিং রোধকল্পে ও মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনা।

 

* দাঙ্গা ইভটিজিং রোধকল্পে ও মাদক নিয়ন্ত্রণে রচনা প্রতিযোগিতা শেষে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিশেষ স্লোগান সংবলিত খাতা বিতরণ।

 

* দাঙ্গা রোধকল্পে লিফলেট ফেস্টুন বিতরণ ও বিভিন্ন জায়গায় দেয়াল লিখন।

 

* দাঙ্গা রোধকল্পে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত স্টিকার লাগানো।

 

* বাল্যবিবাহ রোধ, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, পুলিশের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন ও আইন সহায়তা সহজতর করার লক্ষ্যে মা’ সমাবেশের ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

* অপমৃত্যু রোধকল্পে বিট পুলিশিং এর মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময়।

 

* অপরাধ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় জনগণের নিকট হতে সেচ্ছায় দেশীয় অস্ত্র জমা দেওয়ার কর্মসূচির অনুষ্ঠান সফল করেন।

 

* থানা, সার্কেল অফিস সহ মামলার পরিমাণ হ্রাস এবং জনগণের হয়রানি কমানোর জন্য বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা।

 

* পুলিশ সুপারের সহিত থানা পর্যায়ের সকল অফিসারদের মামলা তদন্তসহ অন্যান্য বিষয়ে মতবিনিময় এর জন্য নিয়মিত প্রতি থানায় সার্কেলে অনুষ্ঠান।

 

* ঐতিহ্যবাহী চাঁপাইনবাবগঞ্জের গম্ভীরা হবিগঞ্জের আঞ্চলিক ভাষায় জনসচেতনতার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে। ৫ শতাধিক  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, ইভটিজিং রোধ এর বিষয় নিয়ে প্রতিযোগিতা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে ক্রেস্ট প্রদান । শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী দুই ভাইয়ের মধ্যে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য গাভী বিতরণ।

 

গরীব অসহায় এবং মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের নগদ অর্থ সহ বই খাতা বিতরণ । এমনকি করোনাকালীন সময়ে সদর হাসপাতালের ডাক্তারদের প্রটেকশনের জন্য বিশেষ বোথ স্থাপন। করোনায় আক্রান্ত পুলিশ সদস্য ডাক্তার সরকারি কর্মকর্তা অন্যান্যদের মধ্যে ফলমূল বিতরণ।

হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান ও পুলিশ মুক্তিযুদ্ধাদের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে গল্প বীরগাথা রচনা ও প্রকাশনা।এছাড়া করুণা কালীন

সাংবাদিক তারেক হাবিবের উপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকার প্রধান প্রতিবেদক সাংবাদিক তারেক হাবিবের উপর দিন দুপুরে দুর্বৃত্তদের হামলার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩ টায় নতুন বাজার মোড়ে মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি নাবেদ মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলী জাবেদ মান্নার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাসান চৌধুরী, মোফাজ্জল ইসলাম সজীব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলাল মিয়া, তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক ইকবাল হোসেন তালুকদার, পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক দিপু আহমেদ, ক্রীড়া সম্পাদক অঞ্জন রায়, সদস্য নাজমুল ইসলাম, মোঃ সফিকুল ইসলাম নাহিদ, জাফর ইকবাল, আর এইচ পাবেল। এছাড়াও মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন নবীগঞ্জের সর্বস্তরের লোকজন।

উক্ত মানববন্ধনে দুর্বৃত্ত হামলার প্রতিবাদে তীব্র নিন্দা জানিয়ে নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি নাবেদ মিয়া বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম ধরলেই সাংবাদিকরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। কারন সাংবাদিকেরা সমাজের অবহেলিত, নিপীড়িত, নির্যাতিত মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছেন। আজকের এই প্রতিবাদী মানববন্ধনের মাধ্যমে বলে দিতে চাই দুর্নীতিবাজরা সাবধান হয়ে যান।

