Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  হবিগঞ্জে যত্রতত্র ঘোরাফেরা না করার আহব্বান জেলা প্রশাসকের #  বাহুবলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন মেম্বার শামীম #  সিলেটে করোনা আক্রান্ত প্রথম রোগী একজন চিকিৎসক #  সিলেটে স্বামীকে ভিডিওকলে রেখে স্ত্রীর আত্মহত্যা #  শ্রীলংকার চেয়েও এগিয়ে বাংলাদেশ! #  ওসমানীনগরে আল-আমানাহ ফাউন্ডেশন ইউকের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ #  মাধবপুরে ২ গাঁজা পাচারকারী গ্রেফতার #  হবিগঞ্জে করোনা সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন এমপি আবু জাহির #  মাধবপুরের লোকজনকে ঘরে থাকার জন্য সেনাবাহিনীর সচেতনতা অভিযান #  চুনারুঘাটে মাদক ব্যবসায়ি ফুল মিয়া আটক #  দেশে করোনায় আরেক জনের মৃত্যু #  বড়লেখার সাবেক এমপি সিরাজুল আর নেই #  নবীগঞ্জে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত #  করোনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৬৪ হাজার #  বাহুবলের ২২টি দোকানের ভাড়া মওকুফ করলেন মার্কেটের মালিক

হবিগঞ্জের জাকিরুলের কাছে ওসি-এসপি ‘ডালভাত’!

করাঙ্গীনিউজ: ‘ওসি-এসপি খুবই ছোট রেঙ্কের লোক। ওইসমস্থ লোকের সাথে কথা বললে হবে কী- ওরা লাই পাবে। এদের সাথে কথা কখনোই বলবেন না। কথা যদি বলতে হয়, এদের বাবার সাথে বলবেন। এরা (ওসি-এসপি) শুধু টাকাটাই চেনে, এদের সঙ্গে কথা বললে এরা কাজের আগেই ডিমান্ড করে বসবে। কিন্তু আপনি যদি কথা বলেন ডিসির সাথে, আপনি যদি কথা বলেন পুলিশ প্রধানের সাথে, তখন সে এদের (ওসি-এসপিদের) ইনস্ট্রাকশন দেবে, তখন সে (ডিসি/আইজিপি) আপনার কাছে মনে করেন বড়জোর ১০ লাখ চাইবে, এর বেশি না। কিন্তু আপনি যদি জৈন্তাপুর থানার ওসিকে বলেন, সে বলবে আমাকে ৫ লাখ দাও, সিলেট থানার ওসিকে দিতে হবে ৫ লাখ, র‌্যাবকে দিতে হবে ৫ লাখ, ডিবিকে দিতে হবে ৫ লাখ, কয়জনকে আপনি টাকা দেবেন?’

পিলে চমকানো এই কথাগুলো ‘প্রতারক’ জাকিরুলের। এভাবেই তিনি এক প্রবাসীর সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ব্যাপারে অপমান ও অপবাদমূলক কথাগুলো বলেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনী নিয়ে মিথ্যাচার করেন। কথাগুলো তিনি বলেন ওই প্রবাসীকে প্রভাবিত ও তার কাছ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার কৌশল হিসেবে। শুধু তাই নয়, এ সময় সিলেটের রাজনৈতিক এক বড় নেতা এবং এক এমপির নাম একাধিকবার উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধেও কথা বলেন জাকিরুল।

জাকিরুল আলম আরিয়ান, বয়স ৩৫। মূল বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানার আরীছপুর গ্রামে। থাকেন সিলেট নগরের শামীমাবাদে বিলাসবহুল একটি ফ্ল্যাট ভাড়া করে স্ত্রী ও ২ বছরের এক পালকপুত্র নিয়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৈধভাবে জাকিরুলের আয়ের কোনো সোর্স নেই। তবু তার দৈনন্দিন জীবনযাপন বিলাসবহুল। এর নেপথ্যে রয়েছে মানুষকে ঠকানো ও চড়া হারে সুদের কারবার। প্রতারণার অভিনব কৌশল আর বিশাল ফাঁদের মাধ্যমে লোকজনের কাছ থেকে টাকা আত্মসাতৎ করাই জাকিরুলের মূল ‘পেশা’। এভাবেই তার ফাঁদে পা দিয়েছিলেন সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর সাহারপাড়া গ্রামের হাজি কাসিম উল্লাহর ছেলে যুক্তরাজ্য প্রবাসী হাসান আহমদ এবং তার সম্পর্কিত ভাতিজা ও আমমোক্তার শামীমাবাদ এলাকার সুজন।

প্রবাসী হাসান আহমদের বেহাত হওয়া সিলেটের জৈন্তাপুরে ১৯.১ একর ভূমির নামজারি কাগজ ঠিক করা ও জায়গার দখল পাইয়ে দেয়ার নামে জাকিরুল হাতিয়ে নেন পুরো ২৪ লক্ষ টাকা। পরে নানা টালবাহানায় ২ মাস সময় ক্ষেপণের পর কোনো কাজ না করে একটি ভুয়া কাগজ ধরিয়ে দেন প্রবাসীর হাতে। বিষয়টি বুঝতে পেরে প্রবাসী ও সুজন টাকা ফেরত পেতে বিচার-সালিশ বসান, কিন্তু টাকা উদ্ধার করতে পারেননি। উল্টো তার হামলা-মামলায় প্রবাসী হাসান দেশছাড়া এবং সুজন এলাকাছাড়া। বাধ্য হয়ে সুজন জান-মালের নিরাপত্তার স্বার্থে এবং টাকা ফিরে পেতে জাকিরুলের বিরুদ্ধে সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। সূত্র: সিলেটভিউ।