• Youtube
  • English Version
  • বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০২:০০ পূর্বাহ্ন

করাঙ্গী নিউজ
স্বাগতম করাঙ্গী নিউজ নিউজপোর্টালে। ১৫ বছর ধরে সফলতার সাথে নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে করাঙ্গী নিউজ। দেশ বিদেশের সব খবর পেতে সাথে থাকুন আমাদের। বিজ্ঞাপন দেয়ার জন‌্য যোগাযোগ করুন ০১৮৫৫৫০৭২৩৪ নাম্বারে।

মাধবপুরের ৩৭ ব্যক্তির নামে জালিয়াতির মামলা!

  • সংবাদ প্রকাশের সময়: শনিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি :
হবিগঞ্জ আদালতে পুলিশ এসল্ট মামলায় হাজিরা নিয়ে লুকোচুরি করায় মাধবপুরের ৩৭ ব্যক্তির নামে জালিয়াতির মামলা রুজু হয়েছে।

 

অতিরিক্ত চীপ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্টেট, আমল আদালত-৬ এর বিচারক মোঃ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী আদেশে মামলাটি রুজু হয়।

 

গতকাল শুক্রবার আদালতের সাধারন নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) সুহেল মিয়া বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় ১৯/৫১ মামলাটি দায়ের করেন। দায়েরকৃত মামলার ১জন ব্যতিত সকল আসামীরা মাধবপুর উপজেলার ৭নং জগদীশপুর ইউনিয়নে মধ্য বেজুড়া গ্রামের বাসিন্দা। ওই আসামীদের প্রায় সকালেই পু্লিশ এসল্ট, হত্যা ও দাঙ্গাসহ একাধিক মামলার আসামী।

 

ওই তিন যুবকসহ মামলার ৩৬জনই মাধবপুর উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের মধ্য বেজুড়া গ্রামের মৃত আদিল হোসেনের পুত্র মোবারক মিয়া (৩৫), মৃত ইমাম হোসেনের পুত্র হুমায়ুন মিয়া(৪০) ও মৃত আলাই মিয়ার ছেলে ফরহাদ মিয়া (৩৮)।

 

মামলার নথি পর্যালোচনা করে জানা গেছে, বেজুড়া গ্রামে গত ২০২২ সালে ২৫ সেপ্টেম্বর দাঙ্গা সংগঠিত হয়। দাঙ্গা দমন করতে মাধবপুর থানার পুলিশসহ জেলা পুলিশ অংশ নেয়। এসময় দাঙ্গাবাজদের হামলায় একাধিক পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় থানার উপ-পরিদর্শক(এস আই) তরিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ৭৫ জনের নামে মামলা দায়ের করে। মাধবপুর থানায় রুজূ করা ৪৮ নং মামলার (জি আর ৪৬৩/২২)। পরবর্তীতে ৭৩ জনের নামে অভিযোগ পত্র দাখিল করা হয়েছিল।

 

দাখিলকৃত অভিযোগ পত্রের আসামীদের হাজিরার তারিখ ছিল চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি।

 

অধিকাংশ আসামীরা আদালতে উপস্থিত থাকলেও ৭নং আসামী মধ্য বেজুড়া গ্রামের মৃত আদিল হোসেনের ছেলে মোবারক মিয়া (৩৫), ২২নং আসামী মৃত ইমাম হোসেনের ছেলে হুমায়ুন মিয়া (৪০) এবং ১৩নং আাসামী মৃত আলাই মিয়ার ছেলে ফরহাদ মিয়া (৩৯) অনুপস্থিত থাকে। অথচ আদালতে দাখিলকৃত হাজিরা ফরমে অনুপস্থিত তিন আসামীর স্বাক্ষর ছিল।

 

বিষয়টি আদলতের নজরে আসলে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট (কগ – ৬) এর বিচারক মোঃ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী আসামী মোবারক, হুমায়ুন ও ফরহাদ মিয়াকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে প্রমান স্বরূপ স্বাক্ষর সম্বলিত জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অথবা অন্যকোন বস্তুনিষ্ঠ দালিলিক যেটিতে তাদের স্বাক্ষর আছে তা নিয়ে অত্রাদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছিল।

 

এছাড়া আদালতের সামনে স্বাক্ষর প্রদান করা এবং স্বাক্ষরগুলো হস্তলিপি বিশারদ দ্বারা যাছাইয়ের কথা বলা হয়েছে নির্দেশে। একই সাথে ওই তিন আসামীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করে। দীর্ঘদিন পলাতক থেকে গত ২০ মার্চ বুধবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট ফখরুল ইসলাম এর আদালতে হাজির হয়। আদালত তিন আসামীর জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরন করেন।

 

গত ২৭ মার্চ মামলার সার্বিক পর্যালোচনা শেষে স্থায়ী জামিনের আবেদনকারী ৩৬ জনসহ সহকারীর বিরুদ্ধেও মামলা রুজুর আদেশ দেন। মামলার আসামীর হল মধ্যবেজুড়া গ্রামের মৃত আনোয়ার আলীর ছেলে আলী আজম জজ মিয়া, মৃত আলাই মিয়ার ছেলে মলাই মিয়া, ফরহাদ মিয়া, ইসমাইল মিয়া, বকুল মিয়া, সাজু মিয়া, আব্দুল হাই লাল খা’র ছেলে জালাল মিয়া, হেলাল মিয়া, জুয়েল মিয়া, মৃত একরাম হোসেনের ছেলে শাহাব উদ্দিন, জসীম মিয়া, মহিব উল্ল্যর ছেলে বশির উল্লাহ জহির, হাফিজ উল্ল্যাহ, আইয়ূব আলীর ছেলে সফর আলী, মৃত ছলিমুল্লার ছেলে আসকর আলী, মৃত রবি উল্ল্যার ছেলে টনাই মিয়া, আসাদ আলীর ছেলে জাবেদ আলী সালমান, মৃত কনু মুন্সির ছেলে সিরাজ মিয়া, মৃত আমীর আলী ছেলে আরজু মিয়া, মৃত ওয়াব আলীর ছেলে আমান উল্ল্যাহ, মৃত জয়দর আলীর ছেলে রশিদুজ্জামান, শাহজাহান মিয়ার ছেলে নয়ন মিয়া, মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া, রিপন মিয়া, মৃত ওয়াব আলীর ছেলে ইমান উল্ল্যাহ, জমির আলীর ছেলে হুমায়ুন মিয়াসহ ৩৭ জনকে আসামী করা হয়েছে বলে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছন।

 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