1. nafiz.hridoy285@gmail.com : Hridoy Fx : Hridoy Fx
  2. miahraju135@gmail.com : MD Raju : MD Raju
  3. koranginews24@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক
অ্যাম্বুলেন্স আটকে দিল ওরা পথেই শিশুর মৃত্যু - করাঙ্গীনিউজ
করাঙ্গী নিউজ
স্বাগতম করাঙ্গী নিউজ নিউজপোর্টালে। ১৩ বছর ধরে সফলতার সাথে নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে করাঙ্গী নিউজ। দেশ বিদেশের সব খবর পেতে সাথে থাকুন আমাদের। বিজ্ঞাপন দেয়ার জন‌্য যোগাযোগ করুন ০১৮৫৫৫০৭২৩৪ নাম্বারে।

অ্যাম্বুলেন্স আটকে দিল ওরা পথেই শিশুর মৃত্যু

  • সংবাদ প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার: ৪৮ ঘণ্টা পরিবহন ধর্মঘটের প্রথমদিন রোববার মৌলভীবাজারের বড়লেখায় অ্যাম্বুলেন্সেই মারা গেছে এক শিশু। পরিবহন শ্রমিকরা দফায় দফায় অ্যাম্বুলেন্সটি আটকে দেয়ায় অসুস্থ শিশুটিকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত কাক্সিক্ষত হাসপাতালেই পৌঁছতে পারেননি অভিভাবকরা। বেলা ১১টায় রওনা দিয়ে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত সাড়ে তিন ঘণ্টায় মাত্র ২০ কিলোমিটার যেতে পেরেছিলেন তারা। হাসপাতাল তখনও ৫০ কিলোমিটার দূরে।

অজমির গ্রামের কুটন মিয়ার ওই মেয়েশিশুটির জন্ম হয়েছিল ৭ দিন আগে। রোববার পর্যন্ত তার নামও রাখা হয়নি। শিশুটির চাচা আকবর আলী জানান, ভাতিজি অসুস্থ হয়ে পড়লে রোববার সকালে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাই। চিকিৎসকরা দ্রুত তাকে সিলেট নেয়ার পরামর্শ দেন। অ্যাম্বুলেন্সে করে সিলেট যাওয়ার পথে বড়লেখা উপজেলার দরগাবাজারে পরিবহন শ্রমিকরা প্রথমে অ্যাম্বুলেন্সটি আটকে দেয়। অনেক অনুনয়-বিনয় করলে কিছুক্ষণ পর ছেড়ে দেয়। একইভাবে দাসেরবাজার এলাকায় আবারও আটকানো হয় অ্যাম্বুলেন্সটি।

সেখান থেকে কোনোমতে ছাড়া পেয়ে চান্দগ্রাম বাজারে গেলে আরেক দফা শ্রমিকদের তোপের মুখে পড়ে অ্যাম্বুলেন্সটি। এ সময় অ্যাম্বুলেন্স চালককে গাড়ি থেকে নামিয়ে অমানবিকভাবে মারধর করে শ্রমিকরা। এরই মধ্যে শিশুটির অবস্থা আরও সংকটাপন্ন হয়ে পড়লে সেখান থেকে নিকটবর্তী বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন অভিভাবকরা। সেখানে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, শিশুটি হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছে। রাতে শিশুটিকে নিজ গ্রামে দাফন করা হয়েছে।

বড়লেখা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আহমদ হোসেন জানান, বাচ্চাটির অবস্থা গুরুতর ছিল। এ জন্যই আমরা তাকে সিলেটে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দিই। এখান থেকে সিলেট যেতে দেড় ঘণ্টার বেশি সময় লাগার কথা না। ওই সময়ের মধ্যেই সিলেটে নিলে শিশুটির হয়তো এমন পরিণতি হতো না। শিশুটির মৃত্যুর খবর শুনে খারাপ লাগছে।

আকবর আলী আরও জানান, এ নিয়ে আমরা থানায় অভিযোগ করেছি। তবে বড়লেখা থাকার ওসি মো. ইয়াসিনুল হক বলেন, থানায় এখনও কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বরযাত্রীবাহী গাড়িতে হামলা, আহত ৮ : সীমান্তবর্তী শাহবাজপুরের এলাম অর্জুনপুর থেকে বরযাত্রীবাহী গাড়িবহর দুপুর ২টার দিকে কানলী ব্রিজ এলাকায় যাওয়ার পরই পরিবহন শ্রমিকরা প্রথমে বাধা দেয় ও পরে হামলা চালায়। এ নিয়ে বরযাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা দেখা দেয়। একপর্যায়ে এক বরযাত্রী ভিডিও করতে গেলে সংঘর্ষ বাধে। এতে ৮ জন আহত হন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
x