#  আজমিরীগঞ্জে বৃদ্ধ পিতাকে সিলেটে নিয়ে জবাই করে হত্যা #  চুনারুঘাটে ৩ হাজার পিস ভারতীয় কলগেট জব্ধ #  সিলেটে শুরু হচ্ছে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা #  সুনামগঞ্জে বিজিবি-বিএসএফ’র বৈঠক #  বাহুবলে করাঙ্গী নদী বাচাঁও কমিটি গঠন #  বানিয়াচংয়ে হাম রুবেলা ক্যাম্পেইন বর্জন #  বাহুবলে মাটিবাহি ট্রাক্টর, শিক্ষার্থীসহ ৮ গ্রামবাসীর দুর্ভোগ #  নারীদের সংসারে বিনা যুুদ্ধে জয় লাভ করতে হবে: হবিগঞ্জের এসপি #  শায়েস্তাগঞ্জে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত #  বাহুবলে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে যুবকের মৃত্যু #  মাধবপুরে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বরণ #  খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন গ্রহণ, শুনানি রোববার #  চুনারুঘাটে ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার #  ৩ শতাধিক প্রাণীর অভয়াশ্রয় সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান #  বাহুবলের করাঙ্গী নদীতে ফেলা হচ্ছে কেমিক্যাল মিশ্রিত বর্জ্য

সিলেটে থেকেও চুনারুঘাটের ধর্ষণ মামলার আসামী বানিয়াচংয়ের ফজলু

টিপু সুলতান জাহাঙ্গীর: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়িতে কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে পাঁচ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় সিলেটে বসবাসরত ফজলুর রহমানকে করা হয়েছে তিন নাম্বার আসামী।

 

ঘটনার দিন মামলার আসামী ফজলুর রহমান সিলেটের একটি ফুড ফ্যাক্টরীতে কর্মরত ছিল। ওই মামলার আসামী ছিনেনা মামলার বাদী ও অন্যান্য আসামীদের। বাদী তথা অন্য আসামীদের সাথে নেই তার কোন কল রেকর্ড।

 

মামলায় উল্লেখ করা হয়, গত ৭ জানুয়ারী মঙ্গলবার বিকাল তিনটায় সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ধর্ষণ করা হয় এক কলেজ ছাত্রীকে। মামলার প্রথম আসামী শামীম আহদ মামুন সহ আরো ৫ জন তাকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের কাজে সহযোগিতা করেছে বলে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

 

পর দিন বুধবার হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলাটি দায়ের করেন হবিগঞ্জ পৌরসভার রাজনগর এলাকার ফেরদৌস মিয়ার কলেজ পড়ুয়া মেয়ে।

 

ওই মামলায় বানিয়াচং উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হান্নানের ছেলে ফজলুর রহমান (২৪)কেও তিন নাম্বার আসামী করা হয়েছে। অথচ ওই দিন ফজলুর রহমান তার কর্মস্থল সিলেটের সোনার বাংলা ফুড প্রোডাক্টে ডিউটি করছিল।

 

ফজলুর রহমান জানান, তিনি ওই দিন ঘটনাস্থলে থাকা দূরের কথা হবিগঞ্জেই ছিলেন না, তার কর্মস্থল সিলেটে অবস্থান করছিলেন।

 

তিনি বলেন, বাদী ও মামলার অন্যান্য আসামীদের তিনি ছিনেন না। তাদের সাথে তার কোন কল রেকর্ডও নেই। তাদের সাথে তার কোন দিন দেখাও হয়নি।

 

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, ওই দিন ওই এলাকায় কোন ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি। সাতছড়ি এলাকার ব্যবসায়ীরাও এ বিষয়ে কিছু জানেনা।

 

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান এলাকার ব্যবসায়ী রমেশ জানায়, মঙ্গলবার সারাদিনই দোকনে ছিলাম, ধর্ষনের কোন খবর পাইনি। শুনিনি কোন হাল্লা চিৎকার।

 

সাতছড়িতে কর্মরত সিকিউরিটি গার্ড বাবুল জানান, মঙ্গলবার বেলা একটা থেকে তিনি রাত ৭টা পর্যন্ত ডিউিটিতে ছিলেন। সেদিন ধর্ষনের কোন ঘটনা তিনি শুনেননি। মামলায় ঘটনাস্থলে থাকা কাউকে স্বাক্ষী হিসাবে দেয়া হয়নি। দেয়া হয়েছে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার ও ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করা ওই মামলার বাদীর আত্নীয় স্বজনকে।

 

মামলার বাদী প্রথমে চুনারুঘাট থানায় মামলা করতে গেলেও রহস্য জনক কারনে থানায় মামলা গ্রহন করেনি। পরে আদালতে মামলা দায়ের করেন তিনি।

 

অপর একটি সূত্র জানায়, হবিগঞ্জে একটি চক্র রয়েছে এই ধরনের মামলা সাজিয়ে আসামীদের নাম ডুকিয়ে দিয়ে বাণিজ্য করছে। ওই মামলায় নাম দিতে হলেই তারা টাকা হাতিয়ে নেয় ৩০ থেকে ৫০ হাজার। ওই সমস্ত মামলাবাজদেরকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী এলাকাবাসীর।