Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  বিশ্বনাথের তরুণীকে গণধর্ষণ: দুলাভাই গ্রেফতার #  চুনারুঘাটে ৪ ড্রেজার মেশিন আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস #  বাহুবলের মিরপুরে কলেজের ছাত্রীকে উত্যক্ত: সহপাঠীর কারাদন্ড #  বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব: ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ড্র #  বাবার কোলেই তুহিনকে ছুরি দিয়ে গলাকেটে খুন করেন চাচা #  জকিগঞ্জে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ, আটক ১ #  দিরাইয়ে শিশু তুহিন হত্যা : বাবাসহ ৩ জন রিমান্ডে #  সুনামগঞ্জে শিশু তুহিন হত্যায় মামলা করলেন মা #  মাধবপুরে জাতীয় হাত ধোয়া দিবস পালিত #  হবিগঞ্জে ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক #  আজমিরীগঞ্জে কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার #  শায়েস্তাগঞ্জে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত নিহত #  দিরাইয়ে স্বজনদের হাতেই নিহত হয় শিশু তুহিন, আটক ৭ #  মাধবপুরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ #  ওসমানীনগরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

আন্তর্জাতিক পুরস্কার পাচ্ছেন ফজলে হাসান আবেদ

করাঙ্গীনিউজ ডেস্ক: ‘ইদান’ পুরস্কারের জন্য এ বছর মনোনীত হয়েছেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ার অ্যামেরিটাস ফজলে হাসান আবেদ। শিক্ষা উন্নয়নে যুগান্তকারী অবদান রাখায় তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার এই পুরস্কারের জন্য তার নাম ঘোষণা করে হংকংভিত্তিক ইদান প্রাইজ ফাউন্ডেশন।

গত প্রায় পাঁচ দশকে ব্র্যাকের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্কুলগুলোতে শিক্ষা নিয়েছে অন্তত ১ কোটি ২০ লাখ শিশু। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি সমন্বিত পদ্ধতিতে আনন্দময় পরিবেশে খেলাধুলার মধ্য দিয়ে পাঠদান করা হয়। একে বলা হয় প্লে-বেইজড এডুকেশন। ব্র্যাক পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল, কিশোর-কিশোরীদের জন্য বিশেষায়িত শিক্ষাকেন্দ্র এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়।

বর্তমানে বাংলাদেশ, উগান্ডা ও তানজানিয়ায় ব্র্যাকের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে মোট ৬৫৬টি প্লে-ল্যাব যেখানে প্রতিদিন নানা কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছে অন্তত ১১ হাজার ৫শ শিশু।

আগামী ডিসেম্বরে হংকং-এ ইদান প্রাইজের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হবে। সেখানে স্যার ফজলে হাসান আবেদকে একটি স্বর্ণপদক এবং পুরস্কারের অর্থমূল্য বাবদ ৩০ মিলিয়ন হংকং ডলার বা ৩৩ কোটি টাকা দেওয়া হবে। পুরস্কারের অর্থ নগদ এবং প্রকল্প তহবিল দুই ভাগে ভাগ করে দেওয়া হবে।

স্যার ফজলে হাসান আবেদ বলেন, ‘শিশুর পরিপূর্ণ বিকাশ নিশ্চিত করতে শৈশবেই অনুকূল পরিবেশে শেখার সুযোগ করে দেয়াটা জরুরি। তিন থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের জন্য খেলায় খেলায় শিক্ষালাভের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা করে থাকে ব্র্যাক। এর মধ্যে শরণার্থী শিবিরের শিশুরাও আছে যারা নানাবিধ মানসিক সমস্যা নিয়ে বড় হচ্ছে। শৈশবেই খেলাধুলা এবং হাসিখুশি থাকার পর্যাপ্ত সুযোগ দিলে তারাও সুস্থ মানুষ হিসেবে বড় হয়ে উঠতে পারবে। আমি আশা করি, বিশ্বনেতৃবৃন্দ এই বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে এর উন্নয়ন ও প্রসারে এগিয়ে আসবেন।’

ইদান প্রাইজ ফাউন্ডেশন দুটি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পুরস্কারটি দিয়ে থাকে। এর একটি হচ্ছে শিক্ষা গবেষণা, এ বছর যেটি পাচ্ছেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ। অপরটি শিক্ষা উন্নয়ন। এ বছর সেই পুরষ্কারটি পাচ্ছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কগনিটিভ ডেভেলপমেন্টাল নিউরোসায়েন্স-এর অধ্যাপক ঊষা গোস্বামী।

শিক্ষাক্ষেত্রে বিশ্বে সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এই ‘ইদান’ পুরস্কার।