Category Archives: সিলেট বিভাগ

নবীগঞ্জে ভুয়া স্বামী-স্ত্রী আটক

জাবেদ ইকবাল তালুকদার, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) : হবিগঞ্জ শহরের রাজনগর এলাকা থেকে ভুয়া স্বামী-স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ সোপর্দ করা হয়েছে।

 

আটককৃত ভুয়া স্বামী-স্ত্রী হল, রাজনগর এলাকার ফুল মিয়ার পুত্র আব্দুজ জহির ওরফে সজিব (২৮) ও সদর উপজেলার ধল গ্রামের জসিম উদ্দিনের কন্যা সুমনা আক্তার (২০)।

 

স্থানীয়রা জানান, গত শুক্রবার রাতে ওই দুইজন একটি বাসায় আমোদ ফুর্তিতে লিপ্ত হয়। এ সময় স্থানীয় লোকজন আটক করে। তারা এ সময় নিজেদের স্বামী-স্ত্রী দাবি করে। কিন্তু তারা কোন প্রমাণ দেখাতে না পারায় পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরে পুলিশ তাদেরকে ৩৪ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করে।

শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসিসহ ৫ পুলিশ ক্লোজড

নিজস্ব প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ: অবৈধ লেনদেনের অভিযোগে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হোসেনসহ ৫ পুলিশ সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে।

 

শনিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আনোয়ার হোসেন।

 

তিনি জানান- গত ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের স্কয়ায়ের সামন থেকে আরএফএল বেস্ট বাই’য়ের ম্যানেজার লুৎফুর রহমান তার এক কাস্টমারের মোটরসাইকেল করে ওলিপুর আসছিলেন। এ সময় শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ মোটরসাইকেলটি আটক করে কাগজপত্র দেখতে চায়।

 

কিন্তু চালক কাগজপত্র বাড়িতে রয়েছে জানালে আরএফএল বেস্ট বাইয়ের ম্যানেজার লুৎফুর রহমানের জিম্মায় মোটরসাইকেলটি রেখে চালক বাড়ি থেকে কাগজপত্র আনতে যান। কিন্তু তিনি আর কাগজপত্র নিয়ে না আসায় পুলিশ লুৎফুর রহমানকে থানায় নিয়ে যায়। পরে তাকে হাজতে আটকিয়ে সাড়ে ২৮ হাজার টাকা দাবি করেন শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মোজাম্মেল হোসেন।

 

অন্যতায় তাকে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মামলা দায়ের হুমকি প্রদান করা হয়। এক পর্যায়ে পুলিশের দাবি করা সাড়ে ২৮ হাজার টাকা দিয়ে রাতে থানা থেকে মুক্তি পান লুৎফুর রহমান।

 

এ ঘটনায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর লুৎফুর রহমান হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার একটি কমিটি গঠন করে তদন্ত শুরু করেন। এতে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ওসি মোজাম্মেল হোসেন, সদরের এক সাব ইন্সপেক্টর ও ৩ কনস্টেবলকে ক্লোজড করা হয়।

 

এ ব্যাপারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন।

 

হবিগঞ্জে জেলা উপজেলা সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ সুপারের পরামর্শ সভা

নুর উদ্দিন সুমন, হবিগঞ্জ :  হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার বলেছেন, সাংবাদিকরা সমাজ ও জাতির দর্পণ। সাংবাদিকরাই পারে লেখনী শক্তি দিয়ে সমাজকে মাদকমুক্ত ও অপরাধ মুক্ত করতে। যে কোন অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য উদঘাটন করতে এবং একটি অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পুলিশের পাশাপাশি সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম।

 

আজ (১৯ সেপ্টম্বর)  শনিবার সকাল ১১ টায় জেলা পুলিশের উদ্যোগে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় প্রাঙ্গনে সাংবাদিকদের সাথে পরামর্শ সভায়  উপরোক্ত কথা বলেন।

 

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা বলেন,  আপনাদের সঠিক তথ্যের মাধ্যমে এবং সার্বিক সহযোগীতায় আমি আজ হবিগঞ্জকে দাঙ্গা ও অপরাধ মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। যতদিন থাকব এ জেলাকে সারাদেশের মধ্যে আলোকিত জেলা হিসেবে গড়ে তুলবো।পাশাপাশি জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করে বলেন, মাদক, সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ, বাল্যবিয়ে, ইভটিজিংসহ নানা সমস্যা সমাধানে সাংবাদিকদের সাথে একযোগে কাজ করতে চান বলে জানান তিনি।

 

এতে জেলা উপজেলার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স ও অনলাইন মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন , অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন) আনোয়ার হোসেন , অতিরিক্ত পলিশ সুপার (ইনসার্ভিস) শৈলেন চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(অপরাধ)  মাহমুদুল হাসান, সদর থানার ওসি মো: মাসুক আলী, প্রেসক্লাব সভাপতি ইসমাইল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাইদুজ্জমান জাহির, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 

