#  হবিগঞ্জে করোনা শনাক্ত আরো ৯ জনের #  অষ্টগ্রাম প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন হাওর দিগন্তের সম্পাদক #  বাহুবলে গীতিকার মামুন ফুটবল একাডেমির উদ্বোধন #  আজমিরীগঞ্জে বাল্য বিয়ে পণ্ড #  দেশে ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু ২৭ জন #  বানিয়াচংয়ে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন #  সিলেটে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু #  দোয়ারাবাজারে পাগলি ধর্ষণ: ধর্ষক গ্রেফতার #  নবীগঞ্জে গলায় ফাঁস দিয়ে কিশোরীর আত্নহত্যা #  শায়েস্তাগঞ্জে ইয়াবা-মদসহ আটক ২ #  মাধবপুরে সাংবাদিক জাহের মিয়া ফকির আর নেই #  হবিগঞ্জে আ’লীগের আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল #  সিলেটে বোমাসদৃশ্য বস্তুটি ‘গ্রাইন্ডিং মেশিন’ #  নবীগঞ্জে পৌর মেয়র দম্পতিসহ ৫ জনের করোনা শনাক্ত #  হবিগঞ্জে প্রতারক আফজালের জামিন নামঞ্জুর

তাঁতীলীগ নেতা রাসেলকে খুঁজছে পুলিশ

সুদখোর ফারুক জামিনে এসে প্রতিপক্ষকে হুমকি
নিজস্ব প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার পূর্বজয়পুর গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে রক্তাক্ত সংঘর্ষের ঘটনায় সুদখোর ফারুক জামিনে এসে প্রতিপক্ষ ও তার স্বজনদের দেখে নেয়ার হুমকি। ২৭ জুলাই জামিনে এসেছে সুদখোর ফারুক। তার অপর ভাই ছাদেক কারাগারে আটক রয়েছে। এফআইআরভূক্ত অন্য আসামী তাঁতী লীগ নেতা রাসেল, আলকাছ (সুমন), আশিক ও তাদের ভাতিজা সাগর ও শুভকে খুঁজছে বাহুবল থানা পুলিশ।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, পূর্বজয়পুর গ্রামের মৃত আব্দুর রশীদের পুত্র আব্দুল আউয়ালের পুকুর ও তার পাশের জমি সম্পূর্ণ জোর-জবরধস্তি করে বেআইনী দখলের নিমিত্তে পুকুরপাড়ের গাছ-গাছালি কেটে ফেলে ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জমিতে নেমে দখলের হীন চেষ্টা চালায় আসামীরা।

এসময় আউয়াল ও তার পরিবারের লোকজন তাতে আপত্তি করলেই আসামীরা অতর্কিত হামলা চালায় আউয়াল ও তার পরিবারের লোকজনের উপর। এতে আউয়াল, তার মা ছফিনা খাতুন ও পুত্র রুবেল মিয়া গুরুতর আহত হন। আহতাবস্থায় তাদেরকে প্রতিবেশীগণ প্রথমে বাহুবল হাসপাতালে ও পরে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সরকার দলীয় সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগে বেপরোয়া আচরণ কার্যকলাপ চালিয়ে আসছে রাসেল ও তার ভাইয়েরা।

তাদের বেপরোয়া প্রভাবের কারণে এলাকার অনেক নিরীহ মানুষ অতিষ্ট হয়ে আছেন। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাগণ জানান, ফারুকের মূল পেশাই হচ্ছে- এলাকার মানুষকে চড়াসুদে ঋণ দিয়ে তাতে গলাকাটা দাদন ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া। সময় মত টাকা না দিলেই সুদ বৃদ্ধিসহ শুরু করে নির্যাতন। এমনকি সুদের টাকা না দেয়ায় জমিজমা দখলের নজির রয়েছে ফারুকের। অনুরূপ ফারুকের ভাই রাসেলও অন্যের জমিজমা দখলের নজির রয়েছে। তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের বাড়িজমি দখলেরও হীন চেষ্টা চালায় রাসেল। তার ভয়ে অনেক মানুষ বাড়ি ঘর ফেলে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

রাসেলের শক্তির উৎস হচ্ছে সরকার দল তথা তাঁতীলীগের বাহুবল উপজেলা আহবায়কের পদ ব্যবহার করে এমপি, মন্ত্রী ও দলীয় সিনিয়র নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে দাপিয়ে বেড়ায়। ফলে এলাকার সাধারণ মানুষ কিছুটা ভীতিকর অবস্থায় থাকেন। গত মাস খানেক পূর্বে স্থানীয় মিজান নামের এক আইনজীবি সহকারীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে রাসেল। এঘটনায় মামলা হয়।

উল্লেখ্য, আব্দুল আউয়াল ও তার মা ভাইকে রক্তাক্ত মারপিট করার দায়ে আউয়াল বাদী হয়ে হবিগঞ্জ জুডিশিয়াল কোর্টে মামলা করলে মামলাটি বাহুবল থানার ওসিকে রেকর্ড করার আদেশ দেন বিজ্ঞ আদালত। এর পরেই মামলাটি থানায় এফআইআরভূক্ত হলে দু আসামী ফারুক ও ছাদেককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এঘটনার পর থেকে মূল হোতা রাসেল ও তার অপর ভাইয়েরা আত্মগোপনে চলে যায়। পুলিশ রাসেলসহ আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।