সাংবাদিকদের ওপর জুলুম, নির্যাতন চালিয়ে কলম থামিয়ে রাখতে পারবেন না। সত্যের পক্ষে দেশ ও জাতির কল্যাণে দুর্নীতিবাজদের মুখোশউন্মোচন করতে সকল সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ। তারেক হাবিবের উপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিও জানান তিনি। উল্লেখ্য সংবাদ প্রকাশের জেরে গত শনিবার হবিগঞ্জ জেলা সদর শনির আখড়া নামকস্থানে তারেক হাবিবকে রড, হকিস্টিক দিয়ে পিটিয়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপিয়ে গুরুতর আহত করে একদল দুর্বৃত্ত।

সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: আমার হবিগঞ্জের চীফ রিপোর্টার তারেক হাবিব, সময় টিভির কক্সবাজার প্রতিনিধি সুজা উদ্দিন রুবেল, এবং বিজয় টিভির সাভার প্রতিনিধি জুলহাস উদ্দিন সন্ত্রাসী হামলার শিকার ও দেশে ধারাবাহিকভাবে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা এবং করোনা পরিস্থিতিতে অমানবিকভাবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মী ছাটাইয়ের প্রতিবাদে সিলেটে পালিত হয়েছে মানববন্ধন কর্মসূচি।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেট কেন্দ্রিয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েসন (ইমজা) সিলেট আয়োজিত মানববন্ধনে সিলেটের সকল স্তরের গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলা নির্যাতনের কোনো বিচার হচ্ছে না। দীর্ঘ সূত্রিতায় ঝুলে থাকছে একের পর এক সন্ত্রাসী হামলা ও হত্যার ঘটনা। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি সময় টিভির কক্সবাজার প্রতিনিধি সুজা উদ্দিন রুবেল, আমার হবিগঞ্জের চীফ রিপোর্টার তারেক হাবিব এবং বিজয় টিভির সাভার প্রতিনিধি জুলহাস উদ্দিন সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। তাদের ওপর হামলারও কোনো বিচার হবে না বলে সহকর্মীরা আশংকা করছে। গণতান্ত্রিক দেশে গণমাধ্যমের মুখ বন্ধ করলে, গণমাধ্যমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে গণতন্ত্রের কোনো মূল্য থাকে না। যার প্রমাণ দেখা যাচ্ছে সাবেক সেনা কর্মকর্তা বা প্রশাসনের দায়িত্বশীলদের ওপর সন্ত্রাসীদের হামলে পড়ার ঘটনায়।

অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, গণমাধ্যমকর্মী এবং প্রশাসনের দায়িত্বশীলদের ওপর হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হতে পারে না। যারা দেশের গণতন্ত্রকে অকার্যকর করতে চায়, তারাই এসব ঘটাচ্ছে। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে সরকার এসব ব্যাপারে নির্বিকার।

বক্তারা বলেন, একদিকে নির্যাতন অন্যদিকে করোনা পরিস্থিতিতে গোপনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে সাংবাদিক ছাটাইয়ের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। করোনায় আয় নেই এমন অজুহাত দেখিয়ে অনেক গণমাধ্যমকর্মীর বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কর্মীদের প্ররিশ্রমের কারণে লাভ করে আসা প্রতিষ্ঠানগুলো সংকটকালে কর্মীদের তার কোনো প্রতিদান দিচ্ছে না। সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদ ও সকল ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন বক্তারা।

ইমজার সাধারণ সম্পাদক ও এটিএন নিউজের সিলেট প্রতিনিধি সজল ছত্রীর সঞ্চালনায় ও ইমজার সভাপতি, যমুনা টিভির সিলেট ব্যুরো প্রধান মাহবুবুর রহমান রিপনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, সিলেট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সময় টিভির সিলেট ব্যুরো প্রধান ইকরামুল কবির, ইমজার সাবেক সভাপতি আশরাফুল কবীর, সহ-সভাপতি আনিস রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম শাহ, সিলেট ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েসনের সভাপতি মামুন হাসান, টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েসনের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মুন্সী প্রমুখ।