উল্ল্যেখ্য যে, হবিগঞ্জের  পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা  গত ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে যোগদান করেন।  তিনি হবিগঞ্জে যোগ দিয়েই পাল্টিয়ে দিতে শুরু করেন জেলার সবচেয়ে বেশি দাঙ্গা হাঙ্গামা চুরি, ডাকাতি। জেলার সমাজ ব্যবস্থাপনা ও অস্থির জনপদে শান্তির সু-বার্তা। মানুষের অন্তরে জমে থাকা বিরূপ মন্তব্য আর কালো দাগ এবং ভয়কে জয় করে শহর থেকে পাহাড়ি এলাকার দুর্গমঞ্চল পর্যন্তও ছড়িয়ে পড়েছে তার প্রশংসা।

 

দায়িত্বপালন কালে তিনি যেমন পুলিশের আইনী সেবা মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছানোর মাধ্যমে হবিগঞ্জে ইতিবাচক আইনি সু-শাসন প্রতিষ্ঠার ইতিহাস গড়েছেন। সমানতালে চলছে তার পুলিশি সুফল কর্মকান্ডও। তিনি ইদানিং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামূলক আচরণের  ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।

 

তিনি  জেলায় দায়িত্ব গ্রহণের  পর আইনশৃখলায় পরিবর্তনের পাশাপাশি জেলা পুলিশের   উন্নয় অবকাঠামোসহ আইন সৃংখলা ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। পুলিশ সুপার  মোহাম্মদ উল্ল্যার নিজ উদ্যোগের প্রশংসনীয় কর্মকান্ডের উল্লেখ যোগ্য কয়েকটি ধাপ এর মধ্যে হল- দাঙ্গা, ইভটিজিং রোধকল্পে ও মাদক নিয়ন্ত্রণ চলচ্চিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধিকল্পে চলচিত্র প্রদর্শন।

 

* দাঙ্গা ইভটিজিং রোধকল্পে ও মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনা।

 

* দাঙ্গা ইভটিজিং রোধকল্পে ও মাদক নিয়ন্ত্রণে রচনা প্রতিযোগিতা শেষে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিশেষ স্লোগান সংবলিত খাতা বিতরণ।

 

* দাঙ্গা রোধকল্পে লিফলেট ফেস্টুন বিতরণ ও বিভিন্ন জায়গায় দেয়াল লিখন।

 

* দাঙ্গা রোধকল্পে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত স্টিকার লাগানো।

 

* বাল্যবিবাহ রোধ, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, পুলিশের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন ও আইন সহায়তা সহজতর করার লক্ষ্যে মা’ সমাবেশের ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

* অপমৃত্যু রোধকল্পে বিট পুলিশিং এর মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মতবিনিময়।

 

* অপরাধ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয় জনগণের নিকট হতে সেচ্ছায় দেশীয় অস্ত্র জমা দেওয়ার কর্মসূচির অনুষ্ঠান সফল করেন।

 

* থানা, সার্কেল অফিস সহ মামলার পরিমাণ হ্রাস এবং জনগণের হয়রানি কমানোর জন্য বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা।

 

* পুলিশ সুপারের সহিত থানা পর্যায়ের সকল অফিসারদের মামলা তদন্তসহ অন্যান্য বিষয়ে মতবিনিময় এর জন্য নিয়মিত প্রতি থানায় সার্কেলে অনুষ্ঠান।

 

* ঐতিহ্যবাহী চাঁপাইনবাবগঞ্জের গম্ভীরা হবিগঞ্জের আঞ্চলিক ভাষায় জনসচেতনতার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে। ৫ শতাধিক  শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, ইভটিজিং রোধ এর বিষয় নিয়ে প্রতিযোগিতা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে ক্রেস্ট প্রদান । শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী দুই ভাইয়ের মধ্যে স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য গাভী বিতরণ।

 

গরীব অসহায় এবং মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের নগদ অর্থ সহ বই খাতা বিতরণ । এমনকি করোনাকালীন সময়ে সদর হাসপাতালের ডাক্তারদের প্রটেকশনের জন্য বিশেষ বোথ স্থাপন। করোনায় আক্রান্ত পুলিশ সদস্য ডাক্তার সরকারি কর্মকর্তা অন্যান্যদের মধ্যে ফলমূল বিতরণ।

হবিগঞ্জ জেলার পুলিশ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান ও পুলিশ মুক্তিযুদ্ধাদের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে গল্প বীরগাথা রচনা ও প্রকাশনা।এছাড়া করুণা কালীন

