Oops! It appears that you have disabled your Javascript. In order for you to see this page as it is meant to appear, we ask that you please re-enable your Javascript!
 #  বাংলাদেশ দলে সিলেটের নাঈম #  সিলেট সিক্সার্সের সাথে বৈঠক আজ #  হবিগঞ্জে জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন #  পালিয়ে গিয়ে শেষ রক্ষা হল না প্রেমিক-প্রেমিকার #  মাধবপুরে গাছ থেকে পড়ে স্কুল ছাত্রের মৃত্যু #  চুনারুঘাটে বনগাঁও গ্রামের রাস্তার বেহাল দশা: সংস্কার দাবী #  পুওর কেয়ার কুইক রেসপন্স টিমের সভা অনুষ্ঠিত #  আজমিরীগঞ্জে হাওর থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার #  মাধবপুরে চা শ্রমিককে কুপিয়ে হত্যা #  হবিগঞ্জে মানবিক, উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা শীর্ষক সভা #  শায়েস্তাগঞ্জে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে জি কে গউছের মতবিনিময় #  চুনারুঘাট পৌর শহরে উচ্ছেদ অভিযানে যানজটমুক্ত সড়ক #  শায়েস্তাগঞ্জে আ’লীগের বর্ধিত সভায় এমপি আবু জাহির #  বাহুবলে প্রাইভেটকার চাপায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু #  বিয়ানীবাজারে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ঈদ উদযাপন হোক গরিব-দুঃখীদের সাথে

নিজস্ব প্রতিনিধি: ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে উৎসব। কিন্তু লক্ষণীয় যে, একই ঈদের আনন্দ একেকজনের কাছে একেক রকম। ধনীর ঈদ অসংখ্য নতুন পোশাক, আসবাবপত্র আর উপহারে ভরপুর। মধ্যবিত্তদের ঈদ যেন কোন রকমে কেটে যায় দিন এই অবস্থার মত। গরীবের ঈদ যেন অন্য অন্য সাধারণ দিনের মতই কেটে যায় সমান ভাবে।দেশের উত্তরাঞ্চল জুড়ে শুরু হয়েছে সর্বনাশা বন্যা। হাজার হাজার গ্রাম প্লাবিত হয়ে ঐ অঞ্চলের অনেক শহরও অনেকদিন তলিয়ে ছিল পানির নিচে। এখনো সেই বন্যার রেশ কাটেনি। এই বন্যার কারণে গবাদী পশু, পাখি আর মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে হচ্ছে গাদাগাদি করে একসঙ্গে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের লেগেই আছে অর্ধাহার, অনাহার।

গণমাধ্যম এবং সরেজমিনে দেখা অনুযায়ী, অনেক মানুষ হারিয়েছে তাদের ভিটেমাটি, ফসল আর মাথা গোঁজার শেষ সম্বলটুকু। দুর্ভোগ বাড়বে ঘরেফেরা মানুষের। এ কারণেই পূর্ব প্রস্তুতি ও ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকে বাড়ি ফিরছে না।

ইতিমধ্যে নাড়ির টানে অনেকে নিজগ্রামে চলে গেছেন স্বজনদের সাথে ঈদ করতে।

এদিকে প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও ঘরে ফেরা মানুষের দুর্ভোগ লক্ষণীয় সড়ক ও নৌপথে সমানভাবে। রাজধানী ঢাকা সহ দেশের শহরগুলোতে লক্ষণীয়ভাবে বাড়ছে অভাবী মানুষের ভীড়। দোকান কিংবা অফিস অথবা বাসাবাড়িতে অভাবী মানুষের পদচারণা বিরক্তিকর। যারা ভিক্ষা করার যোগ্য নয়, শরীরে কাজ করার শক্তি আছে তারাও ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে ঈদ উপলক্ষে বিত্তবানদের দরজায় হাজির। ধনাঢ্য ব্যক্তিরা প্রতি বছর ঈদে গরিবের জন্য নতুন কাপড়, ফেতরাসহ নানারকম অনুদান ও সহযোগিতা বিতরণ করে থাকে। এগুলো সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেককে এর আগে প্রাণ পর্যন্ত হারাতে হয়েছে।

ঈদ আসছে বলে অভিজাত বিপনী বিতানগুলোতে চলছে বেচাকেনার প্রতিযোগিতা, মধ্য ও নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য ফুটপাতেও লক্ষ্য করা যাচ্ছে উপচে পড়া ভীড়। আবার এমনও মানুষ রয়েছে ঈদের আনন্দ, নতুন জামাকাপড় তারা কল্পনাও করতে পারেনা। নিয়মিত দু’বেলা ভাতই তাদের ঠিকভাবে জোটে না। নুন আনতে পান্তা ফুরায়। তাদের আবার ঈদ কি? এমনও অনেকে আছেন ঈদের দিনেও তাদের উপোস থাকতে হবে, তারা সম্পূর্ণভাবেই ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত। আবার কেউ কেউ আছেন কোটি টাকা খরচ করে ঈদ উদযাপন করবেন।

ইসলামী শরীয়া মোতাবেক ধনী-গরিব সকলকেই ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়া উচিত। আমাদের উচিত আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশি সকলকে নিয়ে এই ঈদ আনন্দ উপভোগ করা। নিজেরা নতুন জামাকাপড় কিনলে গরিব প্রতিবেশিদেরও সাধ্যমত সহযোগিতা করা। তাদের খোঁজখবর নেয়া তারা ঠিকভাবে ঈদ আনন্দ উপভোগ করল কিনা। ঈদের আনন্দ যেন একঘেয়েমি না হয়ে যায় সে বিষয়ে আমাদের সকলের খেয়াল রাখতে হবে। সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর উদ্যোগে গরিব মানুষকে ঈদ আনন্দ উপভোগ করার সুযোগ করে দিতে হবে। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ধনাঢ্য ব্যক্তি এবং দাতা সংস্থার এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের সকলের খেয়াল রাখতে হবে ঈদ হোক সকলের জন্য সমান।

editor masum