1. nafiz.hridoy285@gmail.com : Hridoy Fx : Hridoy Fx
  2. miahraju135@gmail.com : MD Raju : MD Raju
  3. koranginews24@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক
উইনেবল তালিকায় হবিগঞ্জের আবু জাহিরের নাম আসায় উৎফুল্ল নেতাকর্মীরা - করাঙ্গীনিউজ
  • Youtube
  • English Version
  • রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:০৫ অপরাহ্ন

করাঙ্গী নিউজ
স্বাগতম করাঙ্গী নিউজ নিউজপোর্টালে। ১৩ বছর ধরে সফলতার সাথে নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে করাঙ্গী নিউজ। দেশ বিদেশের সব খবর পেতে সাথে থাকুন আমাদের। বিজ্ঞাপন দেয়ার জন‌্য যোগাযোগ করুন ০১৮৫৫৫০৭২৩৪ নাম্বারে।

উইনেবল তালিকায় হবিগঞ্জের আবু জাহিরের নাম আসায় উৎফুল্ল নেতাকর্মীরা

  • সংবাদ প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ: দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের উইনেবল তালিকা সংক্রান্ত একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘উইনেবল’ প্রার্থীদেরই দলীয় মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগ। দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে অনেক আগেই কাজও শুরু করেছে দলটি। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে চালাচ্ছেন বিভিন্ন স্তরের জরিপ।

সাংগঠনিক নেতাদের মতামত, বিভিন্ন সংস্থার জরিপ, মাঠ পর্যালোচনা ও অতীত কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে ইতিমধ্যে উইনেবল প্রার্থীদের তালিকা আলাদা করার কাজও শুরু করেছে দলটি। আওয়ামী লীগ শীর্ষ পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা ও দলীয় সূত্রে এসব তথ্য উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও দলীয় সুত্রে এখন পর্যন্ত হবিগঞ্জের ৪টি আসনের মধ্যে শুধুমাত্র হবিগঞ্জ সদর-লাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ আসনে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে আবু জাহিরের নামই উঠে এসেছে ইউনেবল তালিকায়।

এই আসনটিতে এখন পর্যন্ত জনপ্রিয়তা ও দলীয়ভাবে এগিয়ে আছেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির। হবিগঞ্জের বাকি ৩টি আসনের মধ্যে অন্য কোন প্রার্থীর নাম এখনো প্রকাশ হয়নি। দলীয় সুত্র জানিয়েছে বাকি আসনগুলোতে এখনো গোয়েন্দা সংস্থা ও দলীয় জরিপ চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, নমিনেশন দেবেন নেত্রী। তার কাছে সবার এসিআর আছে। অসুস্থ প্রতিযোগিতা করে মনোনয়ন পাওয়া যাবে না। সবার আশা আছে, আকাংখা আছে। কিন্তু নেত্রী জনমত জরিপ, তৃণমূলের মতামত, সব কিছু মিলিয়ে যিনি উইনেবল ক্যান্ডিডেট তাকেই মনোনয়ন দেবেন। তাকে নিয়েই সবাইকে কাজ করতে হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অনেককে ক্ষমা করা হয়েছে। কিন্তু জাতীয় নির্বাচনে এই উদারতা আর দেখানো হবে না। আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের আগেই সব দিক দিয়ে এগিয়ে থাকতে চাইছেন ক্ষমতাসীনরা। দলীয় প্রার্থী বাছাই থেকে শুরু করে অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন, উন্নয়ন প্রচার, বিএনপি-জামায়াতের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড জনগণের সামনে তুলে ধরতে উঠান বৈঠক, বর্ধিত সভা, কর্মিসভা, পথসভা, জনসভাসহ নানা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন তারা।
গত বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় দলের বৈঠকে দলীয় এমপিদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে। সেভাবেই নির্বাচনের জন্য সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে।