কমলগঞ্জে টমেটো চাষীদের সাথে মতবিনিময় সভা

পিন্টু দেবনাথ, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) :মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের পাত্রখোলা চা বাগানে আধুনিক প্রযুক্তিতে (গ্রাফটিং) টমেটো ও অন্যান্য সবজি চাষকারী সফলকৃষকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কমলগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের আয়োজনে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক, কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি এম. মোসাদ্দেক আহমেদ মানিক।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত কৃষকরা বলেন, কমলগঞ্জে প্রচুর সবজি চাষ হয়ে থাকে।

এলাকার চাহিদা মিটেয়ে চাষীরা অন্যত্র জেলায় সরবরাহ করে থাকেন। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকারী ব্যবসায়ীরাও এসে কমলগঞ্জ থেকে সবজি নিয়ে থাকেন। বর্তমান করোনা কাল কৃষকদের জন্য বড়ই ক্রান্তিকাল। তাই সহজ শর্তে সরকারি ভাবে ঋণ দিয়ে অথবা সরকারের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা কৃষকরা যাতে পায় সে দিকে নজর রাখার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানানো হয়।

জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান বলেন, বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। কৃষকদের উন্নয়নে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ দিয়েছেন কৃষকদের কোন জায়গা যাতে খালি না থাকে। সবজি অথবা গাছ লাগাতে হবে। যেহেতু মৌলভীবাজার জেলার মধ্যে কমলগঞ্জ উপজেলায় সবজি চাষ বেশি হয়। সে কারণে সরকারের পক্ষ থেকে হিমাগার করার চিন্তা ভাবনা রয়েছে।

মতবিনিময় সভা শেষে জেলা প্রশাসক কৃষকদের ফলিত সবজি চাষ পরিদর্শন করেন।

পুলিশি বাধায় জকিগঞ্জ যুবদল: ফেসবুকে ভাইরাল হবিগঞ্জ জেলা যুবদল সভাপতি

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুলিশি বাধার মুখে সিলেটের জকিগঞ্জে যুবদলের প্রতিনিধি সভা শেষ হয়েছে। সামনে থেকে পুলিশের তিন দফা বাধা উপেক্ষা করে সভা করে এ প্রতিনিধি সভা করে যুবদল। সেখানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত হয়েছিলেন হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের সভাপতি মিয়া মো. ইলিয়াস।

আজ শনিবার উপজেলার রতনগঞ্জ বাজারে এ সভা অনুষ্টিত হয়। পুলিশের বাধার মুখে হুঙ্কার দিয়ে এগিয়ে যান হবিগঞ্জ জেলা যুবদল সভাপতি। এ বিষয়টি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

হবিগঞ্জ জেলা যুবদল সভাপতির ছবি দিয়ে Sharfin Chowdhury Reaz লিখেন, সিলেটের জকিগঞ্জে যুবদলের কর্মীসভায় পুলিশী বাধার প্রাক্কালে সিলেট বিভাগীয় যুব রাজনীতির কিং মিয়া মোঃ ইলিয়াছ।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল সিলেট জেলার জকিগঞ্জে যুবদলের এক কর্মী সভায় আওয়ামী পেটুয়া পুলিশের বাধার সম্মুখীন হলে গর্জে উঠেন যুবদল কেন্দ্রীয় সহ সাধারণ সম্পাদক, হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের সুযোগ্য সভাপতি, নন্দিত জননেতা- মিয়া মোঃ ইলিয়াছ। অতিউৎসাহী পুলিশের উদ্দেশ্যে হুংকার ছুঁড়ে মিয়া মোঃ ইলিয়াছ বলেন, বিএনপি এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। এদেশে বিএনপি কোন নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল নয়। বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের দল বিএনপির সমর্থন ও জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি ভোটারবিহীন অবৈধ সরকারের নির্দেশিত তাবেদার হয়ে আপনারা যে দমনপীড়ন চালাচ্ছেন আপনাদেরকেও স্মরণ রাখতে হবে যাদের প্ররোচনায় আপনারা অতিউৎসাহী হয়ে আমাদের গনতান্ত্রিক অধিকার হরণ করার অপচেষ্টা করছেন তারাই এদেশের শেষ সরকার নয়। পৃথিবীর ইতিহাসে কোন অবৈধ স্বৈরশাসক চিরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার নজির নেই। এই ভোটারবিহীন অবৈধ সরকারও টিকে থাকতে পারবেনা। সামনে এমন দিন আসছে এই অবৈধ শেখ হাসিনার অনির্বাচিত স্বৈরাচারী সরকার পালাবার পথ খুঁজে পাবেনা। এজন্য অবশ্যই আপনাদেরকে জনগনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।আমরা ভানের জলে ভেসে আসিনি। তাই প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসাবে জনগণের পাশে দাঁড়ান। রাষ্ট্রের মালিক জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা থেকে বিরত থাকুন।

