Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  হবিগঞ্জে যত্রতত্র ঘোরাফেরা না করার আহব্বান জেলা প্রশাসকের #  বাহুবলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিচ্ছেন মেম্বার শামীম #  সিলেটে করোনা আক্রান্ত প্রথম রোগী একজন চিকিৎসক #  সিলেটে স্বামীকে ভিডিওকলে রেখে স্ত্রীর আত্মহত্যা #  শ্রীলংকার চেয়েও এগিয়ে বাংলাদেশ! #  ওসমানীনগরে আল-আমানাহ ফাউন্ডেশন ইউকের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ #  মাধবপুরে ২ গাঁজা পাচারকারী গ্রেফতার #  হবিগঞ্জে করোনা সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন এমপি আবু জাহির #  মাধবপুরের লোকজনকে ঘরে থাকার জন্য সেনাবাহিনীর সচেতনতা অভিযান #  চুনারুঘাটে মাদক ব্যবসায়ি ফুল মিয়া আটক #  দেশে করোনায় আরেক জনের মৃত্যু #  বড়লেখার সাবেক এমপি সিরাজুল আর নেই #  নবীগঞ্জে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত #  করোনায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৬৪ হাজার #  বাহুবলের ২২টি দোকানের ভাড়া মওকুফ করলেন মার্কেটের মালিক

হবিগঞ্জে কিশোরীবধূকে গলাটিপে হত্যা!

নিজস্ব প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ: হবিগঞ্জে কিশোরীবধূ হনুফা আক্তারকে (১৫) গলাটিপে হত্যা করে স্বামী বিলাল মিয়া (১৮)। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে পুকুরের পানিতে ফেলে দেয়া হয়। এরপরই মা ও ভাবীসহ পুলিশ বিলালকে আটক করে।

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিলাল মিয়া।

রোববার সন্ধ্যায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

তার স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে সদর থানার ওসি মো. মাসুক আলী জানান, ২ বছর প্রেম করার পর প্রায় ৭ মাস আগে সদর উপজেলার পশ্চিম এড়ালিয়া গ্রামের সওদাগর মিয়ার মেয়ে হনুফা আক্তারকে (১৫) বিয়ে করে তার চাচাতো ভাই আবদুল হাসিমের ছেলে বিলাল মিয়া (১৮)। প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করার কারণে শ্বশুরবাড়ি থেকে কোনো কিছুই পায়নি। শ্বশুরবাড়িতে যাওয়াও অনেকটা বন্ধ ছিল।

এ নিয়ে প্রায়ই তার মা, বোনসহ পরিবারের লোকজন খোটা দিত। তারা প্রায়ই বলত প্রেম করে বিয়ের কারণে শ্বশুরবাড়ি থেকে কিছুই পায়নি। প্রেম না করলে আরও ভালো মেয়ে ও জিনিসপত্র পেত। এ সব শুনে স্ত্রীর সঙ্গে সে তর্কাতর্কিতে লিপ্ত হতো। এ সময় স্ত্রী তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করত।

আর এতে অতিষ্ঠ হয়েই বিলাল তার স্ত্রীকে বুধবার রাতে গলাটিপে হত্যার পর বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি মসজিদের পুকুরে লাশ ফেলে দেয়। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।

লাশ উদ্ধারের পরই পুলিশ নিহতের স্বামী বিলাল মিয়া, শাশুড়ি চান্দি বেগম ও জা খোদেজা বেগমকে আটক করে। রোববার সন্ধ্যায় স্বামী বিলাল মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা সওদাগর মিয়া বাদী হয়ে সদর থানায় ৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধারের পরই পরিবারের সদস্যদের আচরণে পুলিশের সন্দেহ হয়। ফলে স্বামী ও শাশুড়িসহ ৩ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে স্বামী নিজে হত্যাকাণ্ডের জন্য অনুতপ্ত হয়। সে নিজে থেকেই স্বীকারোক্তি দেয়ার জন্য পুলিশকে জানায়। বাকি আসামিদেরও অবিলম্বে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।