Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  চুনারুঘাটে করোনা উপসর্গ নিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু: ২৪২টি পরিবারের চলাচলা সীমিত ও বাজার বন্ধ #  মাধবপুরে বন্য শুয়োরের আক্রমনে আহত ১০ #  নবীগঞ্জ ভয়াবহ অগ্নিকান্ড দুই বসতঘর পুড়ে ছাই #  মাধবপুরে স্কুল ছাত্রীর গোসলের দৃশ্য ধারনের প্রতিবাদ করায় বাড়ি ঘরে হামলা, আহত ৮ #  জনশূণ্য নবীগঞ্জ: বিপাকে খেটে খাওয়া শ্রমজীবি মানুষ #  হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজারের সাবেক এমপি হুসনে আরা ওয়াহিদ আর নেই #  নবীগঞ্জে ডাক্তার না পেয়ে বিপাকে রোগীরা #  করোনায় আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ৪ জনের মৃত্যু #  করোনা কেড়ে নিল দুদক পরিচালকের প্রাণ #  করোনারোগী বহন করায় বাহুবলের ট্রাক চালক ও হেলপার আইসোলেশনে #  হবিগঞ্জে যত্রতত্র ঘোরাফেরা না করার আহব্বান জেলা প্রশাসকের #  বাহুবলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন মেম্বার শামীম #  সিলেটে করোনা আক্রান্ত প্রথম রোগী একজন চিকিৎসক #  সিলেটে স্বামীকে ভিডিওকলে রেখে স্ত্রীর আত্মহত্যা #  শ্রীলংকার চেয়েও এগিয়ে বাংলাদেশ!

সিলেটে থেকেও চুনারুঘাটের ধর্ষণ মামলার আসামী বানিয়াচংয়ের ফজলু

টিপু সুলতান জাহাঙ্গীর: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়িতে কলেজ ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে পাঁচ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় সিলেটে বসবাসরত ফজলুর রহমানকে করা হয়েছে তিন নাম্বার আসামী।

 

ঘটনার দিন মামলার আসামী ফজলুর রহমান সিলেটের একটি ফুড ফ্যাক্টরীতে কর্মরত ছিল। ওই মামলার আসামী ছিনেনা মামলার বাদী ও অন্যান্য আসামীদের। বাদী তথা অন্য আসামীদের সাথে নেই তার কোন কল রেকর্ড।

 

মামলায় উল্লেখ করা হয়, গত ৭ জানুয়ারী মঙ্গলবার বিকাল তিনটায় সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে ধর্ষণ করা হয় এক কলেজ ছাত্রীকে। মামলার প্রথম আসামী শামীম আহদ মামুন সহ আরো ৫ জন তাকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের কাজে সহযোগিতা করেছে বলে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

 

পর দিন বুধবার হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলাটি দায়ের করেন হবিগঞ্জ পৌরসভার রাজনগর এলাকার ফেরদৌস মিয়ার কলেজ পড়ুয়া মেয়ে।

 

ওই মামলায় বানিয়াচং উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হান্নানের ছেলে ফজলুর রহমান (২৪)কেও তিন নাম্বার আসামী করা হয়েছে। অথচ ওই দিন ফজলুর রহমান তার কর্মস্থল সিলেটের সোনার বাংলা ফুড প্রোডাক্টে ডিউটি করছিল।

 

ফজলুর রহমান জানান, তিনি ওই দিন ঘটনাস্থলে থাকা দূরের কথা হবিগঞ্জেই ছিলেন না, তার কর্মস্থল সিলেটে অবস্থান করছিলেন।

 

তিনি বলেন, বাদী ও মামলার অন্যান্য আসামীদের তিনি ছিনেন না। তাদের সাথে তার কোন কল রেকর্ডও নেই। তাদের সাথে তার কোন দিন দেখাও হয়নি।

 

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, ওই দিন ওই এলাকায় কোন ধর্ষণের ঘটনা ঘটেনি। সাতছড়ি এলাকার ব্যবসায়ীরাও এ বিষয়ে কিছু জানেনা।

 

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান এলাকার ব্যবসায়ী রমেশ জানায়, মঙ্গলবার সারাদিনই দোকনে ছিলাম, ধর্ষনের কোন খবর পাইনি। শুনিনি কোন হাল্লা চিৎকার।

 

সাতছড়িতে কর্মরত সিকিউরিটি গার্ড বাবুল জানান, মঙ্গলবার বেলা একটা থেকে তিনি রাত ৭টা পর্যন্ত ডিউিটিতে ছিলেন। সেদিন ধর্ষনের কোন ঘটনা তিনি শুনেননি। মামলায় ঘটনাস্থলে থাকা কাউকে স্বাক্ষী হিসাবে দেয়া হয়নি। দেয়া হয়েছে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার ও ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করা ওই মামলার বাদীর আত্নীয় স্বজনকে।

 

মামলার বাদী প্রথমে চুনারুঘাট থানায় মামলা করতে গেলেও রহস্য জনক কারনে থানায় মামলা গ্রহন করেনি। পরে আদালতে মামলা দায়ের করেন তিনি।

 

অপর একটি সূত্র জানায়, হবিগঞ্জে একটি চক্র রয়েছে এই ধরনের মামলা সাজিয়ে আসামীদের নাম ডুকিয়ে দিয়ে বাণিজ্য করছে। ওই মামলায় নাম দিতে হলেই তারা টাকা হাতিয়ে নেয় ৩০ থেকে ৫০ হাজার। ওই সমস্ত মামলাবাজদেরকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী এলাকাবাসীর।