জানা গেছে, সিলেটের বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর যুবদলের প্রতিনিধি সভা চলছিলো বেশ কিছু দিন ধরে। এ লক্ষ্যে আজ শনিবার জকিগঞ্জ উপজেলা ও পৌর শাখার প্রতিনিধি সভার আয়োজন করা হয়েছিল স্থানীয় রতনগঞ্জ বাজারের একটি হলে। কেন্দ্রীয় ও সিলেট জেলা যুবদলের নেতারা বেলা ২ টার দিকে সেখানে পৌছে প্রথমে আল্লামা ফুলতলী(র. ) কবর জিয়ারত করেন। সেখান থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা রতনগঞ্জ বাজারের দিকে রওয়ানা দিলে পুলিশ প্রথম দফায় বাধা দেয়। নেতাকর্মীরা বাধা উপেক্ষা করে রতনগঞ্জ বাজারের অভিমুখে রওয়ানা হলে আবারো পুলিশ বাধা প্রদক্ষিণ করে। একপর্যায়ে যুবলদের নেতারা সভার স্থল স্থানীয় চেরাগ আলী মার্কেটের হলে অবস্থান নেয়া শুরু করলে তৃতীয় দফা পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন দলের নেতাকর্মীরা।

অবশেষে বিকেল সাড়ে ৩ টায় সভার স্থলে প্রবেশ করে এক সংক্ষিপ্ত সভা করেছে যুবদল। জেলা যুবদলের আহবায়ক সিদ্দিকুর রহমান পাপলুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মকসুদ আহমদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সভাপতি আনছার উদ্দিন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা যুবলদলের সভাপতি মিয়া মো. ইলয়াস।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন- জেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য এড, মোমিনুল ইসলাম মোমিন, মহানগরের সদস্য আনোয়ার হোসেন মানিক, জেলা সদস্য আশরাফ উদ্দিন ফরহাদ, আখতার আহমদ, তোফাজ্জল হোসেন বেলাল, এডভোকেট সাঈদ আহমদ, সাহেদ আহমদ চমন , ময়নুল ইসলাম মঞ্জু, কবির উদ্দিন, মিজানুর রহমান নেছার, লিটন আহমদ, অলি চৌধুরী, কয়েছ আহমদ, অলি উর রহমান, ফখরুল ইসলাম রুমেল, জুনেদ আহমদ, মাহফুজ চৌধুরী, জি এম বাপ্পি ,আলী আহমদ আলম, মকসুদল করিম নুহেল, মতিউর রহমান আফজল , মাসুক আহমদ, যুবদল নেতা আমিনুর রহমান আমিন, লাহিন আহমদ, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন জকিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মাসুক উদ্দিন, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি কাউন্সিলর রিপন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুশ শাকুর।

এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে জকিগঞ্জ থানার ওসি মীর মো. আব্দুন নাসেরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

জকিগঞ্জে পুলিশি বাধা অতিক্রম করে সভা করলো যুবদল

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুলিশি বাধার মুখে সিলেটের জকিগঞ্জে যুবদলের প্রতিনিধি সভা শেষ হয়েছে। তিন দফা বাধার পর সংক্ষিপ্ত সভা করে এ প্রতিনিধি সভা শেষ করেছেন দলের কেন্দ্রীয় ও জেলা শাখার নেতারা। আজ শনিবার উপজেলার রতনগঞ্জ বাজারে এ সভা অনুষ্টিত হয়।

জানা গেছে, সিলেটের বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর যুবদলের প্রতিনিধি সভা চলছিলো বেশ কিছু দিন ধরে। এ লক্ষ্যে আজ শনিবার জকিগঞ্জ উপজেলা ও পৌর শাখার প্রতিনিধি সভার আয়োজন করা হয়েছিল স্থানীয় রতনগঞ্জ বাজারের একটি হলে। কেন্দ্রীয় ও সিলেট জেলা যুবদলের নেতারা বেলা ২ টার দিকে সেখানে পৌছে প্রথমে আল্লামা ফুলতলী(র. ) কবর জিয়ারত করেন। সেখান থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা রতনগঞ্জ বাজারের দিকে রওয়ানা দিলে পুলিশ প্রথম দফায় বাধা দেয়। নেতাকর্মীরা বাধা উপেক্ষা করে রতনগঞ্জ বাজারের অভিমুখে রওয়ানা হলে আবারো পুলিশ বাধা প্রদক্ষিণ করে। একপর্যায়ে যুবলদের নেতারা সভার স্থল স্থানীয় চেরাগ আলী মার্কেটের হলে অবস্থান নেয়া শুরু করলে তৃতীয় দফা পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন দলের নেতাকর্মীরা।

