Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  সিলেটে জাতীয় পিঠা উৎসব শুরু আজ #  মাধবপুরে চোরাই বৈদ্যুতিক তারসহ শ্রমিকলীগ নেতা আটক #  বানিয়াচঙ্গে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার #  জর্ডানে উদ্ধার হওয়া চুনারুঘাটের খাদিজা দেশে আসছেন রোববার #  চুনারুঘাটে ভারতীয় চা পাতাসহ আটক ২ #  সিলেটে ৪৮ বছর আগে হারিয়ে যাওয়া বাবার সন্ধান পেলেন সন্তানেরা #  ছাতকে নববধূকে নিয়ে ফেরার পথে ডাকাত সর্দার গ্রেফতার #  ‘ভিক্ষুকমুক্ত সিলেট’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী #  জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা ১ম হয়েছে সানশাইন স্কুলের তুহিন #  এক বছরে বিমানে লাভ ২৭৩ কোটি টাকা #  শায়েস্তাগঞ্জের বাংলা কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের শিক্ষা সফর #  মিরপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষকে সংবর্ধনা #  জকিগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড: ২ কোটি টাকার ক্ষতি #  যুব বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ #  সিলেটে থেকেও চুনারুঘাটের ধর্ষণ মামলার আসামী বানিয়াচংয়ের ফজলু

আজ ৮ ডিসেম্বর আজমিরীগঞ্জ মুক্ত দিবস

নিজস্ব প্রতিনিধি, হবিগঞ্জ: আজ ৮ ডিসেম্বর আজমিরীগঞ্জ মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্ত হয়েছিল তৎকালীন ভাটি বাংলার রাজধানী খ্যাত হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলা। মুক্তিযোদ্ধের বিরত্বগাথা দিনগুলোর মধ্যে একটি দিন হল আজমিরীগঞ্জ মুক্ত দিবস।

সেদিন পূর্বাকাশে সূর্যদয়ের সাথে সাথেই মেঘনা রিভার ফোর্সের কোম্পানী কমান্ডার, ১১নং সেক্টরের ট্রেনিং ইনচার্জ ফজলুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে ৭ ঘন্টা সম্মুখযুদ্ধ শেষে পাকসেনা, রাজাকার, আলবদরদের হটিয়ে মুক্ত করেন আজমিরীগঞ্জ উপজেলা।

যুদ্ধেরপর আজমিরীগঞ্জ উপজেলা সদরে পাকসেনা, পুলিশ, আলবদর-রাজাকারদের বিতারিত করে বীরযোদ্ধাদের মুহমুহ গুলি ও জয় বাংলা শ্লোগানের মাধ্যমে বীরদর্পে এগিয়ে আসে কয়েক হাজার মুক্তিকামী জনতা। ফুলের মালা গলায় দিয়ে বরন করে যুদ্ধকালীন কমান্ডার মোঃ ফজলুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধিন বীরমুক্তিযোদ্ধাদের।

এসময় আজরিমীগঞ্জ থানার প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফজলুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক গরুরহাট ময়দান ও থানা কম্পাউডে উত্তোলন করা হয় কাঙ্খিত সেই বাংলাদেশের লাল সবুজের রক্তিম পতাকা।

এসময় এফ আর চৌধুরীর সহযোদ্ধা অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন তৈয়বুর রহমান খান বাচ্চু, বৃটিশ সেনাবাহিনী সদস্য নুর ইসলাম মুন্সি, নেত্রকোণার সারফান আলী, আব্দুর রাজ্জাক মিয়া, আক্কাছ মিয়া, মর্তুজ আলী, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান, সালাহউদ্দিন মিয়া, সিরাজ মিয়া প্রমুখ।

পরে হাজারো জনতার আনন্দে উদ্দেলিত ভালবাসায় শিক্ত হয়ে কমান্ডার মোঃ ফজলুর রহমান চৌধুরী আবেগ জড়িত কন্ঠে স্বাধীনতা পাওয়া এবং চাওয়ার উদ্দেশ্য বর্ণনা করেন।

শুধু আজমিরীগঞ্জ থানাই নয় ফজলুর রহমান চৌধুরীর কমান্ডে বলিষ্ট নেতৃত্বে পাকহানাদার আলবদর রাজাকারদের হটিয়ে হবিগঞ্জ জেলার পাশ্ববর্তী ইটনা, অষ্টগ্রাম, নেত্রকোণা জেলার তৎকালিন কমলাকান্দা থানা সম্মুখ সমরে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে মুক্ত করেন এবং শত সহস্র রাজাকার, আলবদর, পাকসেনা, পুলিশ মিলিশিয়া আত্মসমর্পন করে ও নিহত হয়।