Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  বিশ্বনাথের তরুণীকে গণধর্ষণ: দুলাভাই গ্রেফতার #  চুনারুঘাটে ৪ ড্রেজার মেশিন আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস #  বাহুবলের মিরপুরে কলেজের ছাত্রীকে উত্যক্ত: সহপাঠীর কারাদন্ড #  বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব: ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ড্র #  বাবার কোলেই তুহিনকে ছুরি দিয়ে গলাকেটে খুন করেন চাচা #  জকিগঞ্জে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ, আটক ১ #  দিরাইয়ে শিশু তুহিন হত্যা : বাবাসহ ৩ জন রিমান্ডে #  সুনামগঞ্জে শিশু তুহিন হত্যায় মামলা করলেন মা #  মাধবপুরে জাতীয় হাত ধোয়া দিবস পালিত #  হবিগঞ্জে ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক #  আজমিরীগঞ্জে কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার #  শায়েস্তাগঞ্জে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত নিহত #  দিরাইয়ে স্বজনদের হাতেই নিহত হয় শিশু তুহিন, আটক ৭ #  মাধবপুরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ #  ওসমানীনগরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

মৌলভীবাজারের ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড

করাঙ্গীনিউজ: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৌলভীবাজারের রাজনগরের মো. আকমল আলী তালুকদারসহ (৭৬) চারজনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

 

আসামিদের বিরুদ্ধে আনা দুটি অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে। এর মধ্যে একটিতে সবাইকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপরটিতে সবাইকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

 

চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার (১৭ জুলাই) এ রায় ঘোষণা করেন।

 

এর আগে ১৬ জুলাই রায় ঘোষণার জন্য মঙ্গলবার দিন ধার‌্য করেছিলেন আদালত।

 

গত ২৭ মার্চ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষামান রাখেন ট্রাইব্যুনাল।

 

মামলার অন্য আসামিরা  হলেন- মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার আব্দুর নুর তালুকদার ওরফে লাল মিয়া (৬২), মো. আনিছ মিয়া (৭৬) ও মো. আব্দুল মোছাব্বির মিয়া। আকমল ছাড়া বাকিরা পলাতক রয়েছেন।

 

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন সৈয়দ হায়দার আলী, শেখ মুশফিক কবীর ও ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

 

আসামি আকমল আলীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আবদুস সোবহান তরফদার। পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আবুল হাসান ছিলেন।

 

২০১৬ সালের ৩০ মে এই চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। একই বছরের ২৩ মার্চ তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেন তদন্ত সংস্থা। তদন্ত প্রতিবেদনে তাদের বিরুদ্ধে আনুমানিক ১০২টি পরিবারের ১৩২টি ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ, ছয়জনকে ধর্ষণ, সাতজনকে অপহরণ ও ৬১ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়।