মানবনন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েসনের সভাপতি দ্বিগেন সিংহ, ডেইলি স্টারের শেখ নাসির, ইমজার সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রত্যুষ তালুকদার, ইমজার নির্বাহি সদস্য এস আলম আলমগীর, এনটিভির মারুফ আহমদ, চ্যানেল টুয়েন্টিফোরের গোলজার আহমদ, এসএটিভির শ্যামানন্দ শ্যামল, ইমজার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হোসাইন আহমদ সুজাদ, ইমজার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয় সম্পাদক শুভ্র দাস রাজন, যমুনা টিভির নিরানন্দ পাল, মোহনা টিভির শামিম হোসেইন, এটিএন নিউজের অনিল পাল, নিউজটুয়েন্টিফোরের শফি আহমদ, ইন্ডিপেডেন্ট টিভির মাধব কর্মকার, ডিবিসির নিউজের সেলিম হাসান, যমুনা টিভির সোহাগ যাদু, আনন্দ টিভির টুনু তালুকদার, এটিএন বাংলা ইউকের শফিকুল ইসলাম শফি, দৈনিক সংবাদের ইদ্রিছ আলী, এসএ টিভির আবু বকর আল আমিন, রুহিন আহমদ প্রমুখ।

মাধবপুরে সাংবাদিকদের গাছের চারা দিলেন ইউএনও

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের উদ্যেগে মাধবপুর প্রেসক্লাব সদস্যদের মাঝে ফলজ ও বনজ বিভিন্ন প্রজাতির চারা গাছ বিতরণ করা হয়েছে।

বোববার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসনুভা নাসতারাণ সাংবাদিকদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা বিতরণ করেন।

এসময় বন কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হোসেন, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা ফয়সল চৌধুরী, প্রেসক্লাব সভাপতি মহিউদ্দিন আহম্মেদ, যুগ্ন সম্পাদক আলমগীর কবির, সিনিয়র সাংবাদিক রোকন উদ্দিন লস্কর, আলাউদ্দিন,আইয়ুব খান, মিজানুর রহমান প্রমূখ উপস্হিত ছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর জন্ম শত বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্টানে উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ কয়েক হাজার ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করছে। এধারা বাহিকতায় প্রেসক্লাবকে গাছের চারা দেয়া হয়।

হবিগঞ্জে সাংবাদিক তারেক হাবিবকে পিটিয়ে রক্তাক্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ শহরে রড, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে সাংবাদিককে পিটিয়ে আহত করেছে একদল দুর্বৃত্ত।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হবিগঞ্জ সদর থানা সংলগ্ন শনির আখড়ার সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক তারেক হাবিব দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকার প্রধান প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত। সে বর্তমানে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আহত সাংবাদিক তারেক হাবিব জানান, পত্রিকার সম্পাদকের নির্দেশনায় একটি অনুষ্ঠানের খবর সংগ্রহ শেষে শনিবার দুপুরে রিকশায় করে অফিসে যাচ্ছিলেন তিনি। বেলা দুইটার দিকে তিনি শনির আখড়া এলাকায় পৌঁছান। এ সময় রিকশাটির গতিরোধ করেন একদল দুর্বৃত্ত। এসময় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা রড, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে তাঁকে বেধড়ক পেটানো শুরু করেন। একপর্যায়ে রিকশা থেকে টেনেহিঁচড়ে সড়কে নামিয়ে তাঁকে মারধর করেন। সঙ্গে থাকা মানিব্যাগ ও মুঠোফোন সেট ছিনিয়ে নিয়ে যান তাঁরা। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুক আলী জানান, ‘সাংবাদিক তারেক হাবিবের ওপর হামলার ঘটনাটি শুনেছি। আমি নিজে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছি। ঘটনাটি থানার পাশেই ঘটেছে। এ বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

সাংবাদিক সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকনের শ্বশুরের ইন্তেকাল

নিজস্ব প্রতিনিধি: সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার লালা বাজার ইউনিয়নের ফুলদি গ্রামের বাসিন্দা হাজী ডা. আব্দুল মালিক ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি…রাজিউন)।

শনিবার বিকেল পৌণে ৫টায় সিলেটে মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে, ৭ মেয়ে ও নাতি
নাতনীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুর খবরে নিজ গ্রামসহ আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে শত শত মানুষ তাকে এক নজর দেখার জন্য ছুটে আসেন।

