1. nafiz.hridoy285@gmail.com : Hridoy Fx : Hridoy Fx
  2. miahraju135@gmail.com : MD Raju : MD Raju
  3. koranginews24@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক
চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল চোর আটক, শালিস বিচারক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের - করাঙ্গীনিউজ
  • Youtube
  • English Version
  • বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৫৮ অপরাহ্ন

করাঙ্গী নিউজ
স্বাগতম করাঙ্গী নিউজ নিউজপোর্টালে। ১৪ বছর ধরে সফলতার সাথে নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে করাঙ্গী নিউজ। দেশ বিদেশের সব খবর পেতে সাথে থাকুন আমাদের। বিজ্ঞাপন দেয়ার জন‌্য যোগাযোগ করুন ০১৮৫৫৫০৭২৩৪ নাম্বারে।

চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল চোর আটক, শালিস বিচারক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের

  • সংবাদ প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে মোটরসাইকেল চুরি হওয়ার ঘটনায় শালিস বিচার করায় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে মোটরসাইকেল চোর।

উপজেলার ৫নং শানখলা ইউনিয়নে গত এক মাস আগে নোয়াগাঁও গ্রামের মোঃ সিরাজ আলী ছেলে মোঃ শাহ আলম, মোঃ ফারুক মিয়া ছেলে সুমন মিয়া এবং মহিবুর রহমান পিতা: মোঃ আঃ রউফ এর ছেলে মহিবুর মিয়ার যুগ সাজশে একই গ্রামের জয়নাল মিয়ার প্লাটিনাম ১০০ সিসি মোটরসাইকেল চুরি করে নিয়ে যায়।

পরবর্তীতে গত ৮ সেপ্টেম্বর চুনারুঘাট সেবা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে থেকে মোটরসাইকেল সহ সুমন,মুহিবুরকে হাতেনাতে ধরেন একই ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ দুলাল মিয়া, শামসুম মেম্বার,ফরিদ মেম্বার সহ আরো অনেকে মিলে।

মহিবুর এবং সুমনের স্বীকারোক্তিতে শাহ আলমকে ধরা হয় এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ চেয়ারম্যান মেম্বার এর উপস্থিতিতে ডেওয়াতলি বাজারে সালিশ বৈঠকে বসেন।

সালিশ বৈঠকে সকল সাক্ষী এবং চোরদের বক্তব্যের ভিত্তিতে মহিবুর, সুমন এবং শাহ আলম শিকার করে যে তারা ৩জনে মিলে জয়নাল মিয়ার প্লাটিনা ১০০ সিসি এবং গত বছর চুরি হওয়া ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম চৌধুরী এক ক্লাসের ডিসকভারি এসটি ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলটিও তারা দোকানের শাটার ভেঙে চুরি করে এবং এক লক্ষ টাকা দিয়ে হবিগঞ্জে বিক্রি করা হয় যা তারা তিনজনে মিলে বন্টন করে নেয়।

সালিশ বৈঠকে সকল পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে এবং চোরদের সরল স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে উদ্ধারিত প্লাটিনা ১০০ সিসি মোটরসাইকেল টি জয়নাল মিয়াকে বুঝাইয়া দেওয়া হয় এবং আবুল কালাম চৌধুরী এখলাছের ডিসকভারি এসটি ১২৫ সিসি মোটরসাইকেল এর মূল্য বাবদ এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার রায় প্রদান করেন এবং মহিবুর, সুমন ও শাহ আলমের অভিভাবকরা ২৫ সেপ্টেম্বর উত্তর টাকা আবুল কালাম চৌধুরী এখলাছকে বুঝাইয়া দিবেন বলে স্বীকার করে মহিবুর,সুমন এবং শাহ আলম কে সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় সকল সাক্ষী গণের সম্মুখে সমজিয়ে নেয়।

পরবর্তীতে টাকা দেওয়ার সময় হলে টাকা না দিয়ে অসৎ চরিত্রের কিছু লোকদের কুমন্ত্রণায় ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম সহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানায়, ঐ এলাকায় দুই যুবককে যে নির্যাতনের কথা বলা হয়েছে সেরকম কোনো ঘটনাই ঘটে নাই বরং চেয়ারম্যান সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মিলে মহিবুর,সুমন এবং শাহ আলমকে গণপিটুনির হাত থেকে রক্ষা করেন।

এই বিষয়ে চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলের মালিক আবুল কালাম চৌধুরী এখলাস এবং জয়নাল মিয়া জানান এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার সাবেক কিছু জনপ্রতিনিধি ব্যক্তি ঘোলা পানিতে মাছ শিকারে করতে চেয়েছে।

শানখলা ইউপি চেয়ারম্যান এডভোকেট নজরুল ইসলাম বলেন, আমার জনপ্রিয়তাকে ভয় পেয়ে একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে। তিনি আরো বলেন আমার বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছে তার সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণীত।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
x