অবশেষে বিকেল সাড়ে ৩ টায় সভার স্থলে প্রবেশ করে এক সংক্ষিপ্ত সভা করেছে যুবদল। জেলা যুবদলের আহবায়ক সিদ্দিকুর রহমান পাপলুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মকসুদ আহমদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সভাপতি আনছার উদ্দিন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও হবিগঞ্জ জেলা যুবলদলের সভাপতি মিয়া মো. ইলয়াস।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন- জেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য এড, মোমিনুল ইসলাম মোমিন, মহানগরের সদস্য আনোয়ার হোসেন মানিক, জেলা সদস্য আশরাফ উদ্দিন ফরহাদ, আখতার আহমদ, তোফাজ্জল হোসেন বেলাল, এডভোকেট সাঈদ আহমদ, সাহেদ আহমদ চমন , ময়নুল ইসলাম মঞ্জু, কবির উদ্দিন, মিজানুর রহমান নেছার, লিটন আহমদ, অলি চৌধুরী, কয়েছ আহমদ, অলি উর রহমান, ফখরুল ইসলাম রুমেল, জুনেদ আহমদ, মাহফুজ চৌধুরী, জি এম বাপ্পি ,আলী আহমদ আলম, মকসুদল করিম নুহেল, মতিউর রহমান আফজল , মাসুক আহমদ, যুবদল নেতা আমিনুর রহমান আমিন, লাহিন আহমদ, রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন জকিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মাসুক উদ্দিন, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি কাউন্সিলর রিপন আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুশ শাকুর।

এ ব্যাপারে বক্তব্য নিতে জকিগঞ্জ থানার ওসি মীর মো. আব্দুন নাসেরের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শ্রীকুটা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হলেন আফজাল

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি : চুনারুঘাট উপজেলার শ্রীকুটা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেলেন আফজাল আহমেদ চৌধুরী। এর আগে তিনি উপজেলার গনেশপুর আলহাজ্ব মোজাফফর উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক এম.এ. আওয়াল রিটায়ার্ড করলে পদটি শূণ্য হয়ে পড়ে। বেশ কিছুদিন পর নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আফজাল আহমেদ চৌধুরী নিয়োগ লাভ করেন।

তিনি উপজেলার রানীগাঁও (চৌধুরীগাঁও) গ্রামের সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সচিব মহুরম আব্দুস সোবহান চৌধুরীর ছোট ছেলে। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এ এবং এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে বি.এড ডিগ্রি অর্জন করেন।

আফজাল আহমেদ চৌধুরী বলেন- “আমার ছোটবেলার স্বপ্ন ছিল, আমি মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষক হব। স্বপ্ন পূরণ করতে গিয়ে শিক্ষক হয়েছি। কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছি। আমার বাবা-মা বেঁচে নেই। যদি বেঁচে থাকতেন, তারা খুবই খুশি হতেন।”

তিনি আরো বলেন- “ইনশাআল্লাহ মানসম্মত শিক্ষাদানের মাধ্যমে শ্রীকুটা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠানকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিতে যথাযথ পদক্ষেপ নেব। আমি অর্পিত দায়িত্ব পালনে সকলের নিকট দোয়া প্রার্থী।”

প্রসঙ্গত, উক্ত পদে নিয়োগ পরিক্ষায় ১০জন শিক্ষক অংশগ্রহন করেছেন।

জমে উঠেছে পুটিজুরী ইউনিয়ন বিএনপি’র কাউন্সিল

এফ আর হারিছ, বাহুবল (হবিগঞ্জ): দীর্ঘদিন পর ডানা মেলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। সভাপতি ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪ প্রার্থী। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে।

আগামি ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বাহুবল উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কাউন্সিলকে ঘিরে শুরু হয়েছে এক উৎসব মূখর পরিবেশ। দীর্ঘদিন নীরব থাকার পর এবার কাউন্সিলকে ঘিরে ডানা মেলে সরব হয়েছে পুটিজুরী ইউনিয়ন বিএনপি।

এবার কাউন্সিলে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি’র প্রবীন নেতা ডাঃ মোশাহিদ হোসেন ফুল মিয়া ও যুবদলের সাবেক সভাপতি খন্দকার আমজাদ হোসেন হারিছ।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পুটিজুরী বাজারের বিশিষ্টি ব্যাবসায়ি মোঃ সামছুল ইসলাম ও মঞ্জুর আলী।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হাবিবুর রহমান তালুকদার মামুন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এ নির্বাচনকে ঘিরে ইউনিয়নের হাটে – বাজারে, চায়ের স্টলের আড্ডায় প্রার্থীদের যোগ্যতা বিশ্লেষন করছেন সাধারণ ভোটারগণ।

দীর্ঘদিন পর প্রত্যেক্ষ ভোটে নেতা নির্বাচন করবেন সাধারন ভোটার। এ কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে পুটিজুরী ইউনিয়নের সর্বত্র সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা বিরাজ করছে।