হাজী ডা. আব্দুল মালিক হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক যুগান্তর, একুশে টিভি ও জাগো নিউজের জেলা প্রতিনিধি
সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকনের শ্বশুর।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় ফুলদি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

সাংবাদিক কাজী সুজনের পিতা আর নেই

নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাংবাদিক কাজী মাহমুদুল হক সুজনের পিতা অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক কাজী আব্দুল হান্নান ওরফে মুহিব মাষ্টার আর নেই।

বার্ধক্য জনিত কারনে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা ১০ মিনিটে উপজেলার সাটিয়াজুরী গ্রামের নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি….রাজিউন)।

মৃত্যুকালে মরহুমের বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। মৃত্যকালে তিনি এক ছেলে দুই মেয়ে নাতী নাতনীসহ অসংখ্য আত্নীয় স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরহুমের জানাযার নামাজ আজ বৃহস্পতিবার বাদ আছর নামাজ পর নিজ বাড়ীতে অনুষ্টিত হইবে।

উনার মৃত্যতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে করাঙ্গীনিউজ পরিবার।

হবিগঞ্জে ৫ সাংবাদিকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক আমার হবিগঞ্জ’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সুশান্ত দাশ গুপ্তসহ ৫ সাংবাদিকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে বিজ্ঞ বিচারক শাহিনুর আক্তারের আদালতে এ মামলাটি দায়ের করেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহি। মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে আদালত।

মামলার অন্যান্য আসামী হলেন- ‘দৈনিক আমার হবিগঞ্জ’ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক নুরুজ্জামান মানিক, বার্তা সম্পাদক রায়হান উদ্দিন সুমন, স্টাফ রিপোর্টার তারেক হাবিব, সোনালী প্রিন্টিংস ও মুদ্রাকার এর পরিচালক শোয়েব চৌধুরী, মাধবপুরের ধর্মঘর ইউনিয়নের মালঞ্চপুর গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে নুর আলম ওরফে শাহীন, তার ভাই মাহতাবুর আলম জাপ্পি, হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লুকড়া ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের শাহজাহান মিয়ার স্ত্রী নাজিরা বেগম ও তার স্বামী শাহজাহান মিয়া।

মামলার এজাহারের তিনি উল্লেখ্য করেন- আসামীরা ‘দৈনিক আমার হবিগঞ্জ’ পত্রিকায় বিভিন্ন সময় মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করে এবং তা ফেসবুকের মাধ্যম প্রচার করে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের সম্মানহানী করে আসছেন। আসামীরা মানহানি এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলার আসামীও। মামলার ১ ও ৭নং পরস্পর যোগসাজসে বিভিন্ন সময় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার করে আমার সম্মানহানী করে। মামলার ৮ ও ৯নং আসামী জ্বাল দলিল সৃষ্টি করিয়ে সংবাদপত্রে মিথ্যা ও তথ্য সরবরাহ করে আমার সম্মানহানী করে।

গত ২৪ জুলাই দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকায় সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রনোদিত ও মিথ্যাভাবে ‘হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি-সেক্রেটারীর কান্ড, মাধবপুর ছাত্রলীগের সেক্রেটারী পদ দিতে ২০ লাখ টাকা লেনদেন’ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশ করে। যাহা আদৌ সত্য নয়। ২ দিন পর অথাৎ ২৬ জুলাই আবারও দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকায় ‘পদ দেয়ার প্রলোভন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি-সেক্রেটারীর আর্থিক কেলেংকারী ফাঁসের পর আরেক কান্ড, মাধবপুর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মাহতাবুর আলম জাপ্পিকে পুলিশ পরিচয়ে হুমকি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। যাহা আদৌ সত্য নয়।

পরবর্তীতে ২৮ জুলাই দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকায় তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবেঃ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা, হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহির বিরুদ্ধে এবার জমি দখলের অভিযোগ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। এছাড়া গত ৭ আগস্ট একই বিষয়ে দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ বরাবরে অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি, জেলা ছাত্রলীগের সদ্য স্থগিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহি’র বিরুদ্ধে জায়গা দখলের ঘটনায় তোলপাড়” বাস্তবে সংবাদে উল্লেখিত জমির বায়নাসূত্রে মালিক আমার ভাই এরশাদ মিয়া।

