1. nafiz.hridoy285@gmail.com : Hridoy Fx : Hridoy Fx
  2. miahraju135@gmail.com : MD Raju : MD Raju
  3. koranginews24@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক
বাহুবলে ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাই, পুলিশসহ আটক ৩ - করাঙ্গীনিউজ
করাঙ্গী নিউজ
স্বাগতম করাঙ্গী নিউজ নিউজপোর্টালে। ১৩ বছর ধরে সফলতার সাথে নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে করাঙ্গী নিউজ। দেশ বিদেশের সব খবর পেতে সাথে থাকুন আমাদের। বিজ্ঞাপন দেয়ার জন‌্য যোগাযোগ করুন ০১৮৫৫৫০৭২৩৪ নাম্বারে।

বাহুবলে ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাই, পুলিশসহ আটক ৩

  • সংবাদ প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৬

বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ জেলার বাহুবলের কামাইছড়ায় ব্যবসায়ীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে টাকা লুটের অভিযোগে পুলিশের পিকআপ চালকসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। এ সময় লুন্ঠিত ৪২ হাজার টাকাও উদ্ধার করা হয়।

 

গ্রেফতারের পর বাহুবল মডেল থানায় হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দপ্তর) মাসুদ মনির ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মোশাররফ হোসেন পিপিএম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। নবাগত ওসি মোল্লা মনির হোসেন বাহুবল মডেল থানায় যোগদানের ৬ দিনের মাথায় এ ঘটনা ঘটলো।
সূত্র জানায়, বুধবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল-হবিগঞ্জ রোডস্থ লাকসাম স্টোরের স্বত্তাধিকারী শান্তিবাগ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা রবিউল ইসলাম (৩০) বাহুবল থেকে কয়েক কার্টুন সিগারেট নিয়ে একটি সিএনজি অটোরিক্সাযোগে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ফিরছিলেন। ব্যবসায়ী রবিউলকে বহনকারী সিএনজিটি মিরপুর-শ্রীমঙ্গল রোডের কামাইছড়া পাহাড়ে রাবার বাগানের নিকট পৌঁছামাত্র পুলিশের লোক পরিচয়ে একটি মোটর সাইকেল ও একটি সিএনজি অটোরিক্সার ব্যারিকেড দিয়ে ৪ ব্যক্তি তাকে জিম্মি করে এবং ব্যবসায়ীকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে নগদ ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।

 

এমনকি হত্যার ভয় ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আরও ৩০ হাজার টাকা আদায় করে ব্যবসায়ীকে ছেড়ে দেয় তারা। ঘটনাটি ব্যবসায়ী রবিউল শ্রীমঙ্গল থানার ওসিকে অবহিত করে মামলা দায়ের করতে যান। তবে ঘটনাস্থল শ্রীমঙ্গলের বাইরে হওয়ায় রবিউলকে বাহুবল থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। এরপর রবিউল বেলা ৩টার দিকে বাহুবল থানায় গিয়ে মৌখিকভাবে ঘটনার বর্ণনা করেন। এর কিছুক্ষণ পর পুলিশের পিকআপ চালক পূলক চক্রবর্তীকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আটক করা হয়। তার দেয়া তথ্যমতে সন্ধ্যায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল তার অপর সহযোগী শিমুল মিয়া ও আকরামসহ বিকাশ এজেন্ট প্রদীপ দেবকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রদীপ দেবকে সাক্ষী হিসেবে ছেড়ে দেয়া হয়।

 

 

এদিকে কামাইছড়া ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই বাছির আলমের বিরুদ্ধে অবৈধ চাঁদাবাজিসহ নিরীহ লোকজনকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও আনন্দ ভ্রমণে আসা বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজনকে আটকে রেখে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। তাকে নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে রয়েছে নানা মন্তব্য। এরই মাঝে ঘটেছে গতকাল ব্যবসায়ীকে নির্যাতন করে টাকা ছিনতাইর ঘটনা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
x