Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  বাংলাদেশ দলে সিলেটের নাঈম #  সিলেট সিক্সার্সের সাথে বৈঠক আজ #  হবিগঞ্জে জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন #  পালিয়ে গিয়ে শেষ রক্ষা হল না প্রেমিক-প্রেমিকার #  মাধবপুরে গাছ থেকে পড়ে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু #  চুনারুঘাটে বনগাঁও গ্রামের রাস্তার বেহাল দশা: সংস্কার দাবী #  পুওর কেয়ার কুইক রেসপন্স টিমের সভা অনুষ্ঠিত #  আজমিরীগঞ্জে হাওর থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার #  মাধবপুরে চা শ্রমিককে কুপিয়ে হত্যা #  হবিগঞ্জে মানবিক, উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা শীর্ষক সভা #  শায়েস্তাগঞ্জে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে জি কে গউছের মতবিনিময় #  চুনারুঘাট পৌর শহরে উচ্ছেদ অভিযানে যানজটমুক্ত সড়ক #  শায়েস্তাগঞ্জে আ’লীগের বর্ধিত সভায় এমপি আবু জাহির #  বাহুবলে প্রাইভেটকার চাপায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু #  বিয়ানীবাজারে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

টুং টাং শব্দে মুখরিত নবীগঞ্জের কামারপাড়া

মোঃ আলমগীর মিয়া নবীগঞ্জ(হবিগঞ্জ):
দিন-রাত টুং টাং শব্দে মুখরিত হচ্ছে নবীগঞ্জ বাজারসহ বিভিন্ন কামারপাড়া। কামারপল্লীগুলোতে এখন রাত-দিন চলছে পরিচিত টুং টাং শব্দ। কোরবানির ঈদের সময় যতোই ঘনিয়ে আসছে, ততোই বাড়ছে কামারদের ব্যস্ততা।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা।

বছরের অন্য সময় গুলোতে কাজের তেমন চাপ না থাকলেও কোরবানির সময় যেন দম ফেলার ফুরসৎ নেই তাদের। তবে বিগত বছরগুলোর চেয়ে এবারে সরঞ্জামের দাম বেশি হওয়ায় কিছুটা বিপাকে পড়েছেন কামাররা। পশু কোরবানির দা, ছুরি ও চাপাতিসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে মানুষ ভিড় করছেন কামারপাড়ায়। আবার কেউ কেউ পুরোনো সরঞ্জাম মেরামত অথবা শান দিয়ে নিচ্ছেন।

প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাব, আর্থিক সংকটসহ নানা কারণে হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্প। পাশাপাশি কয়লা আর কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় লাভের পরিমাণ কমেছে বলেও জানান অনেকে। বর্তমান আধুনিক যন্ত্রাংশের প্রভাবে কামার শিল্পের দুর্দিন চললেও পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠেছে এ শিল্প।

কামারপল্লীর সুকুমার দেব জানান, বছরের অন্যান্য দিনগুলোতে তেমন কাজ আসে না। কিন্তু কোরবানির ঈদ এলে কাজের চাপ বেড়ে যায়। দিন-রাত কাজ করেও রেহাই পাওয়া যায় না।

কামার শিল্পী সুবল চন্দ্র দেব বলেন, ৩০/৩২ বছরের বেশি সময় ধরে এই ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছি। ঈদের আর কয়েক’দিন বাকি থাকলেও পাইকারী দোকানদার ও খুচরা ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ঈদের আগ পর্যন্ত ঠিকমতো নাওয়া-খাওয়ার সময় পাচ্ছি না।

কারিগররা জানান, কাঁচা-পাকা লোহা দিয়ে তৈরি করা হয় ধাতব যন্ত্রপাতি। তবে পাকা লোহার দা-ছুরির চাহিদা সবসময়ই বেশি থাকে এবং বেশি দামে বিক্রি হয়ে থাকে।

বিক্রেতারা জানান, দা আকৃতি ও লোহা ভেদে ১শ থেকে ৪শ ৫০ টাকা, ছুরি ৫০ থেকে ৩শ টাকা, চাকু প্রতিটি সর্বোচ্চ ৫০ টাকা, হাড় কোপানোর চাপাতি প্রতিটি ২শ থেকে ৪শ টাকা এবং ধার করার স্টিল প্রতিটি ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। পুরোনো যন্ত্রপাতি শান দিতে বা পানি দিতে ১শ ৫০ টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে। কয়লা ও কাঁচামালের দাম সহনীয় রেখে এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে সরকার এমনটাই প্রত্যাশা কামারদের।

এদিকে, দাম আগের তুলনায় বেশি হলেও বাধ্য হয়েই পশু কোরবানির সরঞ্জাম কিনছেন ক্রেতারা।

editor masum