এ ব্যাপারে আদালতে কবলা পাওয়ার জন্য মামলা চলমান রয়েছে। এই মামলার ৮নং আসামী মোছাঃ নাজিরা বেগম আদালতে পক্ষভূক্ত হওয়ার জন্য আবেদন করলে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা ১ম আদালত তার আবেদন খারিজ করে। বিজ্ঞ বিচারক আদেশে নাজিরা বেগমের দলিলকে ভূয়া বলে উল্লেখ্য করেন। কিন্তু ৮ ও ৯নং আসামী উক্ত মিথ্যা সংবাদে ভুল তথ্য পরিবেশন করে আমার সম্মানহানী করে।

গত ১০ আগস্ট দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকায় মূর্তিমান আতংক হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সাইদুর-মাহি, জাপ্পির ২০ লাখ টাকার পর এবার রুপমের কাছ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা হাতানোর তথ্য ফাঁস, প্রহসনের বিচার আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা জাপ্পির ভাইয়ের” বাস্তবে এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। স্বয়ং রুপম হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ ধরণের ঘটনা অস্বীকার করেছেন। অস্বীকার করার পরও গত ১৪ আগস্ট দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকায় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির আরেক নাটক, পদ দেয়ার প্রলোভনে অর্থ হাতানোর পর অপকর্ম ডাকতে রুপমকে দিয়ে জোরপূর্বক সংবাদ সম্মেলন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। যাহা আদৌ সত্য নয়।

গত ২৩ আগস্ট দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকায় “দিনভর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাস্যরস, গরু চুরি মামলার চার্জশীটভূক্ত আসামী জেলা ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মহিবুর রহমান মাহি’ বাস্তবে আমি কোন গরু চুরির ঘটনায় জড়িত ছিলাম না এবং উল্লেখিত মামলার এজাহার এবং এফআইআর এও আমার কোন নাম ছিল না। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে চার্জশীটে আমার নাম সংযুক্ত করে দেয়। যেহেতু, আমি ঘটনাতে সংযুক্ত ছিলাম না তাই বিজ্ঞ আদালত উক্ত মামলার রায় প্রদানকালে আমাকে বেকসুর খালস প্রদান করেন। কিন্তু জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে। গত ২৬ আগস্ট দৈনিক আমার হবিগঞ্জ পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে “হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহি’র সহযোগি ইয়াবা মামুনের অডিও ফাঁস শিরোনামে একটি স্ট্যাটার্সে প্রদান করে। বাস্তবে মামুন একজন রাজনৈতিক কর্মী হলেও আমার ব্যক্তিগত সহযোগী নয়।

সাংবাদিকতায় দুই যুগ পার করলেন পিন্টু দেবনাথ

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :
পিন্টু দেবনাথ একজন কলম সৈনিক। সদা হাসোজ্জ্বল ব্যক্তি সব সময় মাঠে থেকে কাজ করছেন। তিনি সাংবাদিকতায় এক উজ্জ্বল নক্ষত্র ও পরিচিত মুখ।

ইতিমধ্যে সাংবাদিকতা পেশায় তিনি দুই যুগ পূর্ণ করেছেন। ১৯৯৭ সালের শুরু থেকে তিনি সাংবাদিকতায় পেশায় যোগ দেন। শখের বসে তিনি সাংবাদিকতা শুরু করলে পরবর্তীতে তিনি এটাকে পেশা হিসাবেই বেচে নেন।

তিনি প্রথমে মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পাতাকুঁড়ির দেশ পত্রিকা মাধ্যমে সাংবাদিকতা বা লেখালেখি শুরু করেন। এর পর থেকে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও স্থানীয় পত্রিকায় সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ দিকে তাঁরই সম্পাদনায় ও প্রকাশনায় “কমলকুঁড়ি” নাম পত্রিকা বের করেন। আজও অত্যন্ত সুনামের সহিত পত্রিকাটি প্রকাশিত হচ্ছে।