মৌলভীবাজারে সাংবাদিক রাধিক মোহন গোস্বামী স্মৃতি পদক ২০২০ প্রদান

পিন্টু দেবনাথ, কমলগঞ্জ ( মৌলভীবাজার): মৌলভীবাজারের সাংবাদিক রাধিকা মোহন গোস্বামী স্মরনে প্রদান করা হয়েছে রাধিকা মোহন গোস্বামী স্মৃতিপদক ২০২০।

শনিবার ( ১৯ সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব ভবনে এ পদক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য নেছার আহমদ।

অনুষ্ঠানে প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রথম স্থান অধিকিারী প্রথম আলো কমলগঞ্জ প্রতিনিধি মুজিবুর রহমান রঞ্জু ও ইলেক্টনিক মিডিয়ায় প্রথম হওয়া এটিএন বাংলা সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি শাহ মুজিবুর রহমান জকন এর হাতে তুলে দেয়া হয় পদক, ক্রেষ্ট, সার্টিফিকেট ও নগদ অর্থ।

ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া জার্নালিষ্ট (ইমজা) মৌলভীবাজার এর সহযোগীতায় এবং রাধিকা মোহন স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহনকারী আরো ১৫ জনকে পুরস্কার ও সার্টিফিকেট ও প্রতিযোগীতার বিচারক মন্ডলীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

ইমজা সভাপতি শাহ অলিদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার ফারুক আহমদ, প্রতিযোগীতার বিচারক লিয়াকত শাহ ফরিদী, ডা: রস রঞ্জন গোস্বামী ও মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি ইয়াছিনুল হক।

প্রতিযোগীতায় বিচারক ছিলেন রাজশাহী বিশ্ব বিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রদীপ কুমার পান্ডে, একাত্তর টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক পলাশ আহসান, ষাটের দশকের প্রবীণ সাংবাদিক সৈয়দ নেসার আহমদ, সিলেটর প্রবীণ সাংবাদিক আল আজাদ, অধ্যক্ষ লিয়াকত শাহ ফরিদী ও প্রথম আলো মৌলভীবাজার প্রতিনিধি আকমল হোসেন নিপু।

অনুষ্ঠানে প্রয়াত রাধিকা মোহন গোস্বামীর জীবনী পাঠ করেন ইমজার যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আফরোজ আহমদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ইমজার নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক বকশি মিজবা উর রহমান, মৌলভীবাজার প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক পান্না দত্ত ও রাধিকা মোহন গোস্বামীর পুত্র অধ্যাপক রজত গোস্বামী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, রাধিকা স্মৃতি পদক একই সাথে দুটি ফল বহন করবে। এক দিকে এ জেলার এই গুণী মানুষকে স্মরণ করা হবে। যা এ প্রজন্ম একজন আদর্শ মানুষের কর্মকান্ড জানাতে পারবে এবং তাদের মননে রাখবে। অন্য দিকে তাঁর নামে এই পদক চালু করায় সাংবাদিকরা তাদের কাজে আরো উৎসাহী হবেন।

লাখাইয়ে করোনার উপসর্গ নিয়ে কিশোরীর মৃত্যু

লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার গুনিপুর গ্রামে করোনার উপসর্গ নিয়ে হালিমা আক্তার (১৫) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হযেছে। সে ওই গ্রামের মুক্তার হোসেনের কন্যা। জানা যায়, কয়েকদিন যাবৎ ওই কিশোরী জ্বর সর্দি কাশিতে ভুগছিল।

এরপর বৃহস্পতিবার সন্ধায় হালিমার পিতা তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল এনে ভর্তি করায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে সে মারা যায়।

এ ব্যাপারে সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার জানান, করোনার উপসর্গ নিযে মেয়েটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে সে।

চুনারুঘাটের সাতছড়িতে সিলেটী বাইকারদের ‘মিলনমেলা’

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: ‘এক বড় না দুই বড়, বাইকারদের দিল বড়’। এ শ্লোগানে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে বাইকারদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার উপজেলার সাতছড়িতে সিলেটী বাইকারদের এ বিশাল মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

সিলেট বাইকিং কমিউনিটি (এসবিসি) উদ্যোগে ও হবিগঞ্জ বাইকিং কমিউনিটির পরিচালনায় এতে উপস্থিত ছিল- আর.টি.আর. রাইডার্স সিলেট, কে.পি.আর রাইডার্স, কোশিয়ারা বাইকিং কমিউনিটি, শ্রীমঙ্গল বাইক রাইডার্স, জুড়ি বাইক রাইডার্স, জৈন্ত রাইডার্স, মৌলভীবাজার বাইকার ক্লাব, চুনারুঘাট বাইক রাইডার্স, ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব হবিগঞ্জ ও ঢাকা, কুমিল্লার বাইক রাইডার্সসহ অসংখ্য বাইক রাইডার্স।

