Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  বিশ্বনাথের তরুণীকে গণধর্ষণ: দুলাভাই গ্রেফতার #  চুনারুঘাটে ৪ ড্রেজার মেশিন আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস #  বাহুবলের মিরপুরে কলেজের ছাত্রীকে উত্যক্ত: সহপাঠীর কারাদন্ড #  বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব: ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ড্র #  বাবার কোলেই তুহিনকে ছুরি দিয়ে গলাকেটে খুন করেন চাচা #  জকিগঞ্জে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ, আটক ১ #  দিরাইয়ে শিশু তুহিন হত্যা : বাবাসহ ৩ জন রিমান্ডে #  সুনামগঞ্জে শিশু তুহিন হত্যায় মামলা করলেন মা #  মাধবপুরে জাতীয় হাত ধোয়া দিবস পালিত #  হবিগঞ্জে ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক #  আজমিরীগঞ্জে কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার #  শায়েস্তাগঞ্জে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত নিহত #  দিরাইয়ে স্বজনদের হাতেই নিহত হয় শিশু তুহিন, আটক ৭ #  মাধবপুরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ #  ওসমানীনগরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

মাধবপুরে শহীদের স্বীকৃতি চায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবার

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :
মাধবপুরে শহীদ কাজী সফর আলীর বড় ছেলে কাজী আবুল হোসেন, মেয়ে কাজী হেলেনা বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করায় রাজাকারের সহযোগিতায় কাজী সফর আলীকে গুলি করে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনী। মায়ের কাপড় দিয়ে বাড়ির পাশেই দাফন করা হয় কাজী সফর আলীকে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের এতদিন ৪৮ বছর পরও শহীদের মর্যাদা পায়নি কাজী সফর আলী। যুদ্ধে স্বামীকে হারানো শহীদের স্ত্রী আবু জাহান বিবি তার স্বামীর স্বীকৃতি না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

শহীদের কবরটুকু এখন পর্যন্ত সরকারিভাবে সংস্কার করা হয়নি। বয়সের ভারে নইয়ে পড়া আবু জাহান বিবি বলেন ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বড় ছেলে কাজী সফর আলী ও মেয়ে কাজী হেলেনা সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। একই পরিবার থেকে ভাই বোন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করায় রাজাকারের সহযোগিতায় ১৯৭১ সালে ১২ই মে পাক হানাদার বাহিনী কাজী সফর আলী ও আসলাম উদ্দিন খান সহ ১২জনকে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়ায় ব্রাশ ফায়ার করে নৃসংশভাবে হত্যা করে। তখন তড়িঘড়ি করে তেলিয়াপাড়ায় মায়ের কাপড় দিয়ে শহীদ সফর আলীকে দাফন করা হয়। শুধু তাই নয় তেলিয়াপাড়ায় তাদের পুরোবাড়ি পুড়িয়ে ছারখার করে দেওয়া হয়। মুক্তিযুদ্ধে স্বামীকে হারিয়ে ছেলে মেয়েদেরকে নিয়ে অনেক ঘাত- প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে জীবন চলছে।

শহীদ সফর আলীর ছেলে কাজী হুমায়ুন বলেন, আমার ভাই বোন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করায় যুদ্ধের সময় শিশু অবস্থায় আমার পিতাকে হারিয়েছি। আমার মা অনেক কষ্ট করে আমাদের লালন পালন করেছেন। দেশ স্বাধীনের পরেও স্থানীয় রাজাকাররা আমাদের জমি জমা দখল করে আমাদের মামলা মোকদ্দমা দিয়ে নির্যাতন করেছে। বাবার শহীদের স্বীকৃতি পেতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সহ বিভিন্ন স্থানে আবেদন করেও এখন পর্যন্ত স্বীকৃতি না পেয়ে আমরা হতাশ। আমার মায়ের আক্ষেপ মারা যাবার আহে তার স্বামী শহীদের স্বীকৃতি ও কবর সংরক্ষণ ও সংস্কার দেখে যেতে চান।

হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এডভোকেট মোহাম্মদ আলী পাঠান বলেন, শহীদ সফর আলীর ২ সন্তান একসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করায় তাদের পিতাকে ৭১’ পাক হানাদার বাহিনী নির্মমভাবে হত্যা করে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর নির্দেশে শহীদ কাজী সফর আলী সহ মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদদের তালিকা চুড়ান্ত করে তাদের স্বীকৃতি ও কবর সংরক্ষনের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।