বর্তমানে তিনি জাতীয় দৈনিক ইংরেজি পত্রিকা ” দি বাংলাদেশ টুডে ” (The Bangladesh Today) কমলগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়ায় সুনামের সহিত কমলগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি, কমলগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য, মৌলভীবাজার জেলা সাংবাদিক ফোরামের প্রকাশনা সম্পাদক, মৌলভীবাজার জেলা মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সহসভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি সম্প্রতি সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানে পাশ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে সম্মাননা পান।

এছাড়াও তিনি সামাজিক সাংস্কৃতিক একাধিক সংগঠনের সাথে জড়িত।

পিন্টু দেবনাথ সাংবাদিকতার দুই যুগ পূর্ণ হওয়ায় তাঁকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।

লাখাই উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: হবিগঞ্জের  লাখাই উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের নিয়মিত সাংবাদিকদের নিয়ে  কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় অনলাইন প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে  কমিটি গঠন কল্পে সাংবাদিক আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সাধারণ সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে ২০২০-২০২১ সালের জন্য  মহসিন সাদেক কে (নিরাপদ নিউজ ও আজকের পত্রিকা অনলাইন পোর্টাল)সভাপতি,নিতেশ দেব (দৈনিক একাত্তরের কথা/দৈনিক দেশ, করাঙ্গী নিউজ  ) সাধারন সম্পাদক ও সুমন আহমেদ বিজয় (হবিগঞ্জের মুখ /সিলেটের জনপদ ও হবিগঞ্জ জার্নাল)সাংগঠনিক সম্পাদক করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মেয়াদকাল শেষ হওয়ায় ২০১৯ – ২০২০ সালের অনলাইন প্রেসক্লাবের কমিটি বিলুপ্ত করে ২০২০-২০২১ সালের জন্য পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির অন্যান্যরা হলেন,  সহ-সভাপতি জুনাইদ চৌধুরী (দৈনিক  প্রভাকর) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আলমগীর হোসেন তালুকদার (বিজয়ের কন্ঠ),দপ্তর সম্পাদক  সানি চন্দ্র  বিশ্বাস (দৈনিক  স্বদেশ বার্তা /সুরমা নিউজ),প্রচার সম্পাদক  শিপার মাহমুদ জুম্মান( উত্তরা নিউজ), অর্থ সম্পাদক  সূর্য্য রায়( দৈনিক  হবিগঞ্জের  সময়), ক্রীড়া ও সাহিত্য সম্পাদক  আব্দুল  হান্নান( দৈনিক  আমার সংবাদ)  ।
এছাড়া নির্বাহী সদস্যরা হলেন, আবুল কাসেম ( দৈনিক আমাদের সময় / দৈনিক হবিগঞ্জের জনতার এক্সপ্রেস ),রফিকুল ইসলাম (সিলেটের ডাক/ দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার ),আব্দুল মতিন (জি টিভি)
সেলিমুর রহমান(আজকের হবিগঞ্জ)।
উল্লেখ যে গত ২৮ আগস্ট  হবিগঞ্জ জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম খোকন  ও সাধারণ  সম্পাদক সাইফুদ্দিন জাবেদের  স্বাক্ষরিত পত্রে লাখাই উপজেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।
নিতেশ দেব

হবিগঞ্জে সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নিলো বাহুবল থানার এসআই!

নিজস্ব প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ: হবিগঞ্জের বাহুবল থানা থেকে পুলিশ ভ্যানে করে নিয়ে আসা চোখ বাধা দুই ব্যক্তির বিষয়ে জানতে চাইলে দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার’ পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার একে কাওসারের সাথে অশোভন আচরণ করেন বাহুবল থানার এসআই মো. শাহ্ আলী।

এ সময় তিনি সাংবাদিক কাওসারের হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যান। প্রায় আধা ঘন্টা পর তিনি মোবাইল ফোনটি ফেরত দেন।