সকল বাইকারদের একটাই প্রতিপাদ্য বিষয় হলো- ‘বাইক চালানোর সময় সবাই হেলমেট পরিধান করতে হবে এবং সেফটি গার্ড ব্যবহার করতে হবে।’

হবিগঞ্জ বাইক রাইডার্সের পক্ষ থেকে সকল বাইকিং গ্রুপের এডমিনদের এবং সিলেট বাইকিং কমিউনিটির পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সকল কার্যক্রম সমাপ্ত হয়।

লাখাই থেকে নিখোঁজ হওয়া কিশোর ঢাকায় উদ্ধার

লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের লাখাইয়ে নিখোঁজের দুই বছর পর তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মো. ওমর শরীফ (১৫) নামে এক কিশোরকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটনের যাত্রাবাড়ী থানা এলাকা থেকে লাখাই থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া ওমর শরীফ উপজেলার বামৈ পশ্চিমহাটি গ্রামের মো. আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

পুলিশ জানায়- বিগত দুই বছর আগে ওমর শরীফ নিখোঁজ হয়। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধায় পায়নি পরিবার। কিন্তু রহস্যজনক কারণে বিষয়টি নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোন জিডিও করা হয়নি। সম্প্রতি একটি মোবাইল নাম্বার থেকে ওমর শরীফের মা আয়েশা খাতুনের মোবাইলে কল আসতে থাকে। কিন্তু সে কোথায় আছে সে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলে না। একেক সময় সে একেক স্থানের পরিচয় দেয়। বিষয়টি নিয়ে নিখোঁজ ওমর শরীফের পরিবার মৌখিকভাবে লাখাই থানা পুলিশকে অবগত করে। এক পর্যায়ে বিষয়টি লাখাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজয় চন্দ্র দেব আমলে নিয়ে থানায় জিডি করার পরামর্শ দেন। জিডি করার পর থানার এএসআই (নিঃ) মো. হেমায়েত হোসেনের নেতৃত্বে লাখাই থানা পুলিশের একটি চৌকস দল মোবাইল ফোন কলের সূত্র ধরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকা মেট্রোপলিটনের যাত্রাবাড়ী থানা এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে ওই কিশোরকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ ব্যাপারে লাখাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজয় চন্দ্র দেব বলেন- ‘মূলত সে নিখোঁজ বা অপহরণ হয়েছে সেটা বলা যাবে যাবে না। ধারণা করা হচ্ছে পরিবারের সাথে অভিমান করে দুই বছর আগে ওই ছেলেটি বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। আমরা তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা তাকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছি।’

নবীগঞ্জে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেফতার!

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:  হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জে ১৩ বছর বয়সি কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবাকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বাবা আব্দুস সালামকে (৪০) গ্রেফতার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়- নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের জিয়াপুর গ্রামের সিএনজি চালক মো. আব্দুস সালাম (৪০) দীর্ঘদিন ধরে নিজ মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছেন। বিষয়টি কাউকে জানালে খুন করার হুমকিও দেয় সে। এতে ভয় পেয়ে মেয়েটি কাউকে কিছু বলেনি। সম্প্রতি ওই কিশোরী মায়ের কাছে সবকিছু বলে দেয়।
পরে গত ১৭ সেপ্টেম্বর তার স্ত্রী মোছাঃ হাছিনা বেগম (৩২) বাদী হয়ে নবীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

আজমিরীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৩৯টি দোকান

নিজস্ব প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ: হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার পাহাড়পুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ৩৯টি দোকান পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। এতে দোকানগুলোর যাবতীয় জিনিসপত্র পুড়ে প্রায় ২০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার পাহাড়পুর বাজারের ব্যবসায়ী বিষ্ণুপদ দাসের মালিকাধীন একটি জালের দোকান থেকে এই আগুনের সূত্রপাত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাহাড়পুর বাজারের ব্যবসায়ী বিষ্ণুপদ দাসের মালিকাধীন দোকানটি বন্ধ থাকায় কেউই অগ্নিকান্ডের বিষয়টি বুঝতে পারেননি। আগুন দ্রুত আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এই এলাকায় জাল ও কাপড়ের দোকান বেশি হওয়ায় মুহূর্তেই আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। স্থানীয় লোকজন পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় কেউ কাছে যেতে পারেননি।

আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় কোনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় নবীগঞ্জ ও বানিয়াচং উপজেলার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দেয়া হয়। দুর্গম হাওর এলাকার পাহাড়পুর বাজারে প্রায় ৪ ঘণ্টায়ও পৌঁছাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি। এ অবস্থায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ীরা। ছোট পাওয়ার পাম্প মেশিন লাগিয়ে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করেন। এর কিছু সময় পর নবীগঞ্জ থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে। রাত ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। আগুন নেভানো সম্ভব হলেও নিঃস্ব হয়ে যান ৩৯টি দোকানের ব্যবসায়ী। দোকান থেকে তারা কিছুই বের করতে পারেননি।