তিনি বলেন, যারা এখন এমপি আছেন তারাই যে মনোনয়ন পাবেন বিষয়টি তা নয়। অনেকে বাদ পড়বেন। কে কী করছেন সব খবর আমার কাছে আছে। নতুন অনেকে মনোনয়ন পাবেন। আমি জনপ্রিয়তা দেখে নমিনেশন দেব। তবে, যাকে নমিনেশন দেব তার জন্য সবাইকে ঐকবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। এদিকে শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যের পরে সারা দেশেই মনোনয়নের সমীকরণ শুরু হয়ে গেছে। এলাকায় জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্যরা আগের চেয়ে অনেক বেশি সময় মাঠে থাকছেন। কারণ নির্বাচনের খুব বেশি সময় বাকি নেই। তবে নির্বাচনী এলাকার মানুষের কাছে প্রিয় ও প্রহণযোগ্যরা যে এগিয়ে আছেন, তা বলা যায় সহজেই।

বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে এবং দলীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী সিলেট বিভাগে এখন পর্যন্ত যারা এগিয়ে আছেন তারা হলেন, সুনামগঞ্জ-২ জয়া সেনগুপ্ত, সুনামগঞ্জ-৫ মহিবুর রহমান মানিক, সিলেট-১ সদর আসনে আবুল মাল আবদুল মুহিত, সিলেট-৪ ইমরান আহমেদ, মৌলভীবাজার-১ শাহাব উদ্দিন, মৌলভীবাজার-৩ সৈয়দা সায়রা মহসীন, মৌলভীবাজার-৪ উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ আর হবিগঞ্জ জেলার ৪টি আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত জনপ্রিয়তা ও দলীয়ভাবে এগিয়ে হবিগঞ্জ-৩ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এডভোকেট মোঃ আবু জাহির। তবে হবিগঞ্জের বাকি ৩টি আসনের মধ্যে অন্য কোন প্রার্থীর নাম এখনো প্রকাশ হয়নি।

এদিকে গণমাধ্যমে সংবাদটি প্রকাশ হওয়ার পর হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। দলের বিভিন্ন ফোরামে নেতাকর্মীরা স্বস্তি প্রকাশ করেন এবং বলেন, যারা দলের জন্য কাজ করেন এই কাজ কখনো বৃথা যায় না।
হবিগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট আব্দুল আহাদ ফারুক বলেন, এমপি এডভোকেট মোঃ আবু জাহির ছাত্রজীবন থেকে দলকে সুসংগঠিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন। তার এই নেতৃত্বের জন্য হবিগঞ্জ জেলায় আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত হয়েছে। শুধু দলীয় কাজ নয়, তার নেতৃত্বে হবিগঞ্জ জেলায় যুগান্তকারী উন্নয়ন হয়েছে। এমতাবস্থায় ইউনেবল তালিকায় তার নাম আসাটা ছিল সকলের প্রত্যাশিত।

হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ ও জেলা পরিষদ সদস্য এডভোকেট সুলতান মাহমুদ বলেন, এমপি আবু জাহির তার সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য হবিগঞ্জকে ২য় গোপালগঞ্জে পরিচিত করেছেন। সারা দেশে যখন আওয়ামী লীগের বিপর্যয় হয়েছিল, তখনই তার নেতৃত্বে হবিগঞ্জ জেলার সবকটি আসনে নৌকা বিজয়ী হয়েছিল। শুধু তাই নয়, হবিগঞ্জে উন্নয়নের জোয়ার হয়েছে তার নেতৃত্বে। শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজসহ এই উন্নয়নের জন্য আমরা সকলেই তার নাম উইনেবল তালিকায় থাকবে প্রত্যাশা করছি, পাশাপাশি আগামীতে হবিগঞ্জবাসী তাকে মন্ত্রী হিসাবেও দেখতে চায়।

হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল মোছাব্বির বকুল বলেন, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৩ আসনে তৃণমূল থেকে যখন নাম প্রেরণ করা হয়েছিল, তখন শুধুমাত্র আবু জাহিরের নামই প্রেরণ করা হয়েছিল। বাংলাদেশে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া কারো ক্ষেত্রে এ ধরণের ঘটেনি। তাই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে যে উইনিং তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে তার নাম থাকাটা ছিল সকল নেতাকর্মীর প্রত্যাশা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
x