1. nafiz.hridoy285@gmail.com : Hridoy Fx : Hridoy Fx
  2. miahraju135@gmail.com : MD Raju : MD Raju
  3. koranginews24@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক
লাখাইয়ে ঐতিহাসিক কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস পালিত - করাঙ্গীনিউজ
  • Youtube
  • English Version
  • রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন

করাঙ্গী নিউজ
স্বাগতম করাঙ্গী নিউজ নিউজপোর্টালে। ১২ বছর ধরে সফলতার সাথে নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে করাঙ্গী নিউজ। দেশ বিদেশের সব খবর পেতে সাথে থাকুন আমাদের। বিজ্ঞাপন দেয়ার জন‌্য যোগাযোগ করুন ০১৮৫৫৫০৭২৩৪ নাম্বারে।

লাখাইয়ে ঐতিহাসিক কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস পালিত

  • সংবাদ প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

নিতেশ দেব, লাখাই (হবিগঞ্জ): হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় কৃষ্ণপুর গ্রামে ১৯৭১ সালে ১৮ সেপ্টেম্বর রাজাকারের সহযোগিতায় পাকহানাদার বাহিনী ১২৭ জন গ্রামবাসী কে হত্যা করে।এই দিবসটি উপলক্ষে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গতকাল শনিবার ঐতিহাসিক কৃষ্ণপুর গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে।

জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুরু হয়।পরে কৃষ্ণপুর বধ্যভূমিতে সকল শহীদের স্মরণে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন লাখাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুশফিউল আলম আজাদ, উপজেলা সহকারী কমিশন (ভূমি) রুহুল আমিন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম আলম, লাখাই থানার ওসি সাইদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ কৃষ্ণপুর কমলাময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

প্রসঙ্গত ১৯৭১ সালে এই দিনে একসঙ্গে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাজাকারের সহযোগিতায় ১২৭ জন গ্রামবাসীকে হত্যা করেছিল পাকহানাদার বাহিনী। আহত হয়েছিলেন শতাধিক নারী-পুরুষ। সেই সময় এতো মরদেহ এক সঙ্গে সৎকারের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় পাশের নদীতে মরদেহগুলো ভাসিয়ে দিয়েছিলেন স্থানীয় নারীরা। সেই বিভীষিকাময় দিনের কথা মনে করে আজও কেঁপে ওঠেন অনেকে।

লাখাই উপজেলার লাখাই ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামটি জেলার শেষ প্রান্তে অবস্থিত। যোগাযোগের তেমন ভালো মাধ্যম নেই। বর্ষায় নৌকা আর শুকনো মৌসুমে পায়ে হেটে চলাচল করতে হয়। গ্রামে শতকরা ৯৫ ভাগ লোকই হিন্দু-ধর্মাবলী। ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর স্থানীয় রাজাকারের সাহায্যে পাকহানাদার বাহিনী ভোর বেলায় হঠাৎ আক্রমণ চালায় ওই গ্রামে। এ সময় গ্রামের শতশত নারী-পুরুষ স্থানীয় একটি পুকুরের পানিতে ডুব দিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন। তবুও রক্ষা পাননি দুই শতাধিক নিরীহ গ্রামবাসী। পাক হানাদার বাহিনীর হাতে পালিয়ে থাকা গ্রামবাসীর মধ্যে ১২৭ জন ধরা পড়ে। এদের সবাইকে ব্রাশ ফায়ার করে মেরে ফেলা হয়।

প্রতিবছর ১৮ সেপ্টেম্বর আসলেই যুদ্ধাহত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানরা স্থানীয় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে দিনটি পালন করে থাকেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