জানা যায়- বৃহস্পতিবার ভোররাতে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে ভর্তি রোগীর কাছে চোখ বেঁধে দুই ব্যক্তিকে নিয়ে আসেন। এ সময় বিষয়টি সম্পর্কে জানতে সেখানে উপস্থিত হন ‘দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার’ পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার একে কাওসার।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে থাকা পুলিশের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে সাদা পোষাকধারী এসআই মো. শাহ্ আলী সাংবাদিক পরিচয় পেয়েও একে কাওসারকে ধাক্কা মারেন। এ সময় পাশে দাড়ানো স্থানীয় লোকজন ও দুই পুলিশ সদস্য একে কাওসার সাংবাদিক বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এসআই শাহ আলী উত্তেজিত হয়ে উঠেন।

এক পর্যায়ে তিনি সাংবাদিক কাওসারের হাত থেকে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন। প্রায় আধা ঘন্টা পর আবারও তিনি পুলিশ ভ্যানসহ হাসপাতালের সামনে ফিরে আসেন। এ সময় তার সাথে থাকা সবুজ রানা নামে পুলিশ সদস্য মোবাইলটি ফেরত দেন। তবে সাংবাদিক কাওসারের দাবি- তার মোবাইল থেকে অনেক গুরুত্বরপূর্ণ সংবাদের তথ্য-চিত্র ডিলেট করে দিয়েছে পুলিশ।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান- চোখ বেঁধে দুই ব্যক্তিকে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। এছাড়া সাংবাদিকের সাথে অশোভন আচরণের বিষয়টিও আমি দেখছি।

সাংবাদিক পুত্র অভির এসএসসিতে বৃত্তি লাভ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাংবাদিক পুত্র এস এম রাশিদুর রহমান (অভি) এসএসসিতে বৃত্তি লাভ করেছে।

বানিয়াচং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরিক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে বৃত্তি লাভ করলো।

অভি বানিয়াচং উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি এস এম
খোকন’র পুত্র। তার মায়ের নাম এস এম রাশেদা খাতুন।

অভি বড় হয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করতে চায়। সে তার ফলাফলের জন্য অত্র বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী।

করোনায় খাদ্য সংকটে ভোগেনি জনগন – বিমান প্রতিমন্ত্রী

হামিদুর রহমান,মাধবপুর(হবিগঞ্জ):  বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলী বলেছেন বিশ্বের অনেক ধনী ও প্রভাবশালী দেশ করোনা সামলাতে ব্যার্থ হয়েছে । সরকার করোনার আগেই পরিস্থিতি সামলাতে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল তাই বাংলাদেশে করোনা নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। দেশের কোন মানুষ যাতে করোনাকালিন সময়ে খাদ্য সংকটে না ভোগে সে জন্য পর্যাপ্ত ত্রান বিতরণ করেছেন। গৃহহীন মানুষের জন্য সরকার তাদের ঘর তৈরী করে দিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে মাধবপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে গৃহহীনদের জন্য দূর্যোগসহনীয় বাসগৃহের চাবি হস্তান্তর এবং চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা গুলো বলেন।

উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা তাসনূভা নাশতারানের সভাপতিত্বে ও সহকারী কমিশানার (ভুমি) আয়েশা আক্তারের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মজিব উদ্দিন তালুকদার ওয়াসিম, জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান ,আপন মিয়া, শফিকুল ইসলাম, ফারুক পাঠান, শহীদ উদ্দিন, সমাজসেবা কর্মকর্তা সোলাইমান মজুমদার ,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাসুদুল ইসলাম,প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হাসান,চা শ্রমিক নেতা রবীন্দ্র গৌড় প্রমুখ।

ত্রান ও দূর্যোগ মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে ৫৪ লাখ টাকা ব্যায়ে ১৮ টি পরিবার কে দূর্যোগ সহনীয় ঘর তৈরী করে দেওয়া হয়। এছাড়া ৫ টি চা বাগানের ৫ হাজার ৫ শ ৪৬ জন চাশ্রমিক পরিবার কে ২ কোটি ৭৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়।

নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের ঈদ পূণর্মিলনী

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের ঈদ পূণর্মিলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১১ টায় নবীগঞ্জ শহরের ওসমানী রোড অভিজাত রেস্টুরেন্ট আরজু ডিপার্টমেন্টালে ঈদ পূণর্মিলন ও আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি নাবেদ মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলী জাবেদ মান্নার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন,নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ সরোয়ার শিকদার,সহ-সভাপতি আশাহিদ আলী আশা, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমগীর মিয়া,সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন মিঠু,এম এ আহমদ আজাদ,নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য মুরাদ আহমেদ,বিশিষ্ট সমাজসেবক সুবেদ আহমেদ,পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি বাবলু আহমেদ। এছাড়া ও সভায় বক্তব্য রাখেন,নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাসান চৌধুরী,সহ-সভাপতি মোফাজ্জল ইসলাম সজিব,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলাল মিয়া, কোষাধ্যক্ষ শাহরিয়ার আহমেদ শাওন,তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইকবাল হোসেন তালুকদার, ক্রীড়া সম্পাদক অঞ্জন রায়, সদস্য নাজমুল ইসলাম, সফিকুল ইসলাম নাহিদ,জাফর ইকবাল, আর এইচ পাবেল প্রমুখ।

ঈদ পূণর্মিলনী ও আলোচনা সভায় নবীগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সদস্য জাফর ইকবালের পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা জানান বক্তাগন এবং নির্যাতিত পরিবারকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন নবীগঞ্জ প্রেসক্লাব ও অনলাইন প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

সাংবাদিকতা আমাদের সামনে চ্যালেঞ্জ

নিজস্ব প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ: জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ বলেছেন, সাংবাদিকতা এখন আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। এই করোনাকালে অন্যান্য পেশার মতো সাংবাদিকতায়ও অনেক ঝুঁকি চলে এসেছে।

শুক্রবার রাতে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথাগুলো বলেন তিনি।

সবুজ বলেন- জাতীয়ভাবে অনেক মিডিয়ায় সাংবাদিক ছাটাই করা হচ্ছে। এর বাইরে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলাসহ অনেক সমস্যার মোকাবিলা করতে হচ্ছে সাংবাদিকদেরকে। এই সমস্যার পিছনে অনৈকত্যা একটি বড় কারণ। এই সমস্যা সমাধানে এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোন বিকল্প নেই। সাংবাদিকদের ভিন্ন ভিন্ন মত বা দলীয় আদর্শ থাকতে পারে। কিন্তু সাংবাদিক হিসেবে এই মতের উর্ধ্বে থেকে নিজেদের স্বার্থের কারণেই ঐক্যবদ্ধ হওয়া এখন জরুরী। দেশে সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়েছে। আর কমে গেছে গুণগত মান। মিডিয়া হাউজগুলোকে এখন মোকাবিল করতে হচ্ছে সোস্যাল মিডিয়ার সাথেও। এই অবস্থায় ঠিকে থাকতে হলে কোয়ালিটি সাংবাদিকতার উপর নজর দিতে হবে।

তিনি বলেন, হবিগঞ্জ তথা সিলেট বিভাগে যারা সাংবাদিকতা করেন তাদের সাথে আমার ভাল সম্পর্ক রয়েছে। আমার পিতা সুলতান উদ্দিন মজুমদার হবিগঞ্জের বাহুবল ও নবীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন। মৌলভীবাজার এবং সিলেটেও তিনি চাকুরী করেছেন। ফলে এখানকার মানুষের সাথে আমার হৃদয়ের সম্পর্ক। হবিগঞ্জে সাংবাদিকদের যে কোন সমস্যায় পাশে থাকার ঘোষণা দেন তিনি।

হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সায়েদুজ্জামান জাহিরের সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক সভাপতি মোঃ ফজলুর রহমান, অ্যাডভোকেট রুহুল হাসান শরীফ, শোয়েব চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ, অ্যাডভোকেট শাহ ফখরুজ্জামান, রাসেল চৌধুরী, সদস্য শফিকুল আলম চৌধুরী, শাকীল চৌধুরী প্রমুখ।

এছাড়াও হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সদস্যবৃন্দসহ কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতেই প্রধান অতিথিকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।