Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  বাংলাদেশ দলে সিলেটের নাঈম #  সিলেট সিক্সার্সের সাথে বৈঠক আজ #  হবিগঞ্জে জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন #  পালিয়ে গিয়ে শেষ রক্ষা হল না প্রেমিক-প্রেমিকার #  মাধবপুরে গাছ থেকে পড়ে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু #  চুনারুঘাটে বনগাঁও গ্রামের রাস্তার বেহাল দশা: সংস্কার দাবী #  পুওর কেয়ার কুইক রেসপন্স টিমের সভা অনুষ্ঠিত #  আজমিরীগঞ্জে হাওর থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার #  মাধবপুরে চা শ্রমিককে কুপিয়ে হত্যা #  হবিগঞ্জে মানবিক, উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা শীর্ষক সভা #  শায়েস্তাগঞ্জে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে জি কে গউছের মতবিনিময় #  চুনারুঘাট পৌর শহরে উচ্ছেদ অভিযানে যানজটমুক্ত সড়ক #  শায়েস্তাগঞ্জে আ’লীগের বর্ধিত সভায় এমপি আবু জাহির #  বাহুবলে প্রাইভেটকার চাপায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু #  বিয়ানীবাজারে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

কমলগঞ্জে ব্যস্ত চালের মিলগুলি

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: দেশে শীত মৌসুমে নানা জাতের পিঠা পুলির আয়োজন হয়ে থাকে প্রায় প্রতিটি বাড়িতে। এজন্য আটা ময়দার সাথে থাকে চালের গুড়া দিয়ে পিঠা তৈরীর কাজ। তবে কুরবানির ঈদের সময় বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে আতপ চালের গুড়া দিয়ে রুটি তৈরী করে কুরবানির মাংস দিয়ে খাওয়ার একটি প্রচলন রয়েছে। সে ধারাবাহিকতায় প্রতি বছল কুরবানির ঈদের আগে চালের মিলগুলি ব্যস্ত থাকের চাল ভাঙ্গাতে।

আসন্ন কুরবানির ঈদেক সামনে রেখে কমলগঞ্জের চালের মিলগুলি ব্যস্ত সময় পার করছেন চাল ভাঙ্গার কাজে। গতকাল শুক্রবার কমলগঞ্জের শমশেরনগর বাজারের মশিউর রহমানের চালের মিল ঘুরে দেখা যায় নিজ নিজ ব্যাগে চাল ভরে সারিবদ্ধভাবে রেখে গেছেন মানুষজন।

মিল মালিক মশিউর রহমান জানান, সারা বছর মিলে হলুদ, মরিচ,গম ও চাল ভাঙ্গিয়ে থাকেন। তবে কুরবানির ঈদের আগে ব্যস্ত থাকতে হয় আতপ চাল ভাঙ্গার কাজে। গড়ে প্রতিদিন ৩০০ কেজি পরিমাণ চাল ভাঙ্গাতে হচ্ছে। প্রতি কেজি ১০ টাকা হারে তিনি ভাঙ্গিয়ে থাকেন। মানুষজন ঈদের সময় বাসা বাড়িতে চালের গুড়ার নানা জাতের পিঠার সাথে গুড়া দিয়ে রুটি তৈরী করেন।

কুরবানির মাংস দিয়ে রুটি খেতে আলাদা স্বাদ বলেও মিল মালিক মশিউর জানান। ঈদের ৩ থেকে ৪ দিন আগ থেকে অনেক সময় রাত জেগে মিলে কাজ করতে হয়। চাল নিয়ে এসে মানুষজন ওজন দিয়ে নিজের ব্যাগে কাগজে নাম লিখে রেখে যান। চাল গুড়া করে আবার তিনি সারিবদ্ধভাবে রেখে দেন। পরে মানুষজন এসে নিজ নিজ ব্যাগ নিয়ে যায়। মিল মালিক আরও জানান কুরবানির ঈদের সময় অনেকেই আবার নিজে শুকনো মরিচ,হলুদ ও ধনে গুড়া করে নিয়ে যান।

শমশেরনগর সুজা মেমোরিয়াল কলেজ অধ্যক্ষ ম মুর্শেদুর রহমান বলেন, কুরবানির ঈদের পর কুরবানির মাংস দিয়ে চালের গুড়ার রুটি খাওয়ার প্রচলন অনকে পূর্ব থেকে। এর স্বাদও আলাদা। বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে এর প্রচলন রয়েছে। মোটামোটি সব মুসলিম পরিবারই চালের গুড়া দিয়ে রুটি করেন। আর তখন বন্ধু বান্ধবদেরও দাওয়াত দেওয়া হয় কুরবানির মাংস ও চালের রুটি খাওয়ার জন্য।

editor masum