পাহাড়পুর বাজারে অগ্নিকান্ডে পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে- গোপাল দাসের জালের দোকান, শিবু দাসের ঢেউ টিনের দোকান, জগদীশ বৈষ্ণবের কাপড়ের দোকান, মনু দাসের চালের দোকান, সুবল দাসের কাপড়ের দোকান, সুকুমার দাসের কাপড়ের দোকান, বিধান দাসের কাপড়ের দোকান, বিন্দু চন্দ্র দাসের কাপড়ের দোকান, সত্যেন্দ্র দাসের মুদি দোকান, ব্রজেন্দ্র দাসের অ্যালুমিনিয়ামের দোকান, বিশ্ব দাসের মাতৃভান্ডার, হরিদাসের জনতা স্টোর, বীরেন্দ্র দাসের কারেন্ট জালের দোকান, রাতুল তালুকদারের দোকান, পৃথিশ বৈষ্ণবের মুদি দোকান, রণ বৈষ্ণবের কাপড়ের দোকান, জয়হরি দাসের কাপড়ের দোকান, কবিন্দ্র দাসের কাপড় ও জালের দোকান।

এদিকে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়েই আজমিরীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) উত্তম কুমার দাস এবং আজমিরীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত আবু হানিফ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) উত্তম কুমার দাস জানান, অগ্নিকান্ডে ৩৯টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ২০ কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রেমের টানে ভারতীয় তরুণী সুনামগঞ্জে!

নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রেমের টানে কাঁটাতারের বেঁড়া অতিক্রম করে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে এসেছেন ভারতীয় তরুণী। তিনি ভারতের আসাম প্রদেশের কামরুপ জেলার চাংসারি থানার টাপারপাথার গ্রামের মুগুর আলীর মেয়ে মঞ্জুরা বেগম (২০)।

জানা যায়, ৫ বছর আগে কথিত মামলার আসামি আব্দুস সাত্তার (২৭) বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতের আসামে পাড়ি জমান। তিনি দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের উত্তর কলাউড়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।

ভারতে যাওয়ার পর সাত্তারের সঙ্গে পরিচয় হয় ভারতীয় তরুণী মঞ্জুরা বেগমের। গড়ে উঠে প্রেমের সম্পর্ক। কিছুদিন পর সাত্তার দেশে ফিরে এলে মোবাইল, ইমো ও ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে চলে তাদের প্রেমর সম্পর্ক। দীর্ঘ ৫ বছর পর প্রেমের টানে মঞ্জুরা বেগম ছুটে এসেছেন বাংলাদেশে।

স্থানীয়রা জানান, আব্দুস সাত্তার ৫ বছর আগে তার এক বন্ধুর প্রেমসংক্রান্ত মামলায় আসামি হন। ওই মামলায় তার বন্ধু জেল খাটেন আর সাত্তার পালিয়ে যান ভারতে। পরবর্তীতে সাত্তার দেশে এসে বাহরাইনে পাড়ি জমান।

ওই সময়ও দুইজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক অব্যাহত থাকে। সম্প্রতি মঞ্জুরা বেগমের বিয়ের প্রস্তাব আসে বিভিন্ন জায়গা থেকে। মঞ্জুরা বিষয়টি সাত্তারকে জানালে সাত্তার বাংলাদেশে তার বাড়ির ঠিকানা জানিয়ে দেন। ওই ঠিকানা অনুযায়ী গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ সীমান্তে চলে আসে ভারতীয় তরুণী মঞ্জুরা বেগম।

সাত্তারের ছোটভাই ইমরান সেখান থেকে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে মঞ্জুরা বেগমের সম্মতিতে মোবাইল ফোনে বাহরাইনে অবস্থানরত সাত্তারের সঙ্গে বিয়ে সম্পন্ন হয় কিন্তু কাঁটাতারের সীমানা বাধা হয়ে দাঁড়ায় তাদের জীবনে।

বিনা পাসপোর্টে সীমান্ত পাড়ি দেয়ার দায়ে বুধবার খবর পেয়ে বিজিবি আটক করে মঞ্জুরা বেগমকে। বিজিবি মঞ্জুরার বিরুদ্ধে পাসপোর্ট ছাড়া বিনা অনুমতিতে বাংলাদেশে প্রবেশ করার কারণে মামলা দিয়ে বুধবার রাতেই দোয়ারাবাজার থানায় তাকে হস্তান্তর করে।

দোয়ারাবাজার থানার ওসি মোহাম্মদ নাজির আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিজিবি একটি মামলা দায়ের করেছে। ওই মামলার আসামি মঞ্জুরাকে বৃহস্পতিবার কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে।