Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  চুনারুঘাটে ত্রাণের জন্য বিক্ষোভ করছে চা শ্রমিকরা #  ছুটি বাড়ছে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত #  ইতালিতে করোনায় আরেক বাংলাদেশির মৃত্যু #  ইতালিতে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৮১২ জনের মৃত্যু #  শায়েস্তাগঞ্জে ৪০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ #  করোনা শনাক্তে ওসমানী হাসপাতালে আসলো পিসিআর মেশিন #  সুনামগঞ্জে সর্দি-কাশি-জ্বর নিয়ে নারীর মৃত্যু #  বাহুবলে খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করলেন এএসপি পারভেজ আলম #  নবীগঞ্জে অস্ত্রসহ তিন ডাকাত গ্রেফতার #  বাহুবলে অনাবৃষ্টির কারণে বোরো ধান নিয়ে অনিশ্চিত কৃষকরা #  সিলেটে হোম কোয়ারেন্টিন না মানায় প্রবাসীকে জরিমানা #  নবীগঞ্জে ফেনসিডিলসহ যুবক আটক #  নবীগঞ্জে করোনা ভাইসরাস রোধে সেনা টহল অব্যহত #  দেশে নতুন আক্রান্ত ১ জন, সুস্থ ১৯ #  শায়েস্তাগঞ্জে দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ সেনাবাহিনীর

৩ শতাধিক প্রাণীর অভয়াশ্রয় সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান

ইসমাইল হোসেন বাচ্চু, চুনারুঘাট(হবিগঞ্জ):
হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়িজাতীয় উদ্যানে প্রায় ৩ শতাধিক প্রানীর অভয়াশ্রয় গড়ে উঠেছে। এসব প্রানীই মুলতঃ বন জঙ্গলে ভরপুর সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের সৌন্দয্যকে বাচিয়ে রেখেছে। কিন্তু নানা কারনে ২০ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হতে চলেছে। বিলুপ্ত প্রায় এসব প্রানীদেরকে বাচিয়ে রাখার জন্য দাবী জানিয়েছেন এখানে  আসা পর্যটক সহ সাধারন মানুষ।

 

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে বর্তমানে উল্লেখযোগ্য প্রানীদের মধ্যে রয়েছে ১৪৯ প্রজাতির পাখি, ২৪ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ১৮  প্রজাতির সরিসৃপ প্রাণী সাথে রয়েছে চিতা বাঘ, মেছো বাঘ, লজ্জাবতি বানর, মায়া হরিণ, উলুক, ময়না পাখি, ঘুঘু পাখি, টিয়া পাখি, ঈগল পাখি।

 

সাতছড়ি জাতীয়  উদ্যানে কর্মরত বন কর্মকতারা জানান, ওই উদ্যান প্রায় ৩শতাধিক বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম রয়েছে।

 

বন্য প্রাণী বিলুপ্ত হওয়ার কারণ সম্পর্কে সাতছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা বলেন, জাতীয় উদ্যানের পাশের বিভিন্ন চা বাগান গুলোতে ক্ষতিকর কীটনাশক ও ওষুধ প্রয়োগ এবং
বন্যপ্রাণী সংরক্ষনে নিরাপদ অভয়াশ্রম না থাকায় এসব বন্যপ্রাণী বিলুপ্ত হওয়ার অন্যতম কারণ। এছাড়া শীতকালে সাতছড়ির ৭টি ছড়ার সব ক’টিই শুকিয়ে চৌচির হয়ে যায়। ফলে বন্যপ্রাণীরা পানির তৃষ্ণায় দিক-বিদিক ছুটাছুটি করে। কখনও কখনও ওইসব গ্রামাঞ্চলে গিয়ে পুকুরে পানির তৃষ্ণা নিবারণ করতে গেলে এসব প্রাণী মানুষের কাছে ধরা পড়ে  যায়।

 

সিলেট বিভাগে যে কয়টি জাতীয় উদ্যান রয়েছে এদের মধ্যে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান অন্যতম। ২ শত ৩৪ হেক্টর সীমানা নিয়ে সাতছড়ি। এর পূর্ব নাম ছিল রঘুনন্দন হিল রির্জাভ ফরেষ্ট। ১৯৭৪ সালের বন্য প্রানী সংরক্ষণ/সংশোধন আইন অনুযায়ী ২০০৫ সালে সাতছড়িকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষনা করা হয়। পুরো সাতছড়িই যেন সবুজে সমারোহ।